পুঁজিবাজারে শেয়ার, ডিবেঞ্চার, করপোরেট বন্ড ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এক্সপোজার লিমিট (পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগসীমা) অনুসরণ করতে হয় দেশের সব তফসিলি ব্যাংককে। তবে এখন থেকে বন্ড, ডিবেঞ্চার ও ইসলামিক শরিয়াহভিত্তিক সুকুকে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো সীমা থাকবে না বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এজন্য পুঁজিবাজার বিনিয়োগের বিবরণীর ছক সংশোধন করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকটি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফসাইট সুপারভিশন গতকাল এ-সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা দেশের সব ব্যাংকে পাঠিয়েছে। এতে সংশোধিত এ ছক অনুসরণ করে আগের মতো পুঁজিবাজারে বিনিয়োগসংক্রান্ত বিবরণী একক ও একীভূত উভয় ভিত্তিতে দাখিল করতে বলা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগসংক্রান্ত আগের নির্দেশনায় সব ধরনের শেয়ার, ডিবেঞ্চার, করপোরেট বন্ড, মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট ও পুঁজিবাজারের অন্যান্য পণ্যে ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ এক্সপোজার লিমিটের মধ্যে ছিল। তবে ব্যাংক-কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ২৬ক ধারায় ২০২৩ সালের সংশোধনী অনুসারে, ব্যাংকের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বন্ড, ডিবেঞ্চার ও ইসলামিক শরিয়াহভিত্তিক সুকুক নির্ধারিত এক্সপোজার লিমিটের অন্তর্ভুক্ত হবে না।










