স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পেরিয়ে বাংলাদেশের কৃষি এখন এক অনন্য উচ্চতায়। মাঠের দিকে তাকালে বিচিত্র রকমের ফুল, ফল, সবজি, দানাদার ফসল, ডাল, তেল, মসলা ও অর্থকরী ফসলের সমারোহ। বিস্তীর্ণ সমতল, পাহাড়ি ও শুকনো বরেন্দ্র অঞ্চল বা উপকূলীয় লবণাক্ত অঞ্চল—সর্বত্রই বছরব্যাপী কৃষি ফসল বাতাসে দোলায়মান। শহর, বন্দর ও হাটবাজারের দোকানে যেমন শোভা পাচ্ছে বাহারি রকমের কৃষি পণ্য, তেমনি গ্রামীণ এলাকার চৌরাস্তা, তেমাথা বা স্কুল, কলেজ প্রভৃতি জনসমাগমস্থলে গড়ে ওঠা দোকানেও নেই কোনো কমতি। কৃষক এখন আর পাখির রব শুনে রাত পোহানোর সঙ্গে সঙ্গে গরুর পাল নিয়ে মাঠে যান না। সূর্যাস্ত পর্যন্ত মাঠে হাড়ভাঙা খাটুনিতে ব্যস্ত থাকেন না। আজকাল কৃষক সকাল ৭টা-৮টায় নাশতা খেয়ে ধীরস্থির মনোভাব নিয়ে মাঠে যান। অধিকাংশ কৃষকের গায়ে এখন আর ছেঁড়া লুঙ্গি বা ধুতি দেখা যায় না। তাদের মাথায় বা কোমরে রঙিন গামছার শোভা নেই। চৈত্র-বৈশাখের খরতাপে পুড়ে আউশ ও আমন ধান বা পাটের বীজ বপনের জন্য তাদের গরু টানা কাঠের লাঙলে জমি কর্ষণ করতে দেখা যায় না। মুগুর দিয়ে জমিতে ঢেলা ভাঙা, জমির উর্বরতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাঁধে ঝুলিয়ে বা মাথায় টোপর ভর্তি গোবর-খড়কুটা পরিবহন ও তা মাঠে ছড়ানো আজ অদৃশ্য। বোরো ধানের জমিতে সেওতি দিয়ে পানি সেচের দৃশ্য কল্পনাতীত। এখন আর জ্যৈষ্ঠ-আষাঢ় মাসে রবির তপ্ত কিরণে দগ্ধ ও উচ্চ আপেক্ষিক আর্দ্রতায় ঘর্মাক্ত বদনে দলবদ্ধ কৃষকদের জারি, সারি, ভাটিয়ালি, ধুয়া গানের কলতানে পাট ও আউশ এবং আমন ধানের জমিতে খুরপি দিয়ে আগাছা দমন করতে দেখা যায় না। সর্বত্র কলের লাঙল, নিড়ানি ও সেচ যন্ত্র এবং ফসল কর্তন, মাড়াই-ঝাড়াই যন্ত্রের সমারোহ। 

কলিকালে কৃষক চটপটে ও করিতকর্মা। তাই পরনে থাকে ফুল প্যান্ট ও টি-শার্ট এবং পায়ে জুতা বা সেন্ডেল। বিকাল ৪টার পর সাধারণত কৃষককে মাঠে দেখা যায় না। তারা বিকালে গ্রামীণ জনপদে গড়ে ওঠা দোকানে বসে ফুরফুরে মেজাজে চা, কফি বা কোমলপানীয় পান করেন, টেলিভিশন দেখে ও রাজনৈতিক আড্ডায় লিপ্ত হন।  

হালে গ্রামীণ কৃষাণীর ফসলের মাড়াই-ঝাড়াই, বিনিদ্র রজনীতে ধান সেদ্ধ, রোদে ধান শুকানো ও কাঠের ঢেঁকিতে ধান ভানতে হয় না। গৃহস্থালিকাজে নিয়োজিত বছরি কামলা বা ঠুকা কামলার আহার জোগাতে তাদের বিশাল ডেকে রান্নার কাজ অদৃশ্য। কৃষাণীরা এখন আর গরু-মহিষের খাবারের চাড়ি পরিষ্কার, চাড়িতে পানি দেয়া, গোয়ালঘর ও গোশালা ঝাড়ু দেয়া ও গোবর শুকিয়ে জ্বালানি তৈরি করেন না। এমনকি খড়কুটা বা গাছের পাতা শুকিয়ে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করতেও তেমন একটা দেখা যায় না। অনেক কৃষাণী এখন গ্যাসের চুলায় রান্না করেন। ভোরবেলা ও বিকালে তাদের এখন প্রাণবন্ত মনোভাবে সবুজে আচ্ছাদিত গ্রামীণ পাকা রাস্তায় পদচারী ও আড্ডায় মেতে উঠতে দেখা যায়। শীত নিবারণে কৃষক পরিবারে পুরনো ও জীর্ণ শাড়ি বা লুঙ্গি দিয়ে নির্মিত কাঁথার জায়গা দখল করে নিয়েছে জমকালো চাদর আর চিকচিকে কম্বল ও রকমারি নকশার কাঁথা। তাই কৃষাণীরা এখন আর শরতের বৃষ্টিস্নাত দিনে কাঁথা সেলাইয়ে আগ্রহী নন। গ্রীষ্মের খরতাপে বিদগ্ধ হয়ে কৃষাণীকে খেসারি, ছোলা ও মুগডাল মাড়াই-ঝাড়াইকরণ এবং ক্লান্ত-অবসন্ন দেহের ফুরসত নিতে আম্রবৃক্ষতলে বসে পান চিবোতে দেখা যায় না। প্রকারান্তরে তারা বৈদ্যুতিক পাখার সুশীতল হওয়ায় বসে টেলিভিশনে ডিশ অ্যান্টেনার সুবাদে ভারতীয় চ্যানেলে নিয়মিত সিরিয়াল দেখেন।   

কৃষকের সন্তান এখন উৎসব-আনন্দে স্কুলগামী। সরকারি উপবৃত্তির সুবাদে স্কুলের প্রতিটি শিশুর গায়ে থাকে অভিন্ন পোশাক। তাদের পায়ে শোভা পায় রঙিন ও ঝকঝকে জুতো। শিশুরা বই আর জলখাবার বহন করে পিঠে ঝোলানো ব্যাগে। গৃহিণী মা তার সন্তানের হাত ধরে নিয়মিত শিক্ষালয়ে গমন করেন এবং সন্তানের পড়ালেখা ও ভবিষ্যৎ জীবন গড়নে থাকে ব্যতিব্যস্ত। 

কৃষি ও কৃষক পরিবারের এ উল্লেখযোগ্য কাঙ্ক্ষিত ও ইতিবাচক পরিবর্তনের দিশারি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার সরকারের দূরদৃষ্টিসম্পন্ন ও সময়োপযোগী পরিকল্পনা গ্রহণ এবং তা বাস্তবায়নের মাধ্যমে আজ কৃষক ও কৃষাণীর মুখে হাসি এবং প্রাণে আনন্দের উচ্ছ্বাস। জাতির পিতা কর্তৃক গৃহীত সবুজ বিপ্লবের আলোকে প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় দেশে কৃষিশিক্ষা ও গবেষণার অভূত উন্নয়নসহ সম্প্রসারণ কার্যক্রম বেগবান এবং ফলপ্রসূ হয়েছে। সে সঙ্গে কৃষককে নগদ সহায়তা ও কৃষি খাতে ভর্তুকি প্রদান এবং কৃষিকে অন্তর্ভুক্তিমূলক খাত হিসেবে চিহ্নিত করে এ পেশায় দেশপ্রেমী ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে কৃষিতে বাণিজ্যিকীকরণ প্রক্রিয়া আজ দৃশ্যমান। 

কৃষির সার্বিক উন্নয়ন চিত্রের অংশ হিসেবে এ লেখায় কৃষিশিক্ষার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য তথ্যগুলো সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে প্রথম সরকার গঠিত হয় ১৯৯৬ সালের ২৩ জুন। তখন দেশে কৃষিশিক্ষার একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ছিল বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত স্নাতক কৃষিশিক্ষার প্রতিষ্ঠান ছিল বাংলাদেশ কৃষি ইনস্টিটিউট, পটুয়াখালী কৃষি কলেজ এবং হাজী মোহাম্মদ দানেশ কৃষি কলেজ। কৃষিতে স্নাতকোত্তর শিক্ষালাভের প্রতিষ্ঠান ছিল গাজীপুরের ইনস্টিটিউট অব পোস্টগ্র্যাজুয়েট স্টাডিজ ইন এগ্রিকালচার (ইপসা)। এছাড়া খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিন থেকে কৃষি গ্র্যাজুয়েট তৈরি হতো। 

বঙ্গবন্ধুকন্যা ১৯৯৬ সালে সরকার গঠন করে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন মানুষের ভাতের চাহিদা নিশ্চিতকরণে। ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণে জ্ঞাননির্ভর কারিগর তৈরিতে তিনি হলেন অত্যন্ত আন্তরিক। তাই কৃষিশিক্ষায় অধিকসংখ্যক মেধাবী শিক্ষার্থীর সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে এবং কৃষিশিক্ষাকে আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সম্মিলনে বিকশিত করতে তিনি ১৯৯৮ সালের ২২ নভেম্বর ইপসাকে উন্নীত করে প্রতিষ্ঠা করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। তিনি ১৯৯৯ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে হাজী মোহাম্মদ দানেশ কৃষি কলেজ উন্নীত করেন হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে। প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিকতার ফসল হিসেবে বাংলাদেশ কৃষি ইনস্টিটিউট উন্নীত হয় শের-ই-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং পটুয়াখালী কৃষি কলেজ রূপান্তরিত হয় পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় নামে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে। পরবর্তী সময়ে দেশের প্রাচীন ও বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয়, যা প্রাচ্যের অক্সফোর্ড নামে খ্যাত, সেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মাত্স্যবিদ্যা বিভাগ চালু এবং দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে কৃষিশিক্ষা বিকশিত করতে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিদ্যাপীঠ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু করেন কৃষি, মাত্স্য ও পশু চিকিৎসা অনুষদ।

দেশের ক্রমবর্ধমান জনগোষ্ঠীর আমিষের চাহিদা মেটাতে প্রাণিসম্পদের গুরুত্ব অনুধাবন করে বঙ্গবন্ধু কন্যা ভেটেরিনারি শিক্ষা সম্প্রসারণের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তার সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী চট্টগ্রাম সরকারি ভেটেরিনারি কলেজ এবং সিলেট সরকারি ভেটেরিনারি কলেজে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রীর কৃষিশিক্ষা ও গবেষণা বিকশিতকরণ অভীপ্সার বাস্তবায়ন স্বরূপ এ দুটি ভেটেরিনারি কলেজ যথাক্রমে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয় ও সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে নামে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে কৃষি গ্র্যাজুয়েট বিনির্মাণে দীপ্তমান। তার সরকারের পরিকল্পনায় খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জামালপুর, এবং সিরাজগঞ্জ সরকারি ভেটেরিনারি কলেজ ও ঝিনাইদহ সরকারি ভেটেরিনারি কলেজে গৃহীত হয় শিক্ষা কার্যক্রম। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কৃষি বিষয়ে শিক্ষালাভ করছে প্রায় ২৫ হাজার ছাত্রছাত্রী আর শিক্ষক কর্মরত আছেন প্রায় ২ হাজার ৫০০ জন। 

বাংলাদেশের কৃষির বর্তমান চ্যালেঞ্জ বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবেলা করে দেশের ক্রমহ্রাসমান ভূমি থেকে ক্রমবর্ধমান জনগোষ্ঠীর পুষ্টি নিশ্চিতকরণ। সেই সঙ্গে বিশ্বের ক্ষুধা ও দারিদ্র্যপীড়িত দেশগুলোয় খাদ্যসহায়তা প্রদান এবং আধুনিক বিজ্ঞানের ছোঁয়ায় প্রাগ্রসরমাণ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষের পুষ্টি চাহিদা জোগানোর ক্ষেত্রে অংশীদারত্ব পালন। অধিকতর কৃষির উৎপাদন, যথাযথ প্রক্রিয়াকরণ, সংরক্ষণ ও বাজারজাতের মাধ্যমে অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জন সম্ভব। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রয়োজন অধিকসংখ্যক দক্ষ ও যোগ্য কৃষি উদ্যোক্তা, গবেষক ও সম্প্রসারণ কর্মী। তাই প্রধানমন্ত্রী কৃষিশিক্ষা ও গবেষণাকে আঞ্চলিক জলবায়ু এবং ফসল বিন্যাসের ধারায় উত্কর্ষ করতে এলাকাভিত্তিক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বা কৃষি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠাকে প্রাধান্য দিয়েছেন। তার আন্তরিকতা ও প্রচেষ্টার ফলস্বরূপ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। এছাড়া দেশে অরো চারটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে চলছে।

দেশের প্রতিটি কৃষিশিক্ষা প্রতিষ্ঠান আজ সর্বোচ্চ মেধাবী তরুণ-তরুণীর পছন্দের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বিদ্যাপীঠ হিসেবে প্রস্ফুটিত। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় এসব প্রতিষ্ঠানে পুরুষের তুলনায় অধিকসংখ্যক নারী শিক্ষার্থী ভর্তি হচ্ছে এবং একাডেমিক ফলে তাদের প্রাধান্য লক্ষণীয়। এ ধারা বাংলাদেশের কৃষিকে বিকশিত ও নারীর ক্ষমতায়ন এবং বহির্বিশ্বে আমাদের বৈষম্যহীন ও অসাম্প্রদায়িক  চেতনার ইতিবাচক লক্ষণ বলে প্রশংসিত। প্রতিটি কৃষি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অব্যাহত গতিতে সৎ, নিষ্ঠাবান ও করিতকর্মা কৃষিবিদ তৈরি হচ্ছে। তারা কৃষি পেশা ছাড়াও দেশের রাজনীতি, প্রশাসন, পুলিশ, কাস্টমস, ট্যাক্স, অডিট, ব্যাংক, বীমাসহ দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত।  অনেক কৃষিবিদ উদ্যোক্তা হয়ে নিজে হয়েছেন সমৃদ্ধ আর দেশের অর্থনীতিকে করেছেন বেগবান। কৃষিবিদরা নিজ নিজ দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে কৃষিশিক্ষার সুনাম ও মর্যাদা সর্ব মহলে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। 

প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে দেশের প্রতিটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে অবকাঠামো নির্মাণ ও গবেষণার ভৌত সুবিধা উন্নয়নের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। আগামী দিনে প্রতিটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েটরা জলবায়ুর নেতিবাচক প্রভাব মোকাবেলা করে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ, সংরক্ষণ ও বাজারজাতে আরো সুফল বয়ে আনবে বলে দেশবাসীর প্রত্যাশা।

 

ড. মো. রুহুল আমীন: অধ্যাপক, কীটতত্ত্ব বিভাগ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর