ধারণা
করা
হয়,
এক
হাজার
কোটি
বছর
আগে
এশিয়া
বা
আফ্রিকায়
মৌমাছির
উত্পত্তি
হয়
এবং
ফুল
উৎপাদনকারী
গাছপালার
সঙ্গে
এদের
সহবিবর্তন
ঘটে
প্রায়
২৫৩
কোটি
৫০
লাখ
বছর
আগে।
এক
হাজার
বছর
আগে
থেকে
মিসরীয়রা
মৌমাছি
পালনের
সঙ্গে
সম্পর্কযুক্ত
হলেও
মূলত
ঊনিশ
শতকে
এর
বাণিজ্যিক
ভিত্তিতে
লালন-পালন
শুরু
হয়।
এরই
মধ্যে
যুক্তরাষ্ট্র,
কানাডা,
জার্মানি,
নেদারল্যান্ডস,
অস্ট্রেলিয়া,
জাপান,
চীন,
কোরিয়া,
ভারতসহ
বিভিন্ন
দেশে
মৌমাছির
খামার
গড়ে
উঠেছে।
বিশ্বে
মধু
উৎপাদনকারী
প্রতিষ্ঠানগুলোর
মধ্যে
বার্কম্যান
হানি,
বি
মেইড
হানি
লিমিটেড,
ক্যাপিল্যানো
হানি
লিমিটেড,
দাবুর
ইন্ডিয়া
লিমিটেড,
ডালিয়ান
স্যাংডি
হানি
বি
কোম্পানি
লিমিটেড,
ডাচ
গোল্ড
হানি,
পোলার
হানি
ফিনল্যান্ড,
রৌজি
হানি
লিমিটেড,
জিজিয়াং
গিয়াংসান
বি
এন্টারপ্রাইজ
কোম্পানি
লিমিটেড,
সাবানা
বি
কোম্পানি
উল্লেখযোগ্য।
প্রস্তর বা
দৈত্য
মাছি,
খুদে
মাছি
এবং
চাক
বা
খোদল
মাছি—এ
তিনটি
গুচ্ছে
বিভক্ত
প্রায়
১০
প্রজাতির
মৌমাছি
সচরাচর
দেখা
যায়।
প্রস্তর
বা
দৈত্য
গুচ্ছভুক্তের
অন্যতম
প্রজাতি
হলো
এপিস
ডর্সাটা।
এ
প্রজাতির
মৌমাছির
মধু
ও
মোম
উৎপাদন
ক্ষমতা
তুলনামূলক
বেশি।
তাদের
প্রতি
চাক
থেকে
২৫
কেজি
মধু
এবং
১
দশমিক
২
কেজি
মোম
পাওয়া
যায়।
বাংলাদেশের
সুন্দরবনসহ
বিভিন্ন
অঞ্চলে
এ
প্রজাতির
মৌমাছি
প্রাকৃতিকভাবে
গাছের
ডালে,
বসতবাড়ি
বা
বিভিন্ন
প্রতিষ্ঠানের
ইমারতের
দেয়ালে
মৌচাক
তৈরি
করে।
অতি
সাধারণভাবে
মানুষ
সেসব
চাক
থেকে
মধু
আহরণ
ও
বাজারজাত
করে।
খুদে মাছির
অন্যতম
প্রজাতি
এপিস
ফ্লোরিয়া
বাংলাদেশের
সর্বত্র
দেখা
যায়।
এ
প্রজাতির
মৌমাছি
ঝোপঝাড়ে
চাক
তৈরি
করে।
এদের
চাকে
মধু
ও
মোম
উৎপাদন
ক্ষমতা
যৎসামান্য
(২০০ থেকে
৮০০
গ্রাম)।
চাক
বা
খোদল
মাছি
আবার
এশীয়
ও
ইউরোপীয়
এ
দুটো
গোষ্ঠীতে
বিভক্ত।
এশীয়
গোষ্ঠীর
অন্যতম
প্রজাতি
এপিস
সেরানা
(ইন্ডিকা) গাছের
কাণ্ডের
খোঁড়লে,
মাটির
দেয়াল
বা
পাত্রে
চাক
তৈরি
করে।
শান্ত
প্রকৃতির
এ
মৌমাছি
গৃহে
পালন
সম্ভব
হলেও
মধু
ও
মোম
উৎপাদনের
দিক
থেকে
ততটা
লাভজনক
নয়।
প্রতি
চাকে
৮-১০
কেজি
মধু
উৎপাদন
হয়।
খুদে
গুচ্ছভুক্ত
এবং
ইউরোপীয়
গোষ্ঠীর
এপিস
মেলিফেরা
প্রজাতির
মৌমাছি
সহজে
লালন-পালন
করা
যায়
এবং
এদের
প্রতিটি
চাকে
মধু
উৎপাদন
ক্ষমতা
২৫
থেকে
৪০
কেজি।
বিশ্বের
বিভিন্ন
দেশে
এ
প্রজাতির
মৌমাছির
বাণিজ্যিক
খামার
গড়ে
উঠেছে।
মৌচাক থেকে
মধু
ও
মোম
ছাড়াও
উপজাত
হিসেবে
পাওয়া
যায়
পরাগ
রেণু
(পোলেন), মৌকাই
(প্রোপোলিস), রাজচিত
মোরব্বা
রস
(রয়্যাল জেলি)
এবং
গরল
(ভেনম)।
এ
উপজাতের
সবগুলোই
মৌমাছির
চাক
গঠন
ও
জীবনধারণের
জন্য
অপরিহার্য।
মানবসভ্যতার
ক্রমবিবর্তন
এবং
সেই
সঙ্গে
তাদের
দৈনন্দিন
চাহিদার
জোগান
দিতে
আধুনিক
বিশ্বে
মৌচাকের
উপজাত
অত্যন্ত
গুরুত্ব
বহন
করে।
মৌচাকের
মূল
উৎপাদিত
পণ্য
হচ্ছে
মধু,
যা
মৌমাছি
তৃণভূমি
থেকে
আহরিত
ফুলের
সুধা
এবং
পরাগ
রেণু
গাঁজানোর
মাধ্যমে
ঘন,
আঠালো
এবং
সুমিষ্ট
তরল
দ্রব্যে
পরিণত
করে।
মধুতে
প্রায়
৭০
শতাংশ
সরল
শর্করা
(গ্লুকোজ ও
ফ্রুকটোজ)
থাকে।
এই
সরল
শর্করা
পান
করামাত্রই
মানুষের
পাকস্থলীতে
বিদ্যমান
শ্লেষ্মা
ঝিল্লির
মাধ্যমে
শোষিত
হয়ে
রক্তের
মাধ্যমে
দেহের
বিভিন্ন
অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে
ছড়িয়ে
পড়ে
এবং
উদ্বৃত্তাংশ
যকৃতে
গিয়ে
গ্লাইকোজেনে
রূপান্তর
হয়।
অতিরিক্ত
শারীরিক
পরিশ্রমের
সময়
গ্লাইকোজেন
সরল
শর্করায়
পরিণত
হয়ে
শরীরে
দ্রুত
শক্তি
সরবরাহ
করে।
মধু
শিশুদের
দৈহিক
বৃদ্ধি
ও
শারীরিক
গঠনে
উত্তম
ফলদায়ক
এবং
রক্তের
লোহিত
কণিকা
গঠনে
কার্যকরী
ভূমিকা
রাখে।
মধু
কফ,
কাশি,
ক্ষত
ও
পাকস্থলীর
রোগ
নিরাময়ে
অত্যন্ত
কার্যকরী।
ওষুধ
ও
প্রসাধনসামগ্রী,
সুরা,
পানীয়
ও
সুমিষ্ট
খাবার
তৈরিতে
মধু
অত্যন্ত
মূল্যবান
উপাদান
হিসেবে
ব্যবহার
হয়।
প্রতিদিন
৫০
থেকে
১২০
গ্রাম
মধু
ফলের
রস,
পানি,
চা
বা
দুধের
সঙ্গে
সেবন
অত্যন্ত
ফলদায়ক।
মৌমাছি মোম
দ্বারা
চাক
গঠন
করে
সেখানে
বংশবৃদ্ধির
জন্য
ডিম
পাড়ে,
শূককীট
ও
মূককীট
লালন-পালন
করে
এবং
তাদের
খাবারের
উৎস
হিসেবে
রাজচিত
মোরব্বা
রস
(রয়্যাল জেলি),
পরাগ
রেণু
ও
মধু
সঞ্চয়
করে
রাখে।
কর্মী
মৌমাছিগুলো
তাদের
তলপেটের
গ্রন্থি
থেকে
নিঃসরণের
মাধ্যমে
মোম
তৈরি
করে।
মৌচাকের
মোম
পানিতে
অদ্রবণীয়
এবং
এর
মধ্যে
৭১
শতাংশ
এস্টার,
১৫
শতাংশ
হাইড্রোকার্বন,
৮
শতাংশ
ফ্যাটি
অ্যাসিড
এবং
৬
শতাংশ
অন্যান্য
উপাদান
থাকে।
মোম
চাককে
শক্ত
ও
মজবুত
বন্ধনে
আবদ্ধ
রাখে
এবং
এর
কম্পনের
মাধ্যমে
মাছিগুলো
পরস্পরের
প্রতি
সাড়া
প্রদান
করে।
প্রাগৈতিহাসিক
যুগ
থেকেই
মোম
প্রথম
ব্যবহূত
আঠালো
দ্রব্য
হিসেবে
মানবকল্যাণে
জড়িয়ে
আছে।
মোম
পিচ্ছিলকারক
পদার্থ
এবং
জলের
অভেদ্যতা
হিসেবে
ব্যবহার
হয়।
এছাড়া
কাষ্ঠ,
ধাতব,
কাচ
ও
চামড়া
শিল্পে,
প্রসাধন
ও
মোমবাতি
তৈরির
উপাদান
এবং
চারু
শিল্পে
রঞ্জিতকরণে
ব্যবহার
হয়।
পরাগ রেণু
(পোলেন) মৌমাছির
জীবনধারণের
অন্যতম
উপাদান
আমিষ,
চর্বি,
ভিটামিন
ও
খনিজের
উৎস।
পরাগ
রেণু
ব্যতীত
মৌমাছির
ভ্রূণ
ও
মাতৃমাছির
খাবার
তৈরি
অকল্পনীয়।
একজন
প্রাপ্তবয়স্ক
মানুষ
প্রতিদিন
তিন
চা-চামচ
মৌমাছি
থেকে
আহরিত
পরাগ
রেণু
সেবন
করলে
তার
রক্তপ্রবাহ
বৃদ্ধি,
রক্তে
লোহিত
কণিকার
সংখ্যা
ও
যকৃতে
রক্তের
পরিমাণ
বাড়ে।
মানুষের
মলদারের
ক্ষত
চিকিৎসায়
অ্যান্টিবায়োটিক
ফলদায়ক
না
হলেও
পরাগ
রেণু
কার্যকরী
ভূমিকা
রাখে।
মৌকাই
(প্রোপোলিস) বহুবর্ষজীবী
গাছপালার
কুঁড়ি
থেকে
মৌমাছি
কর্তৃক
সংগৃহীত
মোম
এবং
আঠালো
পদার্থের
সংমিশ্রণে
তৈরি
চাক
গঠনের
এক
আবশ্যকীয়
উপাদান।
মৌকাই
চাকের
সেলগুলোর
ফাঁকা
স্থান
ভরাটের
মাধ্যমে
তার
দৃঢ়তা
দান
করে।
এ
মৌকাই
চাকের
জীবাণুনাশক
হিসেবে
এবং
রোগাক্রান্ত
চাকের
ক্ষত
নিবারণে
ফলদায়ক।
মৌকাইয়ে
উদ্বায়ী
ইথারিক
অয়েল
বিদ্যমান
থাকায়
তা
ক্ষতিকারক
ছত্রাক,
ব্যাকটেরিয়া
ও
ভাইরাস
সংক্রমণ
প্রতিরোধী।
এ
মৌকাই
মানুষের
চর্মরোগ,
শ্বাসতন্ত্র
ও
পাকস্থলীর
রোগ
নিরাময়ে
ফলপ্রসূ।
মৌমাছির
গরল
(ভেনম) হলো
এনজাইম
ও
পেপটাইডের
এক
জটিল
মিশ্রণ।
মূলত
মৌমাছি
তাদের
আত্মরক্ষার
জন্য
এই
গরল
পদার্থ
ব্যবহার
করে।
মৌমাছির
গরলে
মেলেটিন,
অ্যাপামিন,
অ্যাডোলাপিন,
সেকাপিন
প্রভৃতি
জীবসক্রিয়
উপাদান
থাকায়
মানুষের
বাত
রোগের
চিকিৎসায়
কার্যকরী।
রাজচিত মোরব্বা
রস
বা
রয়্যাল
জেলি
কর্মী
মৌমাছির
মাথায়
বিদ্যমান
গ্রস্থি
থেকে
নিঃসৃত
হয়।
এই
রসে
শতকরা
৬৭
ভাগ
পানি,
১২
দশমিক
৫
ভাগ
আমিষ,
১১
ভাগ
সরল
শর্করা,
৬
ভাগ
চর্বি
এবং
৩
দশমিক
৫
ভাগ
১০-হাইড্রোক্সি-২-ডিসেনোয়িক
অ্যাসিড
এবং
ভিটামিন
বি-৫,
বি-৬
ও
ভিটামিন-সি
থাকে।
রাজচিত
মোরব্বা
রসে
১০-হাইড্রোক্সি-২-ডিসেনোয়িক
অ্যাসিড
অ্যান্টিবায়োটিক
বা
অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল
উপাদান
হিসেবে
কাজ
করে।
এ
রস
মৌমাছির
শূককীট
দশায়
খাবার
হিসেবে
ব্যবহার
হয়
এবং
এর
খাবারের
মাত্রার
ওপর
ভিত্তি
করে
শূককীটগুলো
পুরুষ,
কর্মী
বা
রানী
মাছিতে
পরিণত
হয়।
পুরুষ
ও
কর্মী
শূককীটগুলো
তিনদিন
পর
রাজচিত
মোরব্বা
রস
সেবন
বন্ধ
করে
দেয়
কিন্তু
রানী
শূককীটগুলো
বিকাশ
লাভ
অবধি
সেবন
করে।
মৌমাছির
রাজচিত
মোরব্বা
রস
প্রতিদিন
১০০
মিলিগ্রাম
হিসেবে
৩০
থেকে
৪০
দিন
সেবনে
মানবদেহের
রক্তের
প্রাণরসায়নিক
উপাদানে
তাত্পর্যপূর্ণ
পরিবর্তন
হয়।
ফলে
মানুষের
উত্তম
নিদ্রা
হয়,
কর্মশক্তি
ও
হজম
বৃদ্ধি
পায়,
শ্বসনতন্ত্র
ও
হূিপণ্ডের
স্বাভাবিক
কার্যকারিতা
সম্পাদনে
সহায়তা
করে
এবং
মানসিক
অবসাদ
কমে
যায়।
আমাদের দেশে
বার্ষিক
মোট
৩০
হাজার
টন
মধুর
চাহিদার
বিপরীতে
১০
হাজার
টন
উৎপাদন
হয়।
দেশে
প্রায়
২৫
হাজার
মৌ
চাষী
রয়েছেন।
তারা
সরিষা,
ধনিয়া,
কালিজিরা
ক্ষেত
বা
আম
ও
লিচু
বাগানে
মৌমাছি
পালন
করেন
এবং
সুন্দরবন
থেকে
মধু
ও
মোম
সংগ্রহ
করেন।
বিশ্বের
৫৫
শতাংশ
মধু
উৎপাদন
হয়
চীন,
মেক্সিকো,
রাশিয়া,
তুরস্ক
ও
যুক্তরাষ্ট্রে।
এসব
দেশ
মধু
ও
মৌ
কলোনির
অন্যান্য
উপজাত
রফতানি
করলেও
দিন
দিন
অভ্যন্তরীণ
চাহিদা
বৃদ্ধি
পাচ্ছে।
ইউরোপ
ও
এশিয়ার
বিভিন্ন
দেশে
মধু
ও
মৌ
কলোনির
উপজাতের
ব্যাপক
চাহিদা
রয়েছে।
বিশ্বে
বার্ষিক
প্রায়
১
দশমিক
৮৫
মিলিয়ন
টন
মধু
উৎপাদন
হয়,
যার
বাজারমূল্য
৮
বিলিয়ন
মার্কিন
ডলার।
বিশ্বব্যাপী
মৌ
কলোনির
উপজাতের
ব্যাপক
চাহিদা
থাকায়
মৌমাছির
খামার
কৃষির
অন্যতম
বাণিজ্যিক
ও
লাভজনক
খাত
হিসেবে
বিবেচিত
হচ্ছে।
বিশ্বের নানা
দেশে
মৌ
কলোনির
উপজাত
থেকে
মানুষের
খাদ্য,
চিকিৎসা
ও
দৈনন্দিন
প্রয়োজনে
ব্যবহূত
দ্রব্যাদি
তৈরির
শিল্প
গড়ে
উঠেছে।
মৌ
কলোনির
উপজাতগুলো
অত্যন্ত
মূল্যবান
হওয়ায়
এসব
শিল্পে
অনেক
লোকের
কর্মসংস্থানের
সুযোগ
সৃষ্টি
হয়েছে।
আমাদের
দেশে
মৌ
কলোনির
উপজাতগুলোর
মূল্য
পর্যবেক্ষণ
করলে
দেখা
যায়
কালিজিরা
ফুলের
এক
কেজি
দাবুর
হানির
বর্তমান
বাজারদর
১
হাজার
২০০
টাকা,
এক
কেজি
খাঁটি
মোম
প্রায়
২
হাজার
৬৫০
টাকা,
১০০
গ্রাম
পোলেন
৫০০
টাকা,
৫০০
মিলিগ্রাম
ওজনের
১২০টি
মৌকাই
(প্রোপোলিস) ক্যাপসুল
২
হাজার
৭৮০
টাকা,
গরলের
(ভেনম) ১০০
মিলি
ইমালসন
১
হাজার
৫০০
টাকা,
রাজচিত
মোরব্বা
রস
বা
রয়্যাল
জেলির
৩০
মিলিলিটার
বি
হেলথ
টিংচার
৭
হাজার
৪৬০
টাকা।
বাংলাদেশে মৌ
খামার
গড়ে
তোলার
যথেষ্ট
অনুকূল
পরিবেশ
বিদ্যমান।
এপিস
সেরানা
এদেশীয়
প্রজাতি
এবং
সহজে
লালন-পালনযোগ্য।
তাছাড়া
এর
উৎপাদন
ক্ষমতাও
মোটামুটি
ভালো।
ইউরোপীয়
গোষ্ঠীর
এপিস
মেলিফেরা
প্রজাতিও
আমাদের
দেশের
আবহাওয়ায়
সহনশীল
হয়েছে
এবং
দেশে
এ
প্রজাতির
খামার
গড়ে
উঠেছে।
বাংলাদেশের
সুন্দরবন,
মধুপুর
বনাঞ্চল
ও
পার্বত্য
এলাকায়
মৌমাছির
খামার
গড়ে
তোলার
অনুকূল
পরিবেশ
বিদ্যমান।
অধিকন্তু,
আমাদের
দেশে
অবোষ্ণ
আবহাওয়া
এবং
সারা
বছর
মাঠে
সুধাসমৃদ্ধ
ফসলের
সমারোহ
থাকে।
পশ্চাত্পদ
জনগোষ্ঠী
বিশেষত
বেদে
এবং
পাহাড়ে
বসবাসকারীদের
যথাযথ
প্রশিক্ষণ
ও
প্রণোদনা
প্রদানের
মাধ্যমে
মৌ
খামার
গড়ে
তুলতে
আগ্রহী
করা
যেতে
পারে।
বাণিজ্যিকভাবে মৌমাছি
চাষের
মাধ্যমে
আমাদের
দেশে
কর্মসংস্থানের
ব্যাপক
সুযোগ
সৃষ্টি
হতে
পারে
এবং
মৌ
কলোনি
ফসলের
পরাগায়ণে
ব্যবহার
করে
ফসলের
অধিক
ফলনপ্রাপ্তি
সম্ভব।
মৌ
কলোনির
উপজাত
মানুষের
পুষ্টি
চাহিদা
নিশ্চিতে
অত্যন্ত
গুরুত্বপূর্ণ
উপাদান
হতে
পারে।
তাছাড়া
ওষুধ
ও
নানা
শিল্পের
কাঁচামাল
হিসেবে
ব্যবহার
এবং
বিদেশে
রফতানি
করে
বৈদেশিক
মুদ্রা
অর্জনের
যথেষ্ট
সম্ভাবনা
রয়েছে।
বর্তমান
সরকারের
সঠিক
দিকনির্দেশনায়
বাংলাদেশ
সুগারক্রপ
গবেষণা
ইনস্টিটিউটে
মৌমাছি
একটি
কৃষি
ফসল
হিসেবে
গবেষণায়
অন্তর্ভুক্ত
হয়েছে।
বাংলাদেশ
ক্ষুদ্র
ও
কুটির
শিল্প
করপোরেশন
গ্রামীণ
কৃষকদের
প্রশিক্ষণ
প্রদান
করে
ছোট
আকারে
মৌ
খামার
গড়ে
তুলতে
কাজ
চালিয়ে
যাচ্ছে।
তাছাড়া
কৃষি
সম্প্রসারণ
অধিদপ্তরের
মাঠ
পর্যায়ের
কর্মকর্তাদের
প্রশিক্ষণ
প্রদানের
মাধ্যমে
কৃষকদের
মৌ
খামার
প্রতিষ্ঠায়
উদ্বুদ্ধ
করছে।
দেশে
প্রশিক্ষিত
জনগোষ্ঠীর
মাধ্যমে
মৌ
খামার
ব্যাপকতা
লাভ
করেলে
দেশে
গুণগত
মানের
খাদ্য
উৎপাদন
বৃদ্ধি
পাবে,
পুষ্টি
চাহিদা
নিশ্চিতে
ইতিবাচক
ফল
বয়ে
আনবে
এবং
সেই
সঙ্গে
মৌ
কলোনির
উপজাত
এবং
সেসব
থেকে
উৎপাদিত
পণ্য
রফতানি
করে
বৈদেশিক
মুদ্রা
অর্জন
সম্ভব
হবে।
ড. মো. রুহুল
আমীন: অধ্যাপক, কীটতত্ত্ব
বিভাগ
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর










