দেশের প্রধান শিল্প খাতগুলোয় দক্ষ জনবল ঘাটতি ক্রমে দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে উঠছে। উৎপাদনে এর প্রভাব পড়ছে। ২০ শতাংশ দক্ষ শ্রমিকের ঘাটতি নিয়েই চলছে দেশের রফতানি আয়ের প্রধান উৎস তৈরি পোশাক খাত। এ সুযোগে পোশাক খাতে কয়েক হাজার বিদেশী শ্রমিক কাজ করছেন। অন্যদিকে বর্তমানে প্রায় এক কোটি বাংলাদেশী জনশক্তি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থান করছে। এ বিপুল মানুষের মাধ্যমে যে পরিমাণ রেমিট্যান্স আসার কথা, তা আসছে না। এর অন্যতম কারণ প্রবাসে বাংলাদেশী দক্ষ জনশক্তির অভাব। দক্ষতা বা প্রশিক্ষণের অভাবে চাকরি হচ্ছে না বিশাল বেকার জনগোষ্ঠীর। আবার দক্ষ কাজের লোক পাচ্ছেন না কারখানার মালিকরা। অর্থনৈতিক উন্নয়নের এ পর্যায়ে এসে এমন দুষ্টচক্র উন্নয়নের গতিকে স্তিমিত করছে, যা এক ধরনের ফাঁদ। এখান থেকে পরিত্রাণে দক্ষ জনশক্তি তৈরির বিকল্প নেই। সুষ্ঠু প্রশিক্ষণের মাধ্যমেই এটি অর্জন সম্ভব।
শিল্প বিকাশের জন্য যেমন নতুন শিল্প-কারখানা সৃষ্টির প্রয়োজন, তেমনিভাবে এসব কারখানায় দক্ষতা ও মুনাফা বৃদ্ধি করে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের জন্য উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি একান্তভাবে অপরিহার্য। দেশের কল-কারখানায়, শিল্প ও সেবা প্রতিষ্ঠানে, কৃষি খামারে, কৃষিজমিতে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে দক্ষ ও অভিজ্ঞ জনশক্তির বিকল্প নেই। আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারেও অধিক উৎপাদনশীলতা নিশ্চিত করতে দক্ষ, কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন অভিজ্ঞ জনশক্তির বিপুল চাহিদা রয়েছে। এ কারণে বিদেশে দক্ষ, কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন অভিজ্ঞ জনশক্তি রফতানির তাগিদ দেয়া হচ্ছে। আধুনিক যুগে জাতীয় উন্নয়নের প্রশ্নে উৎপাদনশীলতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রতিযোগিতাময় বিশ্বে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি ছাড়া কোনো শিল্পই টিকে থাকতে পারে না। শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণের ক্ষেত্রেও উৎপাদনশীলতা গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে বিবেচিত হয়। শ্রমিকরা মজুরি বাড়ানোর কিংবা অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির দাবি তুললে ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ স্বাভাবিকভাবেই তাদের উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর কথা বলে থাকেন। উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পেলেই শ্রমিকদের মজুরি ও অন্য সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো সম্ভব হয়। যে কারণে প্রতিষ্ঠানও সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যায় এবং লাভজনক পর্যায়ে পৌঁছে। বর্তমানে যে পরিমাণ দক্ষ শ্রমিক দরকার তা মিলছে না। কৃষি প্রক্রিয়াকরণ, তৈরি পোশাক শিল্প এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্পে উচ্চ পর্যায়ে দক্ষ লোকের ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে। বিআইডিএসের গবেষণায় উঠে এসেছে, কোথাও অষ্টম শ্রেণী পাস কর্মীর দরকার হলে দরখাস্ত আসছে মাস্টার্স পাসের। আবার কোথাও বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী দরকার হলে সেখানে পাওয়া যাচ্ছে না। বাংলাদেশের শ্রমিকদের মধ্যে কর্মক্ষমতা কম। এক্ষেত্রে সবার ওপরের অবস্থানে সিঙ্গাপুর আর বাংলাদেশের অবস্থান নিচ থেকে চতুর্থ। অর্থাৎ কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম ও পাকিস্তানের অবস্থান বাংলাদেশের পরে। এছাড়া ভারত, শ্রীলংকা, মঙ্গোলিয়াসহ অনেক দেশই বাংলাদেশের পরে অবস্থান করছে। গত বছরে প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ পেয়েছেন মাত্র ৩ দশমিক ৬ শতাংশ শ্রমিক, যা উদ্বেগজনক। অর্থাৎ ব্যক্তি উদ্যোক্তারাও শ্রমিকের দক্ষতা বাড়াতে প্রশিক্ষণের বিষয়ে আগ্রহী নয়।
দক্ষতা ও প্রযুক্তিগত দিক থেকে উন্নত দেশগুলোর কথা বলতে গেলে বেশকিছু দেশের নাম সামনে চলে আসে। এর মধ্যে আছে জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া, ইসরায়েল, জার্মানি, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য এবং আরো অনেক দেশের নাম। কেন এ দেশগুলো এত উন্নত তা একটু ভাবলেই সবার আগে তাদের প্রযুক্তির কথাই মনে পড়বে। জাপানের বিশেষজ্ঞদের উন্নতমানের গবেষণা তাদের প্রযুক্তিতে অভাবনীয় পরিবর্তন এনে দিয়েছে। তাদের উন্নতির কারণ খুঁজলে প্রথম সামনে চলে আসবে দেশটির শিক্ষা ব্যবস্থা। ১৯৫৮ সাল থেকেই জাপানে নিম্ন মাধ্যমিক লেভেলেই প্রযুক্তি শিক্ষার ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে বৃত্তিমূলক প্রযুক্তি শিক্ষাকে ঐচ্ছিক বিষয় হিসেবে রাখা হয়। নিম্ন মাধ্যমিক পর্যায়ে প্রযুক্তি শিক্ষার উদ্দেশ্যই ছিল শিক্ষার্থীদের বাস্তবিক অভিজ্ঞতা লাভের মাধ্যমে আধুনিক প্রযুক্তি হাতে-কলমে শেখা এবং বাস্তবিক অর্থেই আধুনিক মেশিন তৈরি এবং চালনা করার মাধ্যমে জীবন এবং প্রযুক্তির মধ্যকার সম্পর্ক বোঝা এবং আধুনিক প্রযুক্তির উন্নতি সাধন করা যাতে দৈনন্দিন জীবনের মান বৃদ্ধি পায়। শুধু স্কুলে নয়, অভিজ্ঞ শিক্ষক গড়তে তিন বছর মেয়াদি প্রযুক্তি শিক্ষা প্রশিক্ষণ নেয়ার জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়েছে। এমনকি তাদের শিক্ষা মন্ত্রণালয় একজন পাঠক্রম বিশেষজ্ঞকে যুক্তরাজ্যে প্রেরণ করে প্রযুক্তি শিক্ষার বিষয়গুলো সম্পর্কে জানতে। পরবর্তী সময়ে বৃত্তিমূলক কোর্সের সঙ্গে সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা বাড়ানোর লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের ব্যবস্থা করা হয়েছে যাতে শিল্প খাতে শিক্ষার্থীরা তাদের জ্ঞানের যথাযথ ব্যবহার করতে পারেন। ১৯৮০ সালে নিম্ন মাধ্যমিক পর্যায়ে কম্পিউটার শিক্ষা কোর্সের প্রচলন করা হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকেও কারিগরি শিক্ষায় জোর দেয়া হয়েছে। এভাবেই দিনের পর দিন জাপানের শিক্ষা ব্যবস্থা সংস্কার লাভ করেছে। তাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় শুধু পুঁথিগত জ্ঞান নয়, হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেয়ার মাধ্যমে শিক্ষাদান করা হয়েছে। তারাই প্রযুক্তির উন্নয়নে অসামান্য ভূমিকা রাখছে। জাপান যে প্রযুক্তিতে এত উন্নতি লাভ করেছে তার অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে তাদের শিক্ষা ব্যবস্থা। জাপানের মতো বাংলাদেশও মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে প্রযুক্তিনির্ভর বৃত্তিমূলক কোর্সের ব্যবস্থা করতে পারে। এতে শিক্ষার্থীরা খুব সহজেই প্রযুক্তি শিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারেন। শুধু পুঁথিগত বিদ্যা নয়, থাকতে হবে বাস্তবিক প্রয়োগ। এসব কোর্সের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা যাতে সহজেই প্রযুক্তি শিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারেন, এজন্য যথেষ্ট বৃত্তিমূলক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা দরকার। যে বিষয়েই ইউনিভার্সিটি থেকে ডিগ্রি নেয়া হোক না কেন, শিক্ষার্থীরা চাইলে যেন এসব কোর্সের মাধ্যমে প্রযুক্তি শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে পাস করার পরই কোনো চাকরি পেতে পারেন বা নিজের আয়ের উৎস নিজেই তৈরি করতে পারেন।
দক্ষতা উন্নয়ন এখন দেশের অন্যতম নীতি প্রাধিকার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এজন্য সরকারিভাবে বাড়ানো হচ্ছে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সংখ্যা। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতও বড় মাত্রায় যুক্ত হচ্ছে। তবে এসব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কার্যকারিতা ও মান নিয়ে রয়েছে বিস্তর প্রশ্ন। অনেক প্রতিষ্ঠান ভুগছে দক্ষ প্রশিক্ষকের ঘাটতিতে। আবার বিচ্ছিন্নভাবে কিছু প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের নিজস্ব ম্যানুয়াল আছে বটে, কিন্তু সেগুলো যুগের চাহিদা মেটাতে পারছে না। নেই প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও অন্য সুবিধাও। এরই মধ্যে যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তিতে বিশ্ব অনেক এগিয়ে গিয়েছে। অথচ প্রতিষ্ঠানগুলো এখনো প্রশিক্ষণ দিচ্ছে সনাতনী সরঞ্জামের মাধ্যমে। ফলে প্রশিক্ষণ ও বাস্তব কর্মজগতের মধ্যে দক্ষতার বিপুল ঘাটতি রয়ে যাচ্ছে। তদুপরি প্রশিক্ষণ খাতে অনিয়মও কম নয়। কিছু প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রশিক্ষণ না দিয়েই অর্থের বিনিময়ে সনদ বাণিজ্যের অভিযোগ আছে। এমনকি কিছু প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সরকারি নিবন্ধনও নেই বলে খবর মিলছে। এতে ভুয়া প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোয় মানুষের প্রতারণার সুযোগও থেকে যাচ্ছে। সব মিলিয়ে বিদ্যমান প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা দক্ষতা উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। এর পরিবর্তন হওয়া প্রয়োজন।
ইউকে কমিশন ফর এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড স্কিলস (ইউকেসিইএস-২০১০) বিষয়ক গবেষণায় সুনির্দিষ্টভাবে বলা হয়েছে, উচ্চদক্ষতা উৎপাদনশীলতার ওপর ধনাত্মক প্রভাব ফেলে। অন্যদিকে নিম্ন দক্ষতার প্রভাব ঋণাত্মক হয়। এজন্য দক্ষতা অর্জনে গুরুত্বারোপ করে প্রশিক্ষণের ওপর সর্বোচ্চ জোর দিতে বলা হয়েছে। উল্লেখ করা হয়েছে, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতাপূর্ণ শ্রমশক্তির অংশগ্রহণ ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেলে উৎপাদনশীলতা বাড়ে ৪ শতাংশ পর্যন্ত। এর প্রত্যক্ষ প্রভাবে মজুরিও ১ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ে। কারণ উৎপাদন বাড়লে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের নিট মুনাফা বেড়ে যায়। শুধু তাই নয়, প্রশিক্ষণের পর উৎপাদনশীলতার ১৬ শতাংশ বৃদ্ধি ঘটে বলেও গবেষণায় উঠে এসেছে। যেখানে মজুরি বৃদ্ধি পায় ৩ দশমিক ৩ শতাংশ। আর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শ্রমিকের সঙ্গে অদক্ষ শ্রমিকের উৎপাদনশীলতার পার্থক্য ৮ শতাংশ পর্যন্ত ঘটে। কিন্তু বাংলাদেশে প্রশিক্ষণই সবচেয়ে বেশি অবহেলিত। দেশে সনদপ্রাপ্ত শিক্ষিত মানুষের অভাব নেই। কিন্তু পেশাগত জ্ঞানের অভাবে তাদের বেকারত্ব বরণ করতে হচ্ছে। বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের পোশাক খাতের সুনাম আছে। রফতানিতে আমরা প্রায় প্রথম সারিতে রয়েছি। কিন্তু পেশাগত দক্ষতার অভাবে চাকরিতে উন্নতি নেই। দেশের মানুষের কারিগরি দক্ষতা বা উৎপাদনক্ষমতা না বাড়লে উন্নত দেশে পরিণত হওয়া সম্ভব নয়। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ প্রায় ৪০ বছর ধরে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে রয়েছে। কারণ তাদের জনগণ পরবর্তী পর্যায়ে যাওয়ার মতো দক্ষতা অর্জন করতে পারেনি। কাজের প্রাথমিক পর্যায়ে শ্রমিকের অভাব হয় না। কিন্তু মধ্যম পর্যায়ে শ্রমিকের ঘাটতি রয়েছে। এজন্য অনেককে চাকরি হারাতে হয়েছে। পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের বিষয়টি দেশের ২২টি মন্ত্রণালয় দেখাশোনা করছে। কিন্তু কাজের সমন্বয় নেই। এ ব্যবস্থারও পরিবর্তন জরুরি।
সরকারের একার পক্ষে প্রতিটি পেশার দক্ষতা উন্নয়ন সম্ভব নয়। এখানে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণও জরুরি। বাংলাদেশের আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য বেসরকারি খাতের সম্পদ, অভিজ্ঞতা ও মতামতকে প্রাধান্য দেয়া দরকার। অন্যথায় যেকোনো উদ্যোগ সফলতা থেকে বঞ্চিত হতে পারে। শ্রমিক ও বিনিয়োগকারীদের সুবিধা-অসুবিধাগুলোকে প্রাধান্য দিতে হবে। সাময়িক প্রশিক্ষণের কথা চিন্তা না করে বেসরকারি খাতে প্রয়োজনীয় জনশক্তি সৃষ্টি বা তাদের সঙ্গে সংযোগ সৃষ্টি করতে হবে। জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই। প্রয়োজন সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বিনিয়োগ। বিনিয়োগ ছাড়া কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে এসডিজির নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জন অসম্ভব। শ্রমের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ শ্রমিক গড়ে তুলতে হবে। এজন্য সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা দরকার। বাংলাদেশসহ বিশ্বের অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশে কারিগরি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ অন্যতম চালিকাশক্তি। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গড়ে উঠছে বিভিন্ন ধরনের শিল্প-কারখানা। কিন্তু কারখানার সঙ্গে প্রয়োজনীয় বা সংগতিপূর্ণ শ্রমিক গড়ে উঠছে না। আবার দেশের প্রচলিত কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রশিক্ষণ প্রদান করা হলেও অত্যাধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন কারখানায় কাজ করতে পারছে না। বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হতে যাচ্ছে। গোটা বিশ্বে চলছে নবশিল্প বিপ্লবের উৎসব। দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে না পারলে অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে হবে যেন বেশি উৎপাদনের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা যায়। এজন্য সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। নতুন করে সাজাতে হবে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম।










