মো. আশরাফুল ইসলাম ডিটেইল্ড এরিয়া প্ল্যানের (ড্যাপ) প্রকল্প পরিচালক ও রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নগর পরিকল্পনাবিদ। ড্যাপ ও নগর উন্নয়নে বিভিন্ন বিষয়ে সদ্য প্রয়াত স্থপতি মোবাশ্বের হোসেনের অবদান নিয়ে বণিক বার্তার সঙ্গে কথা বলেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আল ফাতাহ মামুন
নগর
উন্নয়ন ও
পরিকল্পনায় স্থপতি মোবাশ্বের হোসেনের ভূমিকা কেমন
ছিল?
স্থপতি
মোবাশ্বের
হোসেন
একজন
বীর
মুক্তিযোদ্ধা
ও
স্বনামধন্য
স্থপতি
ছিলেন।
তার
সঙ্গে
আমার
দীর্ঘদিনের
কাজের
অভিজ্ঞতা
ছিল।
আমাদের
নগর
উন্নয়ন
কমিটি
ছিল।
কমিটির
সভায়
উনি
নগর
নিয়ে
বিভিন্ন
ভাবনা-চিন্তা
বিনিময়
করেছেন।
একজন
অভিভাবকের
মতো
বিভিন্ন
সময়
তিনি
আমাদের
সৎ
পরামর্শ
দিয়েছেন।
ডিটেইল্ড
এরিয়া
প্ল্যান
(ড্যাপ) প্রণয়নের
ক্ষেত্রে
আমি
সবচেয়ে
বেশি
তার
সঙ্গে
ওতপ্রোতভাবে
জড়িত
ছিলাম।
বাংলাদেশ
স্থপতি
ইনস্টিটিউটের
সভাপতি
হিসেবে
তিনি
ড্যাপের
স্টেকহোল্ডার
পার্টিসিপেশনে
অনেকবার
অংশগ্রহণ
করেন।
তার
নেতৃত্বে
স্থপতি
ইনস্টিটিউট
থেকে
একাধিকবার
বিভিন্ন
সভায়
তাদের
দেয়া
মতামত
আমরা
গ্রহণ
করেছি।
এছাড়াও
ন্যাশনাল
সেমিনারসহ
বিভিন্ন
জায়গায়
তার
অবদান
ছিল।
দেশ
ও
জাতির
ক্রান্তিলগ্নে
তার
ভূমিকা
ছিল
অনন্য।
ঢাকার
বাসযোগ্যতা নিয়ে
তিনি সবসময়
সরব ছিলেন। এ প্রসঙ্গে কিছু বলুন।
ঢাকার
যানজট,
জলজটসহ
পরিবেশগত
বিভিন্ন
ইস্যু
বিশেষ
করে
খেলার
মাঠ
রক্ষায়
তিনি
অগ্রগণ্য
ভূমিকা
রেখেছেন।
তরুণ
প্রজন্মের
কাছে
তিনি
একজন
আদর্শ
মানুষ
হয়ে
বেঁচে
থাকবেন।
যেকোনো
সংকটে
তিনি
সাধারণ
মানুষের
পাশে
ছিলেন।
সম্প্রতি
তেঁতুলতলা
খেলার
মাঠ,
প্যারিস
রোডের
মাঠ
রক্ষার
আন্দোলনেও
আমরা
তার
সক্রিয়
সম্পৃক্ততা
দেখেছি।
ড্যাপের বৈষম্য নিয়েও
তিনি অনেক
কথা বলেছিলেন।
বিশেষ
করে,
আমরা
যে
ড্যাপটি
প্রণয়ন
করেছি,
এখানে
আমরা
এলাকাভিত্তিক
ফ্লোর
এরিয়া
রেশিও
নির্ধারণ
করেছি,
ডেনসিটি
জোনিং
করেছি,
সেখানে
উনি
আমাদের
উৎসাহ
দিয়েছেন।
কোনো
জায়গায়
উনি
আমাদের
পরামর্শ
দিয়েছেন
যে,
ডেনসিটি
জোনিং
যে
আমরা
ড্যাপে
তৈরি
করেছি,
সেটা
কোনো
কোনো
এলাকায়
যেন
সাধারণ
মানুষের
সঙ্গে
বৈষম্য
না
হয়,
সে
বৈষম্যের
বিষয়টি
তিনি
আমাদের
মাঝে
তুলে
ধরার
চেষ্টা
করেছেন।
বরাবরই
ড্যাপের
বৈষম্য
নিয়ে
কথা
বলতেন
স্থপতি
মোবাশ্বের
ভাই।
পাশাপাশি
ড্যাপের
কিছু
কিছু
অংশের
রিভাইজ
করার
জন্য
তিনি
সুপারিশ
করেছেন।
কিছুদিন
আগে
তার
নেতৃত্বে
কয়েকজন
স্থপতি
স্থানীয়
সরকার
মন্ত্রণালয়ে
মন্ত্রীর
সঙ্গে
দেখা
করে
একটি
আবেদন
পেশ
করেছেন।
দুঃখজনক
হলেও
সত্য,
তিনি
আজ
আমাদের
মাঝে
নেই।
ওনার
সঙ্গে
ড্যাপের
পরবর্তী
কাজগুলো
যদি
করতে
পারতাম
তাহলে
আমরা
ওনার
সৎ
পরামর্শ
পেতাম।
ওনার
অভিজ্ঞতা
ড্যাপকে
আরো
সমৃদ্ধ
করত,
কোনো
সন্দেহ
নেই।
ড্যাপ
প্রণয়নে স্থপতি মোবাশ্বের হোসেনের সম্পৃক্ততা বলুন...
ড্যাপের
কয়েকটি
বিষয়ে
ওনার
কাছে
আমরা
মৌলিক
ধারণা
নিয়েছি।
কতগুলো
কাজে
উনি
আমাকে
উৎসাহ
দিয়েছিলেন।
যেমন
ব্লকভিত্তিক
উন্নয়নে
সবসময়
তিনি
উৎসাহ
দিয়েছেন।
সবসময়
তিনি
সোচ্চার
ছিলেন
যেন
রাজউক
বা
জাতীয়
গৃহায়ন
কর্তৃপক্ষ
কর্তৃক
যে
ছোট
ছোট
আকৃতির
প্লট
বরাদ্দ
দেয়া
হয়,
এ
ধরনের
প্লটের
পরিবর্তে
যেন
ব্লক
বা
ক্লাস্টার
বেইজড
ডেভেলপমেন্ট
করা
হয়।
ওনার
এ
ধারণাপত্রকে
লালন
করেই
কিন্তু
আমরা
এবার
রিভাইজড
ডিটেইল্ড
এরিয়া
প্ল্যানে
ব্লকভিত্তিক
উন্নয়নকে
উৎসাহিত
করতে
চেষ্টা
করেছি
এবং
এ
ধরনের
কাজে
সরকারি-বেসরকারিভাবে
যেন
উদ্যোগ
গ্রহণ
করা
হয়—প্লটভিত্তিক
উন্নয়নের
পরিবর্তে
ফ্ল্যাটভিত্তিক
উন্নয়নের
দিকে
অগ্রসর
হয়
সে
বিষয়ে
তিনি
সোচ্চার
ছিলেন।
এ
বিষয়টিও
বর্তমান
সরকার
নজর
দিয়েছে।
বিশেষ
করে
সরকারি
প্রতিষ্ঠানের
ক্ষেত্রে।
ভবিষ্যতে
ঢাকায়
রাজউক
কোনো
আবাসন
প্রকল্প
গ্রহণ
করলে
ক্ষুদ্র
আকারের
প্লটের
পরিবর্তে
বড়
আকৃতির
প্লট
বা
ব্লকভিত্তিক
ডেভেলপমেন্টের
দিকে
আমরা
নজর
দেব।
এরই
মধ্যে
রাজউক
দুটি
প্রকল্প
গ্রহণের
পরিকল্পনা
করছে—কেরানীগঞ্জ
স্মার্ট
সিটি
এবং
তুরাগ
কম্প্যাক্ট
টাউনশিপ
প্রকল্প।
এ
দুটি
প্রকল্পেই
ব্লকভিত্তিক
উন্নয়নের
ধারণা
সামনে
নিয়েই
পরিকল্পনা
প্রস্তুত
করা
হচ্ছে।
এ
পরিকল্পনার
মাধ্যমে
আমরা
সংশ্লিষ্ট
এলাকার
ডেনসিটি
ও
জোনিং
কন্ট্রোল
করার
উদ্যোগ
নিয়েছি।
এছাড়াও
বিশেষ
করে
ঢাকার
জলাবদ্ধতা
নিরসন
ও
জলাভূমি
রক্ষা
করার
জন্য
বিভিন্ন
সময়
আমাদের
ওপর
চাপ
এসেছিল,
ওনাকে
আমাদের
পাশে
পেয়েছি,
আমাদের
সাহস
দিয়েছেন
এবং
যেকোনো
কাজে
তিনি
আমাদের
সঙ্গে
আছেন
বলে
আশ্বাস
দিতেন।
পুরান
ঢাকার ঐতিহ্য ও বাসযোগ্যতা পুনরুদ্ধারের ব্যাপারে তিনি কী
বলতেন?
পুরান
ঢাকা
রি-জেনারেশনের
(ঢেলে সাজানো/সংস্কার)
উদ্যোগ
রাজউক
নিয়েছে,
প্রথম
দিকে
কিছু
স্টেকহোল্ডারের
কাছে
আমরা
মতামত
নিই,
তখন
তিনি
স্থপতি
ইনস্টিটিউটের
সভাপতি
ছিলেন
না,
সাবেক
সভাপতি
ছিলেন।
তখনো
ওনাকে
আমরা
বিশেষজ্ঞ
হিসেবে
রাজউকের
একটি
সভায়
আমন্ত্রণ
জানিয়েছিলাম।
ওই
সভায়
উনি
বিশেষ
করে
পুরান
ঢাকার
রিজেনারেশনের
বিষয়ে
রাজউকের
উদ্যোগকে
স্বাগত
জানিয়েছেন।
প্রশংসা
করে
তিনি
বলেছেন,
এ
ধরনের
উদ্যোগে
তিনি
রাজউকের
পাশে
থাকবেন
এবং
পরামর্শসহ
সব
ধরনের
সহযোগিতা
করবেন।
তিনি
বলেছেন,
এ
রি-জেনারেশন
প্রকল্পে
পুরান
ঢাকায়
বিশেষ
করে
হাজারীবাগ
এলাকায়
বিচ্ছিন্নভাবে
যেন
কোনো
ডেভেলপমেন্ট
না
হয়,
যেন
ব্লকভিত্তিক
ও
ক্লাস্টারভিত্তিক
ডেভেলপমেন্ট
হয়।
সেখানে
যেন
স্কুল-কলেজ-হাসপাতালসহ
অন্যান্য
নাগরিক
সুবিধার
সংস্থান
করা
হয়
এবং
এর
দেখাদেখি
পুরান
ঢাকার
অন্যান্য
ছোট
ছোট
ক্লাস্টার
বেইজড
ডেভেলপমেন্ট
এবং
সাধারণ
মানুষের
অংশগ্রহণের
বিষয়টি
নিশ্চত
করার
জন্য
আমাদের
উৎসাহ
দিয়েছেন।
আমি
শুধু
একটি
কথা
বলতে
চাই,
জাতির
এ
সময়ে
ওনার
মতো
একজন
অভিজ্ঞ
স্থপতি
আমাদের
অনেক
কিছু
পরামর্শ
দেয়ার
সুযোগ
ছিল।
ওনার
থেকে
পরামর্শ
নিয়ে
এ
ঢাকা
শহরে
বা
পুরো
দেশে
নগর
পরিকল্পনা
ও
স্থাপত্য
পেশায়
আরো
অগ্রসর
হওয়ার
একটি
সুযোগ
ছিল।
কিন্তু
আজ
আমরা
তাকে
হারালাম।
তার
মৃত্যুতে
যে
অপূরণীয়
ক্ষতি
হয়েছে,
সে
শোককে
যেন
আমরা
শক্তিতে
রূপান্তরিত
করতে
পারি।
একটি
বিষয়ে
আমরা
প্রতিশ্রুতিবদ্ধ
হতে
চাই,
তিনি
যেসব
সুপরামর্শ
আমাদের
দিয়েছেন,
এগুলো
যেন
আমরা
তরুণ
প্রজন্ম
মেনে
চলি
এবং
বাসযোগ্য
ঢাকা
গড়ে
তুলতে
তার
আদর্শ
সামনে
নিয়ে
কাজ
করি।
স্থপতি মোবাশ্বেরের সঙ্গে
ব্যক্তিগত কোনো
স্মৃতিকথা বলবেন?
ব্যক্তিগতভাবে
যখনই
আমি
ওনাকে
ফোন
করতাম,
স্যার
কেমন
আছেন?
উনি
বলতেন,
হ্যাঁ
আশরাফ
কেমন
আছো?
আমার
বিশেষ
কিছু
কাজ
যেমন
ওল্ড
ঢাকা
রিজেনারেশন,
ব্লকভিত্তিক
উন্নয়ন—এগুলোয়
প্রায়
সময়ই
তিনি
আমাকে
উৎসাহ
দিতেন।
বলতেন—গুড।
তুমি
রাজউকে
নতুন
আঙ্গিকে
নতুন
ধরনের
কাজ
করে
যাচ্ছো।
আমি
বলতাম,
স্যার!
এ
ধরনের
কাজে
তো
অনেক
লোক
লাগে,
কিন্তু
রাজউকে
জনবল
সংকট
আছে।
তিনি
সবসময়
একটা
আশ্বাস
দিতেন,
আমরা
আছি।
তুমি
প্রয়োজন
হলে
বিভিন্ন
কাজের
জন্য
আমাদের
স্থপতি
ইনস্টিটিউটকে
বা
আমাদেরকে
সংযুক্ত
করো।
আমরা
স্বেচ্ছায়
তোমাকে
সহযোগিতা
করব।
উনি
হাসপাতালে
ভর্তির
দু-একদিন
আগেও
আমার
সঙ্গে
রাতে
কথা
হয়েছিল।
আমি
যখন
ফোন
করি
তিনি
শুয়ে
পড়েছিলেন।
আমার
ফোন
দেখে
তিনি
সঙ্গে
সঙ্গে
ব্যাক
করে
বললেন,
আশরাফ,
আমি
শুয়ে
পড়েছিলাম,
তারপর
দেখলাম
তোমার
ফোন
এসেছে।
আমি
বললাম,
তাহলে
আপনি
রেস্ট
নিন।
পরে
কথা
বলব।
রিভাইজড
ড্যাপ
এবং
ইমারত
নির্মাণ
বিধিমালা
নিয়ে
ওনার
সঙ্গে
আরো
বিস্তারিত
আলোচনা
করার
কথা
ছিল।
২০৪১
সালের
উন্নত
বাংলাদেশের
উন্নত
রাজধানী
হবে
ঢাকা,
সে
ঢাকাকে
কীভাবে
ঢেলে
সাজানো
যায়,
তার
আলোকে
একটি
আধুনিক
এবং
সময়োপযোগী
ইমারত
নির্মাণ
বিধিমালা
প্রণয়নের
কাজটিতে
তাকে
খুব
মিস
করব।
ড্যাপের ফ্লোর
এরিয়া রেশিও
(এফএআর) প্রসঙ্গে তিনি অনেক
বক্তৃতা-বিবৃতি দিয়েছেন। এ
প্রসঙ্গে কী
বলবেন?
আসলে
ওনাদের
যে
আপত্তি
ছিল
বিশেষ
করে
ফ্লোর
এরিয়া
রেশিও
(এফএআর) নিয়ে।
উনি
ড্যাপের
অনেক
আইডিয়াকে
খুব
চমৎকার
বলে
প্রশংসা
করেছেন।
বিশেষ
করে
বাংলা
ভাষায়
ড্যাপ
প্রণয়নে
উনি
আমাদের
সাধুবাদ
জানিয়েছেন।
এফএআর
নিয়ে
ওনার
যে
আপত্তি
ছিল,
উনিও
চেয়েছিলেন
যে
এলাকাভিত্তিক
এফএআর
হোক,
এটা
হওয়া
দরকার।
ওনাদের
একটা
দাবি
ছিল
যৌক্তিক।
দাবিটা
হলো,
সাধারণ
মানুষ
যেন
ক্ষতিগ্রস্ত
না
হয়
সে
বিষয়টি
বিবেচনায়
নিয়ে
এলাকাভিত্তিক
ফ্লোর
এরিয়া
রেশিওর
মান
রিভাইজড
করার
জন্য।
আমাদের
মধ্যে
বিভিন্ন
প্রফেশনাল
ডিবেট
হয়েছে,
যুক্তিতর্ক
হয়েছে,
আবার
একসঙ্গে
বসে
আমরা
চা
খেয়েছি,
একসঙ্গে
বসে
দুপুরে
খেয়েছি,
গল্প
করেছি,
হাসাহাসি
করেছি,
তর্ক
করেছি।
তিনি
আমাকে
সবসময়
স্নেহ
করেছেন,
ভালো
ভালো
পরামর্শ
দিয়েছেন।
জনভারে নুয়ে
পড়া ঢাকার
চাপ কমানোর যে স্বপ্ন তিনি দেখতেন তা কীভাবে বাস্তবায়ন হতে
পারে?
উনি বলতেন, শুধু ঢাকা নিয়ে আমাদের পরিকল্পনা করলে হবে না। একটি কথা তিনি প্রায়ই বলতেন, তখন তিনি জুনিয়র স্থপতি ছিলেন। দেশের স্থপতি সমাজের পুরোধা স্থপতি মাজহারুল ইসলামের সঙ্গে উনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পেয়েছিলেন। তখন জাতির পিতা বলেছিলেন, বাবারা! তোমরা শুধু ঢাকা নিয়ে পরিকল্পনা করলে হবে না। তোমরা সমগ্র বাংলাদেশ নিয়ে পরিকল্পনা করো। আমাদের দেশ ছোট, জনসংখ্যা অনেক। এমন দেশের প্রতিটি ইঞ্চি জমির পরিকল্পনা দরকার। জাতির পিতা দেশ স্বাধীন করার পরপরই এ বিষয়টি উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত আমরা সমগ্র বাংলাদেশের জন্য একটি ফিজিক্যাল প্ল্যান বা মহাপরিকল্পনা করতে পারিনি। আমরা বিভিন্ন ডিভিশনাল টাউন, জেলা, উপজেলা বা পৌরসভা লেভেলে পরিকল্পনা করছি, কিন্তু প্রতিটি গ্রাম থেকে গ্রামান্তরের প্রতি ইঞ্চি ভূমি ব্যবহারের সমন্বিত পরিকল্পনা করতে পারিনি। এ কথাটি তিনি সবসময় বলতেন। পরিকল্পনা নিয়ে কথা উঠলে তিনি এ কথাটি বলতেন। তিনি আরো বলতেন, ঢাকাকে বাঁচাতে হলে সমগ্র বাংলাদেশকে নিয়েই পরিকল্পনা করতে হবে।










