বাসযোগ্যতার মানদণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা ক্রমাগতভাবে বিশ্বের সবচেয়ে বসবাস অযোগ্য শহরগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হওয়ার মর্যাদা অর্জন করে চলেছে ধারাবাহিকভাবে। এমন হতাশাজনক শঙ্কা জাগানিয়া অবস্থা সত্ত্বেও আমরা নির্বিকারভাবে অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে সর্বত্র বিপজ্জনক অপরিকল্পিত নগরায়ণ চালিয়েই যাচ্ছি।

অবিলম্বে যুদ্ধের গতিতে আমাদের উচিত একটি পরিকল্পনা নিরীক্ষা বা প্ল্যানিং অডিট সম্পাদন করে পরিকল্পনাগুলোর ক্রমাগত ব্যর্থতা এবং অপরিকল্পিত নগরায়ণে দায়ী ব্যক্তি, মহল, গোষ্ঠী এবং কর্তৃপক্ষগুলোর দায় নিরূপণ করে উপযুক্ত শাস্তির বিধান এবং শ্বেতপত্র প্রকাশ করা।      

আমরা কিছু স্বল্পসংখ্যক আপসকৃত আর দুর্বল পরিকল্পনাকৌশল তৈরি করি এবং তারপর সেগুলোকে ক্ষুদ্র স্বার্থের সংঘাতের মুখে পরিহার করি এবং ভুলে যাই। তারপর আবার পরিকল্পনা প্রণয়নের ডামাডোলে মেতে উঠি। এ ডামাডোলে সবচেয়ে বেশি উচ্চকিত থাকেন ব্যবসায়ীদের বাণিজ্যিক স্বার্থের ধ্বজাধারী গোষ্ঠী। সরকারি দপ্তর এবং কর্তৃপক্ষের এযাবৎ এ দুষ্টচক্রে আটকা পড়ে ঘুরপাক খাচ্ছে বিগত প্রায় দুই দশক যাবৎ। তবে বাংলাদেশের জনগণের সমষ্টিগত স্বার্থে পরিকল্পনা প্রণয়ন ও প্রয়োগ এবং পরিকল্পিত টেকসই উন্নয়নের বিষয়টির কী হবে? এ ধারার সূচনা কবে হবে? বাংলাদেশের সংবিধান, অষ্টম পঞ্চম-বার্ষিকী পরিকল্পনা, প্রেক্ষিত পরিকল্পনা, আন্তর্জাতিক টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা এবং নিউ আর্বান এজেন্ডা সর্বত্রই বলা হয়েছে পরিকল্পনার ভিত্তিতে সুষম, সমতাভিত্তিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত এবং অর্জন করতে হবে।

এ বছরের ২৩ আগস্ট ঢাকার ডিটেইলড এরিয়া প্ল্যানের (ড্যাপ-২০২২-২০৩৫) আনুষ্ঠানিক প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে আবার সেই একই কোলাহল পুনরুত্থিত হতে সময় লাগেনি, যা প্রথম ড্যাপের (ড্যাপ-২০১০-২০১৫) পরে ঢাকার পরিকল্পনার ইতিহাসে দ্বিতীয় উদ্যোগ। প্রথম ড্যাপটিও এ রকম উন্মত্ত বিরোধিতা, উদাসীনতা, অস্বীকৃতি এবং ব্যাপক আকারে আপসের মুখে এক ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যর্থ পরিণতির মুখোমুখি হয়েছিল।

এখন পর্যন্ত যত নগর পরিকল্পনা তৈরি হয়েছে বা বলতে গেলে পরিকল্পিত উন্নয়নের যত উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, সেগুলো মেনে চলতে আমরা সম্মিলিতভাবে, ধারাবাহিকভাবে এবং অনেকটা নির্মমভাবে এক ধরনের উদাসীনতা দেখিয়ে এসেছি। এটি যেন এখন আমাদের একটি ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে। অদ্ভুতভাবে আমরা পরিকল্পিত উন্নয়নের ধারণাটির প্রতি যেন দায়িত্বজ্ঞানহীন, অসংবেদনশীল এবং উদাসীন।

স্বাধীনতার আগে ঢাকার ধানমন্ডি-গুলশান-বনানী-বারিধারা-মোহাম্মদপুর-মিরপুরে এবং সাম্প্রতিক বছরে উত্তরা আদর্শ শহরে বিচ্ছিন্ন এবং বিক্ষিপ্তভাবে নগর পরিকল্পনার যতটুকু চর্চা এবং প্রয়োগ দেখতে পাই সেটুকুও তো আমরা স্বাধীনতা-উত্তরকালে পরিকল্পনাহীনতার জঞ্জালে এবং বেআইনি আপসকামিতায় অবরুদ্ধ করে আজ ব্যর্থ করে দিয়েছি।  

আমাদের গোষ্ঠীবদ্ধ ব্যবসায়িক মহলগুলো এখন পর্যন্ত সফলভাবে আমাদের রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষকে প্রতিবারই কোনো না কোনো অজুহাতে বিভ্রান্ত এবং বাধাগ্রস্ত করে পরিকল্পনার নীতিগুলোকে অদূরদর্শী ব্যবসায়িক স্বার্থে ধামাচাপা দিয়েছে। কখনো কখনো হয় আমরা সরকারি কর্তৃপক্ষের মনোবলকে নস্যাৎ করে দিয়েছি কিংবা কর্তৃপক্ষগুলো নিজেরাই একটি পরিকল্পনা দলিলের অত্যাবশ্যক নীতিগুলো প্রয়োগের বিষয়ে আপসমূলক অবস্থান নিয়েছে। ফলে আমাদের জনগণকে এখানে অদূরদর্শী উন্নয়নের ফাঁদে স্বেচ্ছাচারিতার বিশৃঙ্খলায় বন্দি হয়ে কাতরাতে হচ্ছে।

অভ্যাসগতভাবে পরিকল্পনাকে ব্যর্থ করে যে উন্নয়ন তা অন্তর্গতভাবে টেকসই, কুিসত, অর্থহীন এবং প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী এবং সর্বোপরি, বলাবাহুল্য সবকিছুর ওপর উৎপাদনশীলতাবিরোধী। পরিকল্পিত নগরায়ণের ক্ষেত্রে আমরা নানা ভীতিকর উদাহরণ সৃষ্টি করেছি। কয়েক দশক ধরে ঢাকার অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফল আজকের তীব্র অকার্যকারিতা এবং বাসযোগ্যহীনতা, যা এখন আমাদের নাগরিক জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ভয়ংকর কুিসত রূপে উদ্ভাসিত।

আমাদের এ সত্যটি উপলব্ধি করতে হবে বাসযোগ্যতা, টেকসই উন্নয়ন এবং ন্যায্যতার বিবেচনায় প্রত্যেক ব্যক্তি-গোষ্ঠীর বিচ্ছিন্ন স্বেচ্ছাচারী প্রবৃদ্ধি কোনোভাবেই সমষ্টির কল্যাণে উন্নয়ন নয়।

আমাদের বর্তমান উন্নয়নের ধারায় বাসযোগ্যতা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জলবায়ু সংবেদনশীলতা ইত্যাদি ধারণাগুল শুধু কাগজপত্র আর বক্তৃতা-বিবৃতিতে সীমাবদ্ধ। আমাদের সর্বাগ্রে যে প্রশ্নটি চিন্তা করতে হবে তা হলো এলোমেলো ভৌত উন্নয়নের মূল্য কী? আমাদের সম্মিলিত অসংবেদনশীলতা এবং অন্যায় ছাড় দেয়ার যে সংস্কৃতি তাতে কিছু অপরিবর্তনীয় অসংশোধনযোগ্য বিপর্যয় এরই মধ্যে দৃশ্যমান।  সময় এসেছে কিছু অত্যাবশ্যক প্রশ্নের উত্তর খোঁজার জন্য আমাদের মনস্থির করার—আমরা সত্যিই একটি উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ পরিকল্পনা চাই কিনা, এটিকে যথাযথ সম্মান করতে চাই কিনা এবং এর বাস্তব প্রয়োগ ও এটিকে কার্যকর করতে চাই কিনা, শুধু রাজধানী ঢাকা নয় বরং সারা দেশে। আমাদের গভীরভাবে খতিয়ে দেখার সময় এসেছে কেন আমরা এখনো দেশের জন্য অত্যাবশ্যকীয় জাতীয় ভৌত ও ভূমি ব্যবহার পরিকল্পনা এবং নগরায়ণ নিয়ে একটি সুনির্দিষ্ট আইন প্রণয়ন করতে পারিনি। আমরা দেশব্যাপী ধীরে ধীরে কিন্তু নিশ্চিতভাবে আমাদের অমূল্য ফসলি জমি হারাচ্ছি উচ্ছৃঙ্খল আবাসন ব্যবসায়, ইটের ভাটা এবং সারা দেশে এলোমেলো যত্রতত্র শিল্পায়নের ফলে।

সর্বশেষ ড্যাপ নিয়ে হইচই

আমরা বুঝতে পারছি যে রিয়েল এস্টেট ডেভেলপারদের একটি অংশ এবং ভবন নির্মাণে স্বার্থসংশ্লিষ্ট পেশাদারদের একটি অংশ অতীতের মতো এবারো প্রস্তাবিত এলাকাভিত্তিক ফ্লোর এরিয়া অনুপাতের (এফএআর) তথা অনুমোদিত নির্মাণযোগ্য মেঝের এলাকা নিয়ে বিরুদ্ধ অবস্থান নিয়েছে। এফএআর-এর মান সর্বশেষ ড্যাপে প্রস্তাবিত আছে ১ দশমিক ২ থেকে ৬ পর্যন্ত। তবে সঙ্গে এটাও বলা হয়েছে একটি নির্দিষ্ট এলাকায় এলাকাভিত্তিক এফএআর-এর মান ১ দশমিক ৫-এর কম হলে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ১ দশমিক ৫ বিবেচিত হবে এবং রাস্তার প্রস্থ ১৬ ফুট হলে তা ২ হবে।

সংরক্ষিত জলাভূমি, প্লাবনভূমি এবং কৃষিজমি সংরক্ষণের বিষয়গুলো গৌণ রেখে নতুন ড্যাপ অনুমোদন হওয়ার পর থেকে শুধু এর এফএআর হিসাবের বিষয়টি সম্পূর্ণরূপে আমাদের জনসাধারণের সমষ্টিগত মনোযোগ দখল করেছে বলে মনে হচ্ছে। এলাকাভিত্তিক এফএআর মান একটি এলাকার নাগরিক সুবিধা তথা বাসযোগ্যতা এবং পরিকল্পনার মৌলিক মানদণ্ডের ওপর নির্ভর করেই নির্ণীত ও নির্ধারিত হবে। কাঙ্ক্ষিত নাগরিক সুযোগ-সুবিধাগুলোর বিকাশ সাপেক্ষে প্রতি তিন বছর অন্তর এ মান সংশোধন করার সুযোগ আছে।

তবে আমরা যে বাস্তবতায় বাস করি এবং কয়েক দশক ধরে বৃহত্তর ঢাকা মহানগর অঞ্চলজুড়ে আমরা যেভাবে আমাদের সংরক্ষণযোগ্য জলাভূমি হারিয়েছি তা বিবেচনা করে নতুন ড্যাপে প্রস্তাবিত জলাভূমি এবং কৃষিজমিতে শর্তসাপেক্ষ উন্নয়নের প্রস্তাবটি বরং আরো সতর্কতার সঙ্গে পর্যালোচনা করা যেতে পারে আরো কার্যকর সংরক্ষণের লক্ষ্যে।

সরকারি কর্তৃপক্ষকে আবার বিভ্রান্ত না করি

কার্যত ঢাকার প্রথম ড্যাপ প্রভাবশালী ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর নগ্ন বিরোধিতার মুখে এবং রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার দ্বারা আমাদের রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষের বিভ্রান্তির মুখে বেশির ভাগই ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছিল এবং আইনপ্রণেতারা রিয়েল এস্টেট ডেভেলপারদের পৃষ্ঠপোষক হয়েছিলেন। জলাভূমি, খাল এবং নদী এবং বন্যাপ্রবাহ অঞ্চলে স্থাপিত প্রায় সব রিয়েল এস্টেট হাউজিং স্কিম, যেগুলোকে আগে অবৈধ হিসেবে দেখানো হয়েছিল কয়েক বছর ধরে দলবদ্ধ পৃষ্ঠপোষকতা এবং সরকারি কর্তৃপক্ষের বিতর্কিত নমনীয়তার কারণে সেগুলো বৈধ করা হয়েছে। এতক্ষণে আমরা সবাই জানি জলাভূমি, খাল, নদী এবং বন্যাপ্রবাহ অঞ্চল সংরক্ষণ, বাস্তুসংস্থান, বাসযোগ্যতা এবং টেকসই উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। নিঃসন্দেহে সময় এসেছে সরকারি কর্তৃপক্ষের এবং বিশেষ করে ড্যাপের অভিভাবকদের জেগে ওঠার এবং অদূর অতীতে রাজধানী শহরে পরিকল্পনা কার্যকর করার ক্ষেত্রে তাদের লজ্জাজনক, নিদারুণ আপস এবং ব্যর্থতার দিকে ফিরে তাকানোর।

১ হাজার ৫২৮ বর্গকিলোমিটার মাস্টারপ্ল্যান এলাকার মধ্যে প্রথম ড্যাপে সংরক্ষণযোগ্য বন্যা প্রবাহ অঞ্চল, জল ধারণ এলাকা এবং জলাশয় (খাল, হ্রদ, নদী) হিসেবে ৪০৫ বর্গকিলোমিটার এবং কৃষিজমি ছিল ৩৩০ বর্গকিলোমিটারজুড়ে। কিন্তু পেশাদারদের হিসাব অনুযায়ী, ২০১৫ সাল নাগাদ এর বিশাল অংশ ধ্বংস হয়ে গিয়েছে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবসায়ী এবং অন্য ক্ষমতাশালীদের প্রভাবে।

এফএআর-এর মান নিয়ে হইচই

শহরজুড়ে উচ্চ এফএআর মানের পরিবর্তে নতুন ড্যাপে নাগরিক সুবিধা অনুযায়ী এলাকাভিত্তিক এফএআর প্রস্তাব করেছে যার অর্থ সীমাবদ্ধ এলাকা। যেখানে রাস্তাঘাট এবং নাগরিক সুবিধাদির প্রাপ্যতা বিবেচনায় জনসংখ্যা এবং ভবনের ঘনত্ব পরিকল্পনার যেকোনো মানকে ছাড়িয়ে গিয়েছে, সেসব এলাকায় স্বভাবতই কম এফএআর নির্ধারিত হয়েছে। এসব এলাকায় সাধারণত জনসংখ্যা এবং ভবনের ঘনত্ব অপ্রতিরোধ্য, অনিয়ন্ত্রিত এবং প্রয়োজনীয় রাস্তার নেটওয়ার্ক, উন্মুক্ত পাবলিক স্পেস, পথচারীর পথ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার জন্য কৌশলগত সুবিধা, পার্ক এবং খেলার মাঠ, ড্রেনেজ এবং নর্দমা পরিষেবা, স্কুল ও লাইব্রেরির মতো নাগরিক সুবিধার গুরুতর অভাব রয়েছে। বৃহত্তর ঢাকা পরিকল্পনা অঞ্চলে মাত্র ৭ শতাংশ সড়ক নেটওয়ার্ক আছে, যা আদর্শ মানদণ্ডের অনেক নিচে।

ড্যাপে ঢাকার বাইরের নগর এলাকায় জনসংখ্যার ঘনত্ব নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি একরে ১৬০-১৮০ জন, পরিকল্পিত কেন্দ্রীয় শহুরে সর্বোচ্চ ২৫০ এবং অন্যান্য এলাকায় ২০০ জন। যদি গড়ে প্রতি একরে ২০০ জন ধরে হিসাব করা হয়, তবে ঢাকা মহানগর অঞ্চলের ১ হাজার ৫২৮ বর্গকিলোমিটার এলাকা বিস্ময়করভাবে ৭ দশমিক ৫ কোটি লোককে ধারণ করতে পারে। কিন্তু অনেক এলাকা রয়েছে যেখানে এরই মধ্যে প্রতি একরে ৩৫০-৪০০ জন মানুষ বসবাস করে, যেখানে বাসযোগ্যতার মান বিবেচনায় প্রতি একরে মানুষের সংখ্যা ৮০-১২০ হওয়া উচিত।

এছাড়াও বর্তমান ড্যাপ অপরিকল্পিত এলাকায়ও সাশ্রয়ী আবাসন, ব্লক উন্নয়ন, নগর পুনর্গঠন এবং পুনঃউন্নয়নের মতো পরিকল্পনা-পদ্ধতি প্রয়োগের বিপরীতে প্রণোদনামূলক বর্ধিত এফএআর বা বর্ধিত ফ্লোর এলাকা নির্মাণের সুযোগের প্রস্তাব করেছে। এ পদ্ধতিগুলো অবলম্বন করে মানুষ তার এলাকায় পরিকল্পিত উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে। যা হোক, সর্বনিম্ন ১ দশমিক ২ থেকে সর্বোচ্চ ৬-এর মধ্যে এফএআর মানের বিস্তৃত ব্যবধানের সমস্যাটি সর্বনিম্ন ভিত্তি মান সামান্য বৃদ্ধি করে এবং সর্বোচ্চ ভিত্তি মান ৩ বা ৪-এ কমিয়ে এনে সমাধান করা যেতে পারে। তারপর পরিকল্পিত এবং অপরিকল্পিত এলাকা একইভাবে উন্নয়নস্বত্ব প্রতিস্থাপন, সাশ্রয়ী আবাসন, ব্লক উন্নয়ন ইত্যাদি ব্যবস্থার মাধ্যমে উচ্চ এফএআর মান পেতে পারে। ভারতীয় শহরগুলোতে সর্বোচ্চ এফএআর মান সাধারণত ৩-৩. দশমিক ৫।

 

তাওফিক আলী: নগর পরিকল্পনাবিষয়ক জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক