আসছে
সপ্তাহে
যুক্তরাজ্যে
অনুষ্ঠেয়
জি৭
সম্মেলন
ঘিরে
চলছে
প্রস্তুতি।
যেখানে
শীর্ষ
এজেন্ডা
হচ্ছে
বিদ্যমান
কভিড-১৯
মহামারীকে
কীভাবে
এর
সমাপ্তি
রেখায়
পৌঁছে
দিয়ে
বিশ্বব্যাপী
পুনরুদ্ধার
কার্যক্রমকে
সুরক্ষিত
করা
যায়।
আমরা
বড়
ধরনের
জরুরি
চ্যালেঞ্জের
মুখোমুখি।
এতদিনে বিষয়টি
কিন্তু
আমাদের
কাছে
ভীষণভাবে
স্পষ্ট
হয়ে
উঠেছে
যে
বিদ্যমান
স্বাস্থ্য
সংকটটির
অবসান
না
হওয়া
পর্যন্ত
ব্যাপক
পুনরুদ্ধার
সম্ভব
নয়।
ভ্যাকসিনের
প্রাপ্যতাই
উভয়সংকট
সমাধানের
চাবিকাঠি।
ভ্যাকসিনের সম্মুখভাগের
কার্যক্রম
অর্থাৎ
ভ্যাকসিন
আবিষ্কার
ও
উৎপাদনের
কাজগুলো
আমরা
অভাবনীয়
অগ্রগতির
সঙ্গে
সম্পন্ন
করেছি।
রেকর্ড
সময়ের
মধ্যে
আমাদের
বিজ্ঞানীরা
কয়েক
ধরনের
ভ্যাকসিন
আবিষ্কারে
সক্ষমতা
দেখিয়েছেন।
সরকারি
ও
বেসরকারি
অর্থায়ন
অভূতপূর্বভাবে
ভ্যাকসিন
গবেষণা,
বিকাশ
ও
উৎপাদন
কার্যক্রমকে
সহায়তা
করেছে।
অথচ
ভ্যাকসিন
প্রাপ্তি
নিয়ে
ধনী
ও
দরিদ্রের
মধ্যে
এখনো
বিপজ্জনক
ব্যবধান
বিদ্যমান।
সামর্থ্যবান কিছু
দেশ
যখন
তার
নাগরিকদের
জন্য
ভ্যাকসিনের
বুস্টার
ডোজ
প্রদান
করা
নিয়ে
আলোচনা
করছে,
বিপরীতে
উন্নয়নশীল
দেশের
জনসংখ্যার
একটি
বড়
অংশ,
যাদের
মধ্যে
সম্মুখসারির
স্বাস্থ্যকর্মীরা
রয়েছেন,
তারা
টিকার
প্রথম
ডোজ
এখন
পর্যন্ত
পাননি।
নিম্ন
আয়ের
দেশগুলোর
অবস্থা
তো
আরো
অনেক
বেশি
শোচনীয়।
সেসব
দেশে
ভ্যাকসিন
পেয়েছে
জনসংখ্যার
১
শতাংশেরও
কম।
আমরা তাই
বলতে
পারি,
সমান্তরালভাবে
বিকাশ
লাভ
করেছে
দুই
ধরনের
মহামারী।
যেখানে
ধনী
দেশগুলো
ভ্যাকসিন
নিশ্চিত
করতে
পারছে,
বিপরীতে
বাদ
পড়ে
থাকছে
দরিদ্র
দেশগুলো।
পক্ষপাতপূর্ণ
ভ্যাকসিন
বণ্টন
ব্যবস্থা
শুধু
কোটি
কোটি
মানুষকে
ভাইরাসের
ঝুঁকিতে
ফেলছে
না,
পাশাপাশি
বিপজ্জনক
সব
ভ্যারিয়েন্টের
বিকাশ
ঘটছে
এবং
বিশ্বজুড়ে
ভয়াবহতা
বাড়ছে।
নতুন ভ্যারিয়েন্টগুলো
ছড়িয়ে
পড়ায়
টিকাদান
কর্মসূচিতে
এগিয়ে
থাকা
উন্নত
দেশগুলোও
ফের
কঠোর
স্বাস্থ্যবিধি
পরিপালনের
পাশাপাশি
বাধ্য
হচ্ছে
ভ্রমণ
নিষেধাজ্ঞা
কার্যকর
করতে।
ফলস্বরূপ
বিদ্যমান
মহামারী
গভীরতর
অর্থনৈতিক
বিচ্যুতির
দিকে
ছুটছে,
যা
আমাদের
সবার
জন্য
নেতিবাচক
পরিণতি
বয়ে
আনবে।
আমরা প্রত্যাশা
করছি
এমনটা
ঘটবে
না।
তাই
গোটা
বিশ্বের
মানুষকে
ভ্যাকসিনের
আওতায়
নিয়ে
আসার
জন্য
নতুন
অর্থায়ন
সহায়তার
মাধ্যমে
একটি
সুদূরপ্রসারী-সমন্বিত
কৌশল
গ্রহণ
ও
তা
বাস্তবায়নের
জন্য
আমরা
নতুন
মাত্রার
আন্তর্জাতিক
সহযোগিতার
আহ্বান
জানাচ্ছি।
সম্প্রতি আইএমএফ
প্রতিনিধিদের
পক্ষ
থেকে
একটি
পরিচ্ছন্ন
প্রস্তাব
তুলে
ধরা
হয়েছে।
যেখানে
তারা
সুস্পষ্টভাবে
লক্ষ্য
নির্ধারণ,
বাস্তববাদী
কর্মপরিকল্পনা
ও
সম্ভাব্য
ব্যয়ের
পরিমাণগুলো
তুলে
ধরেছেন।
এটি
বিশ্ব
স্বাস্থ্য
সংস্থা
ও
এর
অন্যান্য
অংশীদার
এসিটি
(অ্যাকসেস টু
কভিড-১৯
টুলস),
বিশ্বব্যাপী
ভ্যাকসিন
কার্যক্রম
কোভ্যাক্সের
পাশাপাশি
বিশ্বব্যাংক,
বিশ্ব
বাণিজ্য
সংস্থাসহ
অন্যদের
কার্যক্রমকেও
সমর্থন
করে।
আনুমানিক ৫০
বিলিয়ন
ডলারের
বিনিয়োগে
আমরা
উন্নয়নশীল
দেশগুলোতে
দ্রুত
মহামারীর
অবসান
ঘটানো,
সংক্রমণ
রোধ
ও
জীবন
বাঁচানোরা
পাশাপাশি
অর্থনৈতিক
পুনরুদ্ধার
কার্যক্রমের
গতি
যোগ
করে
বৈশ্বিক
অর্থনীতিতে
৯
ট্রিলিয়ন
ডলার
যোগ
করতে
সক্ষম
হব।
এটি
কিন্তু
কারো
একার
জয়লাভ
করা
নয়,
আমাদের
সবার
বিজয়—লাভের
৬০
শতাংশ
উন্নয়নশীল
ও
উদীয়মান
অর্থনীতির
ঝুলিতে
গেলেও
অবশিষ্ট
৪০
শতাংশ
কিন্তু
উন্নত
অর্থনীতির
ঘরেই
আসবে।
তাছাড়া
মানুষের
স্বাস্থ্য
আর
জীবনযাপনের
অনিবার্য
সুবিধার
বিষয়টা
তো
আছেই।
এর সঙ্গে কী
জড়িত?
প্রথমত,
আমাদের
আকাঙ্ক্ষা
বাস্তবায়ন
ও
অধিক
জনগণকে
ভ্যাকসিন
প্রদানের
লক্ষ্যে
কার্যক্রমের
গতি
বাড়াতে
হবে।
বিশ্ব
স্বাস্থ্য
সংস্থা
ও
এর
কোভ্যাক্স
সহযোগীরা
২০২১
সালের
মধ্যে
বিশ্বের
সব
দেশের
কমপক্ষে
৩০
শতাংশ
জনগণকে
ভ্যাকসিনের
আওতায়
আনার
লক্ষ্য
নির্ধারণ
করেছে।
কিন্তু
বিনিয়োগ
বাড়িয়ে
এ
হার
৪০
শতাংশ
পর্যন্ত
উন্নীত
করা
সম্ভব
এবং
২০২২
সালের
প্রথম
অর্ধে
এ
হার
৬০
শতাংশে
উন্নীত
করাও
কঠিন
নয়।
এর জন্য
নিম্ন
ও
মধ্যম
আয়ের
দেশের
জন্য
অতিরিক্ত
অর্থের
প্রয়োজন
পড়বে,
যার
বড়
অংশজুড়ে
থাকবে
অনুদান
ও
স্বল্প
সুদের
ঋণ।
জরুরি
ভিত্তিতে
অধিক
ভ্যাকসিন
প্রদানের
জন্য
উন্নয়নশীল
দেশগুলোর
ভ্যাকসিন
উন্নয়ন
পরিকল্পনার
সঙ্গে
সমন্বয়
ও
কোভ্যাক্স
কার্যক্রম
আরো
বেগবান
করতে
দ্রুতই
আরো
অনুদান
প্রয়োজন।
ভ্যাকসিন
তৈরির
কাঁচামাল
ও
সম্পূর্ণ
উৎপাদিত
ভ্যাকসিনের
সরবরাহ
বাড়াতে
সীমান্তের
অবাধ
যোগাযোগ
ও
বাণিজ্যে
সহযোগিতা
প্রয়োজন।
দ্বিতীয়ত, অন্যান্য
ঝুঁকি
যেমন
করোনার
নতুন
ভ্যারিয়েন্ট
মোকাবেলায়
বুস্টার
ডোজের
প্রয়োজন
হতে
পারে।
এর
অর্থ
কমপক্ষে
এক
বিলিয়ন
ডোজ
অতিরিক্ত
ভ্যাকসিন
উৎপাদনে
বিনিয়োগ
করতে
হবে।
সরবরাহ
শৃঙ্খলে
নজরদারি,
ভাইরাস
রূপান্তর
ও
জোগানস্বল্পতার
মতো
সমস্যা
সমাধানে
ভ্যাকসিন
উৎপাদনে
আঞ্চলিক
বৈচিত্র্যকরণ
ও
প্রযুক্তি
বিনিময়
গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা
রাখবে।
আমরা ডব্লিউটিওর
অন্তর্ভুক্ত
দেশগুলোর
সদস্যদের
আহ্বান
জানাই,
তারা
যেন
বৌদ্ধিক
সম্পত্তির
মেধাস্বত্ব
সংক্রান্ত
আলোচনার
গতি
বাড়ানোর
মাধ্যমে
একটি
কার্যকর
সমাধানে
উপনীত
হয়,
যাতে
কভিড
ভ্যাকসিনের
সরবরাহ
বাড়ানোর
পথের
বাধা
দূর
হয়।
কিছু
নিম্ন
ও
মধ্যম
আয়ের
দেশ
নিজস্ব
বিনিয়োগের
মাধ্যমে
স্থানীয়
উৎপাদনক্ষমতা
বাড়াতে
পদক্ষেপ
নিয়েছে,
যা
কেবল
এ
মহামারী
শেষ
করার
জন্য
নয়,
পরবর্তী
যেকোনো
দুর্যোগ
মোকাবেলার
প্রস্তুতি
হিসেবেও
সহায়ক
ভূমিকা
রাখতে
পারে।
তৃতীয়ত, অবিলম্বে
করোনা
শনাক্তকরণ
পরীক্ষা
বৃদ্ধি,
ট্রেসিং,
অক্সিজেনের
সরবরাহ
বৃদ্ধি,
জনস্বাস্থ্য
রক্ষায়
ব্যবস্থা
গ্রহণ,
ভ্যাকসিন
উন্নয়ন
প্রভৃতি
কার্যক্রম
গতিশীল
করতে
পদক্ষেপ
নিতে
হবে।
বিশ্ব
স্বাস্থ্য
সংস্থা,
ইউনিসেফ,
বিশ্বব্যাংক
ও
গ্যাভি
১৪০টির
বেশি
উন্নয়নশীল
দেশকে
মাঠ
পর্যায়ে
সহায়তা
ও
ভ্যাকসিন
কার্যক্রম
পরিচালনায়
অর্থায়ন
করেছে।
ব্যয় কত
হবে?
৫০
বিলিয়ন
ডলারের
মধ্যে
কমপক্ষে
৩৫
বিলিয়ন
ডলার
অনুদান
পাওয়ার
জোর
সম্ভাবনা
রয়েছে।
এরই
মধ্যে
জি২০
দেশের
সরকার
সংশ্লিষ্ট
কার্যক্রমকে
গতিশীল
করতে
২০২১
সালে
প্রায়
২২
বিলিয়ন
ডলারের
অতিরিক্ত
তহবিল
সরবরাহে
ইতিবাচক
বার্তা
দিয়েছে।
২০২২ সালের
মধ্যে
করোনা
ভ্যাকসিন
সরবরাহের
গতি
বাড়ানোর
পাশাপাশি
করোনা
পরীক্ষা,
চিকিৎসা
ও
নজরদারি
বাড়াতে
অতিরিক্ত
১৩
বিলিয়ন
ডলারের
প্রয়োজন।
সামগ্রিক
অর্থায়নে
পরিকল্পনার
অবশিষ্ট
অংশ
প্রায়
১৫
বিলিয়ন
ডলার
আসবে
বহুজাতিক
উন্নয়ন
সংস্থার
সহায়তায়
জাতীয়
সরকার
থেকে,
যার
মধ্যে
বিশ্বব্যাংক
পরিচালিত
ভ্যাকসিনেশনের
জন্য
বরাদ্দকৃত
১২
বিলিয়ন
ডলার
অন্তর্ভুক্ত
রয়েছে।
পরিকল্পনার
সফল
বাস্তবায়নের
জন্য
গতি
ও
সমন্বয়—দুটি
অতিরিক্ত
চাহিদা
রয়েছে।
একে ভবিষ্যতের
অর্থায়ন,
ভবিষ্যতের
ভ্যাকসিন
দান,
ভবিষ্যতের
সতর্কতামূলক
বিনিয়োগ
ও
পরিকল্পনা
হিসেবে
উল্লেখ
করা
যেতে
পারে।
প্রতিশ্রুতি
রক্ষায়
যত
দ্রুত
সম্ভব
সবার
জন্য
ভ্যাকসিন
সহজলভ্য
করা
প্রয়োজন।
ভ্যাকসিন কেনা
ও
বিতরণের
প্রক্রিয়ায়
পরিপূর্ণ
স্বচ্ছতা
নিশ্চিতে
সমন্বিত
বৈশ্বিক
পদক্ষেপ
আরো
বেশি
প্রয়োজনীয়।
কৌশলটির
সাফল্য
সরকারি,
বেসরকারি,
আন্তর্জাতিক
আর্থিক
প্রতিষ্ঠান,
ফাউন্ডেশন—সব
পক্ষের
ওপর
নির্ভর
করছে।
মহামারীর কার্যকর
অবসান
ঘটাতে
৫০
বিলিয়ন
ডলারের
বিনিয়োগ
আমাদের
জীবত্কালে
জনসাধারণের
অর্থের
সর্বোত্তম
ব্যবহার
হিসেবে
দেখতে
হবে।
এটি
বিশ্বব্যাপী
প্রবৃদ্ধি
ও
কল্যাণ
বাড়িয়ে
তুলতে
উন্নয়নের
লভ্যাংশ
হিসেবে
কাজ
করবে।
তবে
সুযোগের
জানালাটি
দ্রুত
বন্ধ
হচ্ছে—আমরা
যত
বেশি
দেরি
করব,
প্রক্রিয়াটি
ততই
ব্যয়বহুল
হয়ে
উঠবে।
এতে
মানুষের
দুর্ভোগ
ও
অর্থনৈতিক
ক্ষতই
বড়
হবে।
আমাদের সংগঠনের
পক্ষ
থেকে
আমরা
প্রয়োজনীয়
অর্থায়ন
নিশ্চিত,
উৎপাদন
চাঙ্গা
করা,
টিকার
মসৃণ
প্রবাহ
নিশ্চিত
করা,
কাঁচামালের
অভিগম্যতা
নিশ্চিতে
একসঙ্গে
কাজ
করার
জন্য
আজ
নতুন
অঙ্গীকার
করছি।
যাতে
স্বাস্থ্য
অভিঘাত
মোকাবেলায়
নাটকীয়
মাত্রায়
টিকার
সহজলভ্যতা
বাড়ানো
যায়,
অর্থনৈতিক
পুনরুদ্ধার
নিশ্চিত
করা
যায়
এবং
বিশ্বব্যাপী
প্রয়োজনীয়
আশার
সঞ্চার
ঘটে।
আমাদের
প্রতিষ্ঠানগুলো
এ
আশাবাদ
বাস্তবে
রূপান্তর
করতে
এগিয়ে
চলছে।
সদস্য দেশগুলোর
বৈদেশিক
মুদ্রার
রিজার্ভ
এবং
তারল্য
প্রবাহ
বাড়াতে
আইএমএফ
নজিরবিহীন
স্পেশাল
ড্রয়িং
রাইটস
(এসডিআর) বণ্টনের
প্রস্তুতি
নিচ্ছে।
বিশ্ব
স্বাস্থ্য
সংস্থা
অর্থায়নের
ক্ষেত্রগুলো
চিহ্নিত
করছে,
যাতে
এর
কৌশলগত
প্রস্তুতি
ও
রেসপন্স
প্ল্যান
নেয়া
সহজ
হয়
এবং
এসিটি-অ্যাকসিলারেটর
পার্টনারশিপ
পরিপূরণ
হতে
পারে।
একই
সঙ্গে
কৃেকৗশল
ও
প্রযুক্তি
বিনিময়
সহজ
করার
জন্য
কভিড-১৯
টেকনোলজি
অ্যাকসেস
পুল
(সি-ট্যাপ)
উৎসাহিত
করা
হচ্ছে।
বিশ্বব্যাংক
ভ্যাকসিন
প্রজেক্ট
গ্রহণ
করবে
এবং
বছরের
মাঝামাঝি
নাগাদ
অন্তত
৫০টি
দেশে
তা
পরিচালনা
করা
হবে।
ইন্টারন্যাশনাল
ফাইন্যান্স
করপোরেশন
উন্নয়নশীল
দেশগুলোয়
টিকা
সরবরাহ
বাড়াতে
ব্যক্তি
খাতের
সঙ্গে
কাজ
করছে।
একইভাবে
আলোচ্য
পরিকল্পনা
সফল
করতে
সরবরাহ
শৃঙ্খল
মুক্ত
করতে
ডব্লিউটিও
কাজ
করছে।
আমরা যেহেতু আমাদের প্রচেষ্টা নিয়ে এগোচ্ছি, সেহেতু অর্থায়ন, টিকার ডোজ উপহার, সবখানে উৎপাদন সম্প্রসারণের কৃেকৗশল জোগানোর মাধ্যমে এ উচ্চাকাঙ্ক্ষী পরিকল্পনা এগিয়ে নিতে জি৭-এরও পূর্ণ সমর্থন আশা করি। মহামারীর অবসান একটি সমাধানযোগ্য সমস্যা, যার জন্য এখন প্রয়োজন বৈশ্বিক পদক্ষেপ। আসুন সবাই মিলে কাজ করি এবং পরিকল্পনাটি সফল করি।
ক্রিস্টিলিনা জর্জিভা, টেড্রোস অ্যাডহ্যানম গেব্রেইসাস, ডেভিড মালপাস, এনগোজি ওকনজো ইওয়েলা
ক্রিস্টিলিনা জর্জিভা: আইএমএফের
ব্যবস্থাপনা
পরিচালক
টেড্রোস অ্যাডহ্যানম গেব্রেইসাস: বিশ্ব স্বাস্থ্য
সংস্থার
মহাপরিচালক
ডেভিড মালপাস: বিশ্বব্যাংক
গ্রুপের
প্রেসিডেন্ট
এনগোজি ওকনজো
ইওয়েলা: বিশ্ব বাণিজ্য
সংস্থার
মহাপরিচালক
বিশ্বব্যাংকের ব্লগ থেকে ভাষান্তরিত









