অ্যাজমা হলো শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত রোগ। অ্যাজমায় শ্বাস নিতে সমস্যা হয়। একটু সচেতন হলেই এ সমস্যা থাকা সত্ত্বেও শীতকালটি ভালোভাবে কাটানো সম্ভব। আর এতে সবচেয়ে বেশি ভুগতে পারে শিশুরা। এজন্য শিশুদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতি বছর শিশুরা ছয় থেকে আটবার ঠাণ্ডায় আক্রান্ত হয়, তবে অ্যাজমায় আক্রান্ত শিশুদের এ সংখ্যা আরো বেশি। তাদের ঠাণ্ডায় আক্রান্ত দীর্ঘস্থায়ী এবং লক্ষণগুলো আরো খারাপ হয়। তবে ভাইরাসে আক্রান্ত হলেও শিশুদের এমন লক্ষণগুলো দেখা দিতে পারে। এর জন্য যত্নশীল হওয়ার কোনো বিকল্প নেই। বাইরের ধুলোবালিযুক্ত পরিবেশ থেকে শিশুদের যতটা দূরে রাখা যায়, ততই ভালো। তাদের ব্যবহার্য কাপড় পরিষ্কার থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করুন। এছাড়া অনেক শিশুকে দেখা যায় মুখে আঙুল দিয়ে থাকতে। এক্ষেত্রে হাতের মাধ্যমে জীবাণু ছড়ানোর ঝুঁকি থাকে। এজন্য মুখে হাত দেয়া থেকে বিরত রাখতে হবে এবং খেয়াল রাখতে হবে তাদের হাত যেন নোংরা না থাকে।
অ্যাজমা হওয়ার পেছনে একটি বড় কারণ হলো অ্যালার্জি। শীতে ঘরের মেঝেতে কার্পেট বিছানো হয়। কার্পেটের সঙ্গে মিশে থাকা ধুলোবালির কারণে অ্যালার্জি বেড়ে যেতে পারে। শীতকালে অ্যালার্জির হাত থেকে বাঁচতে নিয়মিত কার্পেট পরিষ্কার রাখতে হবে। সেই সঙ্গে ঘরবাড়িও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। শীতকালে প্রচণ্ড শীত থেকে নিজেদের রক্ষা করতে প্রত্যেকেরই কাপড়ের সংখ্যা বেড়ে যায়। এগুলোও নিয়মিত পরিষ্কার না করলে আপনি এতে আক্রান্ত হতে পারেন।
বাড়িতে অনেকে শখের বশে বিড়াল কিংবা কুকুর পুষে থাকেন। এগুলো অ্যালার্জেন বহন করে। এসব অ্যালার্জেনের কারণে অ্যালার্জির সমস্যা দেখা দিতে পারে। এজন্য প্রাণীদের থেকে দূরে থাকা ভালো। তাদের আলাদা স্থানে রেখে আপনি পুষতে পারেন। তাহলে অ্যালার্জেনের ঝুঁকি কমে যাবে।
ফ্লুর কারণে অ্যাজমায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা তীব্র অ্যাজমা সমস্যায় পড়েন। কারণ অ্যাজমা ও ফ্লু দুটোই শ্বাসতন্ত্রের রোগ। ফ্লুতে আক্রান্ত হলে অ্যাজমা রোগীদের অনেক সময় জীবননাশের হুমকি থাকে। এ কারণে ফ্লুর টিকা নিতে হবে। পাশাপাশি এ শীত মৌসুমে নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
অ্যাজমা থেকে দূরে থাকতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকার বিকল্প নেই। তাই হাত পরিষ্কার রাখতে হবে। নাক ও মুখ থেকে হাত দূরে রাখার চেষ্টা করুন। নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস থাকলে ভালো। না থাকলে হাত ধোয়ার অভ্যাস










