অসুস্থ হলে আমাদের মনে প্রথমেই ভাবনা আসে ওষুধ খাওয়ার। ছোটখাটো সমস্যায় ওষুধ খেতে থাকলে শরীরে একসময় বড় ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। আর ওষুধ খাওয়ার ফলে আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমে যায়। তাই সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যায় ওষুধ না খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। তারা বলছেন, প্রথমে ওষুধ না খেয়ে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতাকে কাজ করার সময় দিন এবং পাশাপাশি ঘরোয়া কিছু উপায় অবলম্বন করুন। আমাদের চারপাশে এমন কিছু প্রাকৃতিক উপাদান আছে, যা সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যাগুলো সারিয়ে তুলতে ওষুধের চেয়েও ভালো কাজ করে। যেমন গত বছর একটি গবেষণায় উঠে এসেছে, সর্দি-কাশির ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিকের চেয়েও ভালো কাজ করে মধু।

কেবল মধুই নয়, আদা, নারকেল তেল, ভিনেগার, রসুন, হলুদের মতো প্রাকৃতিক উপাদানও সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যায় ওষুধ হিসেবে কাজ করে। চলুন জেনে নেয়া যাক, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও গবেষণার ভিত্তিতে সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যায় ঘরোয়া সমাধান।

 

আদা

পেট ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্ত হলে আদা বমি বমি ভাব, পেটব্যথা ও ফোলা ভাব কমায়। ক্লিনিক্যাল গবেষণায় দেখা গেছে, আদার রাসায়নিক উপাদান পেট ও অন্ত্রের পাশাপাশি মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের বমি বমি ভাব নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। বেইলর কলেজ অব মেডিসিনের সহযোগী অধ্যাপক মারিয়া সি মেজিয়া ডি গ্রুব বলেন, স্বাস্থ্য সমস্যায় উপকার পেতে আদা কয়েকভাবে খাওয়া যায়। আপনি এটাকে খাবারে মসলা হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন, এক টুকরো আদা চিবিয়ে খেতে পারেন বা আদার ক্যাপসুল পাওয়া যায়, সেটাও খেতে পারেন।

 

নারকেল তেল

ত্বকে ব্রণের সমস্যা হলে অনেকেই ত্বককে ওভারড্রাই করেন, যা ত্বকে তেলের উৎপাদন আরো বাড়িয়ে দেয়। এজন্য আপনি স্যালিসিলিক ওয়াশ দিয়ে ত্বক পরিষ্কারের পর ত্বকে হালকা করে নারকেল তেল লাগান। মাউন্ট সিনাই হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডায়ান ম্যাডফেস বলেন, নারকেল তেলে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে, ভিটামিন ‘ই’সহ এর উপাদানগুলো ত্বকের বাধা মেরামত করে এবং ব্রণের দাগ দূর করতে সহায়তা করে।

 

লবণপানি

বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ভাইরাল সংক্রমণের কারণে গলাব্যথা হয়ে থাকে। কিন্তু