কলা পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ অত্যন্ত উপকারী একটি ফল। মিষ্টি ও সুস্বাদু এ ফলটি শরীরে শক্তি জোগায় এবং বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে। একটি কলা প্রতিদিনের চাহিদার ১২ শতাংশ পটাশিয়াম, ২০ শতাংশ ভিটামিন সি ও বি৬-এর পাশাপাশি ৩ গ্রাম ফাইবার সরবরাহ করে। এগুলো স্টার্চের একটি বড় উৎস, যা প্রাকৃতিকভাবে ক্ষুধা কমায় এবং এতে ওজনও কমে। পাশাপাশি কলার খোসাতেও রয়েছে ভরপুর পুষ্টিগুণ। একজন পুষ্টিবিদের মতে, আপনি যদি কলার উপকারিতা সত্যিই আরো বাড়িয়ে তুলতে চান, তবে এর খোসাও খাওয়া উচিত।
অস্ট্রেলিয়ান পুষ্টিবিদ সুসি বুরেল একটি ব্লগে লিখেছেন, খোসাসহ কলা খাওয়ার মধ্য দিয়ে সামগ্রিক ফাইবারের পরিমাণ কমপক্ষে ১০ শতাংশ বেড়ে যায়, কারণ কলার খোসায় প্রচুর পরিমাণে ডায়েট্রি ফাইবার থাকে। এর পাশাপাশি আপনি প্রায় ২০ শতাংশ বেশি ভিটামিন বি৬ ও ভিটামিন সি এবং পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের পরিমাণ বাড়িয়ে তুলতে পারবেন। তবে তিনি কলার খোসা গুঁড়ো করে খাওয়ার পরামর্শ দেন না। পুষ্টি যেন শরীর সহজে গ্রহণ করতে পারে, সেজন্য কলার খোসা রান্নার মাধ্যমে নরম করে যেকোনোভাবে খেতে পারেন।
তিনি বলেন, হলুদ ও সবুজ কলার খোসায় পুষ্টির পার্থক্য রয়েছে। সবুজ খোসায় ভালো ঘুমে সহায়তাকারী অ্যামিনো অ্যাসিড এবং প্রতিরোধী স্টার্চে সমৃদ্ধ, যা অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। অন্যদিকে হলুদ খোসার একটি পাকা কলা ক্যান্সারবিরোধী প্রভাবগুলোর সঙ্গে উচ্চ পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদানে পূর্ণ থাকে।










