চোখের সমস্যা কম-বেশি আমাদের সবারই আছে। কিন্তু অনেকে আছেন, যারা বুঝতে পারেন না তাদের চোখে সমস্যা হয়েছে কিনা বা কখন চোখের ডাক্তার দেখাতে হবে। তাহলে প্রশ্ন হলো, কীভাবে বুঝবেন কখন ডাক্তার দেখাতে হবে? নিজের চোখের অবস্থা ও লক্ষণ দেখে বুঝে নিতে হবে। চোখের কিছু লক্ষণ আপনাকে বলে দেবে চিকিৎসককে চোখ দেখানোর কথা। চলুন জেনে নিই চোখের সে লক্ষণগুলো।
রাতে গাড়ি চালানোর সময় অস্পষ্ট দেখা
রাতে গাড়ি চালানোর সময় যদি দেখেন দূরের জিনিস অস্পষ্ট লাগছে বা অন্ধকারে কিছু দেখতে খুব কষ্ট হচ্ছে, বুঝবেন আপনার চোখে সমস্যা হয়েছে। এ সমস্যায় দ্রুত চোখের ডাক্তারের কাছে যেতে হবে। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নতুন চশমা নিতে হবে।
চোখ লাল অথবা গোলাপি হওয়া
চিকিৎসকদের মতে, চোখ লাল অথবা গোলাপি হওয়া বিপজ্জনক। কনজাংটিভাইটিস প্রদাহ, অ্যালার্জি বা চোখে ছানি পড়ার কারণে এমনটি হয়। তবে বেশির ভাগ সময় ছানি পড়ার কারণে হয়। ছানি পড়লে চোখের আইরিশ ও পিউপিল একটা স্বচ্ছ লেয়ারে ঢাকা পড়ে। অনেক সময় এটি চোখের গভীরে প্রবেশ করে। এ কারণে দ্রুত চিকিৎসা নিতে চক্ষু বিশেষজ্ঞের কাছে যেতে হবে।
ঝাপসা দেখা
আপনি সোফায় বসে টিভি দেখছেন, কিন্তু ভালো দেখা যাচ্ছে না। ঝাপসা লাগছে। বুঝে নেবেন আপনার চোখকে ডাক্তার দেখানোর সময় হয়েছে। চিকিৎসক হয়তো চোখের ড্রপ অথবা ওষুধ দিতে পারেন। আবার প্রয়োজনে ছোট সার্জারির পরামর্শও দিতে পারেন।
চোখে ব্যথা করা
চোখে ব্যথা করা মোটেও ভালো লক্ষণ নয়। চোখ ব্যথা মানুষকে অন্ধ করে দিতে পারে। তীব্র গ্লুকোমারের কারণে এটি হয়। এর ফলে অপটিক স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত ও চোখ অন্ধ হয়ে যায়। চোখে ঝাপসা দেখা, তীব্র মাথাব্যথা, বমিভাব হয়। চোখে ব্যথা ইনফেকশন, চোখ জ্বালা করা, শুকিয়ে যাওয়া, অ্যালার্জির জন্যও হতে পারে। চোখে ব্যথা হলে চিকিৎসকের সাহায্য নিতে হবে।
ঘন ঘন মাথাব্যথা
মাথাব্যথা নানা কারণে হয়। চোখের জন্যও হয়। ঘন ঘন মাথাব্যথার কারণে গুরুতর কিছু হতে পারে। এজন্য মাথাব্যথা হলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। এছাড়া চোখে ড্রাই সিনড্রম থাকলে পানিপড়া সমস্যা দেখা দেয়। এ সমস্যা সমাধানে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চোখে আই ড্রপ ব্যবহার করতে হবে।
কোনো জিনিসকে দুটি










