থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও ধনকুবের থাকসিন সিনাওয়াত্রার মেয়ে পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা। আজ শুক্রবার (১৬ আগস্ট) থাই পার্লামেন্টে ভোটাভুটিতে পেতংতার্নকে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করা হয়। খবর রয়টার্স।

আজ পার্লামেন্টে অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে পেতংতার্নের পক্ষে পড়েছে ৩১৯টি ভোট। আর বিপক্ষে ভোট পড়েছে ১৪৫টি। দেশটির ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হলেন তিনি।

ফুপু ইংলাক সিনাওয়াত্রার পর পেতংতার্ন হলেন থাইল্যান্ডের দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী এবং দেশটির শীর্ষপদে অধিষ্ঠিত সিনাওয়াত্রা পরিবারের তৃতীয় সদস্য। তার বাবা থাকসিনকে দেশটির সবচেয়ে প্রভাবশালী ও বিভাজন সৃষ্টিকারী রাজনীতিবিদ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা বলেন, আমি স্রেথা, আমার পরিবার ও দলের লোকদের সঙ্গে কথা বলেছি এবং সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, দেশ ও দলের জন্য কিছু করার সময় এসেছে। আশা করি, আমি আমার সেরাটা দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব। আজ আমি সম্মানিত ও আনন্দিত।

গত বুধবার (১৪ আগস্ট) সংবিধান লঙ্ঘনের দায়ে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিনকে পদচ্যুত করেন দেশটির সাংবিধানিক আদালত। সে সঙ্গে তাঁর মন্ত্রিসভা ভেঙে দেয়ারও রায় দেন আদালত। এর পরদিনই ফেউ থাই পার্টি প্রধানমন্ত্রী পদে প্রার্থী হিসেবে পেতংতার্নের নাম ঘোষণা করে। এর মাধ্যমে ৩৭ বয়সী রাজনীতিকে নবাগতা পেতংতার্নকে প্রথমবারের মতো পাদপ্রদীপের আলোয় আনা হয়। আর তার পরদিনই প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলেন তিনি।