মধ্যপ্রাচ্যে আরেকটি যুদ্ধের পথে পা বাড়াতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রস্তুতি হিসেবে এরই মধ্যে এফ ৩৫ যুদ্ধবিমান, বি টু স্পিরিট বোম্বার, ৩০টি মিলিটারি বিমান, রিফুয়েলিং ট্যাংকারসহ অন্যান্য সরঞ্জাম প্রস্তুত করা হয়েছে। সিএনএন বলছে, আলোচনার পথ খোলা রাখলেও সরাসরি যুদ্ধ শুরুর প্রস্তুতি নিয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। তবে সে যুদ্ধের ইতি কীভাবে ঘটবে এ বিষয়ে পরিকল্পনা নেই হোয়াইট হাউজের। তৃতীয় পক্ষ জড়ালে এরই মধ্যে পুরো অঞ্চলে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরান কখনো আত্মসমর্পণ করবে না। যুক্তরাষ্ট্র এ যুদ্ধে যোগ দিলে পরিণতি ভয়াবহ হবে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি। এদিকে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইসরায়েলকে সহযোগিতা করার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করেছে রাশিয়া। গতকাল দেশটির রুশ উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই রিয়াবকভ ইন্টারফ্যাক্স বার্তা সংস্থাকে বলেন, ‘মস্কো স্পষ্টভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করছে, ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা দেয়া বা এমন কোনো চিন্তাভাবনাও করা উচিত নয়।’ দ্রুত ইরান-ইসরায়েল সংঘাত বন্ধের আহ্বান জানিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিয়েছেন। যদিও ট্রাম্প সে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে পুতিনকে আগে ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে মনোযোগ দিতে বলেছেন। এদিকে গতকাল ষষ্ঠদিনের মতো ইরান-ইসরায়েল হামলা-পাল্টা হামলা অব্যাহত রয়েছে। এদিন ইরানের বেশ কয়েকটি অঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় তেল আবিব। জবাবে তেহরানও পাল্টা হামলা চালিয়েছে।
যুদ্ধ শুরুর বিবেচনা ট্রাম্পের: ইসরায়েলের প্রাথমিক হামলায় ইরানের শীর্ষ সেনা কর্মকর্তা ও বিজ্ঞানীরা নিহত হওয়ার পর ট্রাম্পের রণনীতি রূপান্তরিত হতে শুরু করে। কূটনীতির ব্যর্থতা এবং ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’-এর দাবির পর তিনি যুদ্ধের কথা বিবেচনা করছেন বলে জানায় সিএনএন। ইরানে হামলা চালাবেন কিনা গতকাল হোয়াইট হাউজে এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘হয়তো হামলা চালাব। হয়তো চালাব না। আমি কী করতে চাইছি কেউই জানে না।’ তবে ইরানে হামলার ইঙ্গিত দিয়ে হেঁয়ালি ট্রাম্প বলেন, ‘এটা বলতে পারি যে ইরানের জন্য অনেক সমস্যা অপেক্ষা করছে। আগামী সপ্তাহটা ইরানের ভাগ্য নির্ধারণী হতে পারে। সেটা অবশ্য এ সপ্তাহের শেষেও ঘটতে পারে।’ এক সপ্তাহের আগের চেয়ে বর্তমান পরিস্থিতি ভিন্ন বলেও দাবি করেন ট্রাম্প। তবে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত নেন, তবে পেন্টাগন সে নির্দেশ কার্যকর করতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
যদিও আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এ পথে হাঁটা যুক্তরাষ্ট্রের অতীত ভুলগুলোরই প্রতিচ্ছবি। ইরান প্রকৃতপক্ষে লিবিয়া, ইরাক বা আফগানিস্তান নয়। নয় কোটিরও বেশি মানুষের দেশটি জাতিগত ও সাম্প্রদায়িক বিভাজনে বিভক্ত, আর হঠাৎ করে শাসন ব্যবস্থা ধসে পড়লে গোটা অঞ্চলেই বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়বে।
ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের ইরানবিষয়ক প্রকল্প পরিচালক আলি ভায়েজ বলেন, ‘ট্রাম্প যদি ইসরায়েলের আগ্রাসনকে ব্যবহার করে ইরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করতে চান, তবে সেটি কার্যকর হবে না। ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে বিশ্ব জ্বালানিপ্রবাহে বাধা দিতে পারে, আঞ্চলিক শত্রুদের তেল ক্ষেত্রে হামলা করতে পারে, এমনকি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতেও পাল্টা হামলা চালাতে পারে।’ নিউইয়র্ক টাইমসের এক খবরে বলা হয়েছে, ইতোমধ্যেই ইরাক, বাহরাইন, কাতার, আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার প্রস্তুতি নিয়েছে ইরান।
হোয়াইট হাউজের বরাতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, ইরানকে মানসিক চাপে রেখে চুক্তিতে সম্মত করাই যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য ছিল। তবে সে প্রস্তাব উড়িয়ে দিয়েছেন খামেনি। সেজন্য সম্ভাব্য সব বিকল্প প্রস্তুত রেখেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। গতকাল ভোরে পূর্ব ইংল্যান্ডের রয়্যাল এয়ারফোর্স লেকেনহিথ থেকে অন্তত চারটি এফ ৩৫ যুদ্ধবিমান ঘাঁটি ছেড়ে গেছে বলে জানা গেছে। এগুলোর সঙ্গে জ্বালানি ট্যাংকার বিমানও ছিল। সেই সঙ্গে ইরানের মাটির গভীরে তৈরি স্থাপনায় হামলা করতে সক্ষম ‘বি টু স্পিরিট’ বোম্বার বিমানও ইরান থেকে চার হাজার কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে ভারত মহাসাগরের একটি ঘাঁটিতে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে। গত তিনদিনে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ৩০টি মিলিটারি বিমান স্পেন, স্কটল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের বিভিন্ন ঘাঁটিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এছাড়া ইউরোপে এয়ারবর্ন রিফুয়েলিং ট্যাংকার নিয়ে যেতে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মধ্যপ্রাচ্যের পথে রওনা হয়েছে যুদ্ধবিমানবাহী রণতরী ইউএসএস নিমিটজ। অঞ্চলটিতে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ারসহ একটি বিশাল নৌবহর মোতায়েন রয়েছে। সব মিলিয়ে ৪০-৫০ হাজার মার্কিন সেনা এখন মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থান করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে জরুরি ভিত্তিতে এসব পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। পেন্টাগনের সাবেক মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক কর্মকর্তা ও ইসরায়েলে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত ড্যানিয়েল শাপিরোর ভাষ্যমতে, ট্রাম্প ফরদোয় হামলার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম জড়ো করছেন। ট্যাংকার, ফাইটার, আর দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরী—সবকিছু প্রস্তুত করা হচ্ছে।
ভয়াবহ পরিণতির হুঁশিয়ারি খামেনির: গতকাল ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভিতে এক সংবাদ উপস্থাপক খামেনির একটি বিবৃতি পড়ে শোনান। তাতে খামেনি বলেন, তার দেশ মার্কিন প্রেসিডেন্টের আত্মসমর্পণের আহ্বান মেনে নেবে না। বুদ্ধিমান মানুষ যারা ইরানকে জানে, ইরানি জাতিকে জানে এবং এর ইতিহাস জানে, তারা কখনো এ দেশের বিরুদ্ধে হুমকির ভাষায় কথা বলে না। কারণ ইরানি জাতি আত্মসমর্পণ করবে না। আমেরিকানদের জানা উচিত, যেকোনো রকম মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপ তাদের জন্য ভয়াবহ ও অপূরণীয় ক্ষতি ডেকে আনবে।
এর আগে খামেনির বিষয়ে ইঙ্গিত করে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে লেখেন, ‘আমরা ঠিক জানি তথাকথিত “সর্বোচ্চ নেতা” কোথায় লুকিয়ে আছেন। তিনি সহজ লক্ষ্যবস্তু, কিন্তু সেখানে নিরাপদ—আমরা তাকে বের করে হত্যা করব না, অন্তত এখনই নয়। কিন্তু আমরা চাই না বেসামরিক নাগরিক বা আমেরিকান সৈন্যদের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ হোক। আমাদের ধৈর্য ক্রমেই কমছে।’ আরেক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘ইরানের আকাশসীমা আমাদের নিয়ন্ত্রণে।’ এ পোস্ট দুটির পর পরই তৃতীয় আরেকটি পোস্টে ইরানকে পিছু হটার আহ্বান জানিয়ে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘আনকন্ডিশনাল সারেন্ডার।’
তৃতীয় পক্ষ জড়ালে পুরো অঞ্চলে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়বে: ইসরায়েল-ইরান চলমান উত্তেজনার মধ্যে তৃতীয় কোনো দেশ সরাসরি জড়ালে তা পুরো অঞ্চলে এবং তার বাইরেও ভয়াবহ সংঘাত ডেকে আনবে। এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসমাইল বাঘাই কাশানি। আল জাজিরাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘সংঘাতে যদি কোনো তৃতীয় পক্ষ সরাসরি যুক্ত হয়, তাহলে তা একটি সর্বাত্মক যুদ্ধের দিকে নিয়ে যাবে, যা পুরো অঞ্চলকে গ্রাস করবে এবং তার বাইরেও ছড়িয়ে পড়বে।’ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনার সম্ভাবনা প্রসঙ্গে বাঘাই বলেন, ‘কূটনীতি কখনই শেষ হয় না।’ তবে তিনি জোর দিয়ে জানান, তেহরান এখন আর ওয়াশিংটনের ওপর বিশ্বাস করে না।
ইসরায়েলে চার শতাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান: ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাত শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত দেশটিকে লক্ষ্য করে চার শতাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরান। পাশাপাশি দেশটিতে হামলা চালাতে পাঠানো হয়েছে শতাধিক ড্রোন। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনয়ামিন নেতানিয়াহুর উপদেষ্টা দিমিত্রি গেনডেলম্যান এক বুলেটিনে এ তথ্য জানিয়েছেন। নেতানিয়াহুর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ইরানি হামলায় ইসরায়েলে এখন পর্যন্ত ২৪ জন নিহত হয়েছে। ৩ হাজার ৮০০ জনের বেশি মানুষকে তাদের বাড়ি থেকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। অন্যদিকে এক সংবাদ সম্মেলনে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র এফি ডেফরিন জানিয়েছেন, গত পাঁচদিনে ইরানে ১ হাজার ১০০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে।
২৮টি ইসরায়েলি ড্রোন ও যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি তেহরানের: মঙ্গলবার থেকে গতকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ২৮টি বিমান ও ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করছে ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ইউনিট। দেশটির সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভূপাতিত করা এ সামরিক যানগুলোর মধ্যে ইসরায়েলের একটি উন্নতমানের ‘হার্মিস ৯০০ কোচাভ’ ড্রোন রয়েছে; যেটি ইরানের মধ্যাঞ্চলীয় ইসফাহান প্রদেশের আকাশে গুপ্তচরবৃত্তির সময় গুলি করে নামানো হয়। অবশ্য ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) নিশ্চিত করেছে, তাদের একটি ড্রোন ইরানে ভূপতিত হয়েছে। যদিও বিস্তারিত জানানো হয়নি।
হামলা-পাল্টা হামলা অব্যাহত: ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত রয়েছে। গতকাল আইডিএফ জানিয়েছে, তাদের বিমান বাহিনী তেহরানের বিভিন্ন এলাকায় সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা করেছে। তেহরানের উত্তরাঞ্চল ও পূর্বাঞ্চলীয় শহরতলিতে কিছু ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। কিছু সূত্র বলছে, তেহরানের লাভিজান এলাকাতেও বিমান হামলা হয়েছে। ইরানের গণমাধ্যম তাবনাকের বরাতে বিবিসি বলছে, তেহরানের পূর্ব ও পশ্চিম অংশ ছাড়াও কারাজের বিভিন্ন এলাকায় হামলা করছে ইসরায়েল। জবাবে পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরানও। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ইরান থেকে ইসরায়েলের উদ্দেশে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। পাল্টা হামলার কথা স্বীকার করেছে তেহরানও। ইরানি রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, তারা ইসরায়েলের ওপর নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এসব ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে বলে দাবি করেছে তেহরান। এদিকে ইসরায়েলের হাইফা শহরের অংশের বাসিন্দাদের অবিলম্বে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ইরান।
যুদ্ধ-পরবর্তী ধাপ জানা নেই হোয়াইট হাউজের: হোয়াইট হাউজ বা মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের কেউই এখন পর্যন্ত বলেনি, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে যোগ দিলে শেষ হবে কীভাবে। পরবর্তী ধাপ কী হবে? ফলে অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, ইরানে হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র আর এককভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে না। সিনেটর ক্রিস মারফি বলেন, ‘যারা আজ ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে উল্লাস করছে, তারা খুব তাড়াতাড়ি ভুলে গেছে ইরাক ও আফগানিস্তানের ভয়াবহতা।’ যুক্তরাষ্ট্রের অতীত অভিযানে হাজারো মার্কিন সেনা প্রাণ হারিয়েছে এবং তা আরো জঙ্গিবাদ উসকে দিয়েছে।
ট্রাম্প একসময় নিজেই যুদ্ধের কড়া সমালোচক ছিলেন। সে তিনিই এখন কি নিজের কথার বিপরীতে হাঁটছেন? এ মুহূর্তে ট্রাম্প এমন এক সিদ্ধান্তের সামনে দাঁড়িয়ে, যা তাকে আমেরিকার সাম্প্রতিক ইতিহাসের ঘূর্ণিপাকে ফেলে দিতে পারে। একটি বোমা ফেলার সিদ্ধান্ত হয়তো সহজ। কিন্তু পরের দিন কী হবে, সে প্রশ্নের জবাবটা এখনো নেই।










