চলতি সপ্তাহে শান্তি আলোচনা থেকে যদি গাজায় যুদ্ধবিরতির চুক্তি হয় তবে কেবল সেটিই পারে ইসরায়েলের প্রতি ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলাকে বিলম্বিত করতে। এ কথা বলেছেন ইরানের তিন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। খবর রয়টার্স।

ইরানের মাটিতে হামাস নেতা ইসমাইল হানিয়াকে হত্যার জন্য ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সরাসরি প্রতিশোধ নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরান। গত মাসের শেষের দিকে তেহরান সফরে থাকা হানিয়া নিহত হওয়ার ঘটনায় ইসরায়েলকে দায়ী করেছিল ইরান। ইসরায়েল তাদের জড়িত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত বা অস্বীকার কোনোটিই করেনি।

ইরানের একজন জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলেছেন, গাজা আলোচনা ব্যর্থ হলে বা ইসরায়েল আলোচনা টেনে নিচ্ছে বলে বুঝতে পারলে ইরান, হিজবুল্লাহর মতো মিত্রদের সঙ্গে সরাসরি হামলা চালাবে। তবে হামলার আগে ইরান কতদিন আলোচনার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করবে তা জানায়নি সূত্রগুলো।

হানিয়া এবং হিজবুল্লাহ কমান্ডার ফুয়াদ শোকরের হত্যার পর মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক আকারে যুদ্ধের ঝুঁকি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ইরান সাম্প্রতিক দিনগুলোতে প্রতিশোধ নেয়ার ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে তীব্র বিবাদে জড়িয়েছে।

এক মন্তব্যে গতকাল মঙ্গলবার তুরস্কে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিশ্চিত করেছেন যে, ওয়াশিংটন মিত্রদের মাধ্যমে ইরানকে উত্তেজনা কমাতে রাজি করানোর ব্যাপারে কাজ করতে বলেছে।

জাতিসংঘে ইরানের মিশন শুক্রবার এক বিবৃতিতে বলেছে, ইরান আশা করে তাদের প্রতিক্রিয়া এমনভাবে সময়মতো কার্যকর করা হবে যাতে সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতির ক্ষতি না হয়।