ইসরায়েল ও ইরানের সরাসরি সংঘর্ষ এক ভয়াল ছায়ার মতো পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতিদিন আকাশে ছুটে চলেছে ক্ষেপণাস্ত্র, গর্জে উঠছে যুদ্ধবিমান, আর তার নিচে আতঙ্ক আর অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছে কোটি কোটি নিরীহ সাধারণ মানুষ। যুদ্ধে জড়িত না হয়েও প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর মানুষ প্রতিনিয়ত ভাবছে—পরবর্তী বিস্ফোরণটা কি তাদের ঘরেই হবে? যুদ্ধ দ্বিতীয় সপ্তাহে প্রবেশ করলেও শেষের কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বিশ্লেষকরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্য সম্ভবত দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের দিকেই এগোচ্ছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীও এরই মধ্যে সতর্ক করেছে যে ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে রূপ নিতে পারে। ইসরায়েলের সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল এয়াল জামির ইসরায়েলিদের সতর্ক করে বলেছেন, ‘আগামী দিনগুলো কঠিন হবে। দেশের সবাইকে সেজন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।’
এমন অবস্থায় আতঙ্কিত ইসরায়েল-ইরানের পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর বাসিন্দারা। ‘আমরা প্রতিনিয়ত ভয় পাচ্ছি, মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছি’—বলেন উত্তর জর্ডানের কাফর আসাদ শহরের এক গৃহবধূ ২৮ বছর বয়সী রাওয়ান মুহাইদাত। ইরান থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র যখন জর্ডানের আকাশে প্রতিহত হয় শিশুরা স্তব্ধ হয়ে যায় বিস্ফোরণের শব্দে। তিনি বলেন, ‘প্রতিবার মনে হয়, এই বুঝি শেষটা এল।’
আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলছে ইসরায়েলের অনুরোধে যুক্তরাষ্ট্রের ইরানের গোপন পারমাণবিক স্থাপনাগুলোয় ৩০ হাজার পাউন্ড ওজনের বোমা নিক্ষেপের শঙ্কা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর প্রতিক্রিয়ায় ইরান মার্কিন ঘাঁটি কিংবা তাদের মিত্রদের ওপর প্রতিশোধ নিতে পারে। অথবা হুথি বিদ্রোহীদের মতো প্রক্সি বাহিনী ব্যবহার করে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি অবকাঠামো ও বাণিজ্যপথে হামলা চালাতে পারে।
‘এটা এক প্যান্ডোরার বাক্স খুলে দিচ্ছে’ বলছেন জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যপ্রাচ্য বিশ্লেষক নারগেস বাজোগলি। তার মতে, ‘এ যুদ্ধের শেষ কোথায় সেটা পুরোপুরিই অনিশ্চিত। ইরান কখনো আত্মসমর্পণ করবে না তা জেনেও তাদের আত্মসমর্পণের শর্ত দেয়া দীর্ঘায়িত যুদ্ধের নামান্তর।’
মধ্যপ্রাচ্যের কূটনৈতিক ভারসাম্য গত কয়েক বছরে নাটকীয়ভাবে বদলে গেছে। একসময় ইসরায়েল তার নিরাপত্তার জন্য মূলত ফিলিস্তিন ইস্যুতেই সীমাবদ্ধ ছিল। পাশাপাশি ইরানের সঙ্গে চালাত ছায়াযুদ্ধ—গুপ্তহত্যা, সাইবার হামলা বা সীমিত গোপন অভিযানের মধ্যেই ছিল উত্তেজনা।
তখন অধিকাংশ আরব রাষ্ট্র ইসরায়েলকে ফিলিস্তিন দমনকারী এবং ইরানকে আরব বিশ্বে অশান্তি সৃষ্টিকারী বলে বিবেচনা করত। কিন্তু সময়ের প্রবাহে কিছু আরব রাষ্ট্র যেমন সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করে। ইরানের প্রভাব মোকাবেলায় তেল আবিবকে সম্ভাব্য মিত্র হিসেবে বিবেচনা করতে শুরু করে।
ইরান-ইসরায়েলের এ সংঘাতের সময় আন্তর্জাতিক সংস্থা ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়াগুলো কার্যত নিষ্ক্রিয়। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে যুক্তরাষ্ট্রের ভেটোর কারণে যুদ্ধ বন্ধের কোনো প্রস্তাবই কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা নেই। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ইউরোপীয় নেতাদের স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন—‘বোমার নিচে বসে সংলাপ নয়।’ অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে ইরানে হামলা করবেন কিনা সে সিদ্ধান্ত জানাবেন।
অধ্যাপক নারগেস বাজোগলির মতে, ‘আমরা এক নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় প্রবেশ করছি। এটা যেন এক পুরনো আইন—জোর যার, মুল্লুক তার। পার্থক্য শুধু একটাই এখন হাতে রয়েছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও আরো কার্যকর মারণাস্ত্র।’
ইসরায়েলের হামলায় এখন পর্যন্ত ইরানে ২২৪ জন নিহত হয়েছে। যাদের অধিকাংশই বেসামরিক নাগরিক। ইরানের পাল্টা হামলায় নিহত হয়েছে ইসরায়েলের অন্তত ৩০ জন। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো এ হামলাগুলোকে যুদ্ধাপরাধ হিসেবেও বিবেচনা করছে, যদিও দায়ী পক্ষদের বিচারের আশা একেবারেই ক্ষীণ।
যুদ্ধের জেরে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে অনেক বহুজাতিক কোম্পানি আতঙ্কে জরুরি পদক্ষেপ নিচ্ছে। কর্মীদের নিরাপদে সরিয়ে নেয়া, সংকট মোকাবেলা টিম সক্রিয় করা এবং ব্যবসায়িক ধারাবাহিকতা রক্ষার বিকল্প রুট খোঁজার মতো পদক্ষেপ বাস্তবায়নের পথে রয়েছে তারা। বিশেষ করে বাণিজ্য ও লজিস্টিক খাতে সতর্কতা বাড়ছে। কারণ ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিতে পারে এমন জোর সম্ভাবনা রয়েছে। বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশ সমুদ্রপথে তেল পরিবহন এ প্রণালির মধ্য দিয়ে হয়। এছাড়া এ অঞ্চলের অনেক বিদেশী কর্মী আতঙ্কে রয়েছে, অনেকে নিরাপদ বোধ করছেন না। দোহার এক প্রবাসী বিনিয়োগ ব্যবস্থাপক আকবর খান বলেন, ‘এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিকভাবেই চলছে। কিন্তু লোকেরা চিন্তিত। আতঙ্কের মধ্যেও অনেক প্রবাসী কর্মী স্থিতিশীল থাকার চেষ্টা করছে। যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে কী হয় বলা যায় না।’
এ যুদ্ধ দুই দেশের সীমানা ছাড়িয়ে গোটা অঞ্চলে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। সৌদি আরব, মিসর ও সংযুক্ত আরব আমিরাত চেষ্টা করছে নিজেদের যুদ্ধের বাইরে রাখতে। তারা এরই মধ্যে তেহরানের সঙ্গে কূটনৈতিক উত্তেজনা প্রশমনের পথে হাঁটছে। কিন্তু এ দ্বৈরথে তারা কাকে সমর্থন করছে—তা স্পষ্ট নয়। তারা ইসরায়েলের গাজা আগ্রাসনের সমালোচনা করেছে, একই সঙ্গে ইরানের ধর্মীয় অভিজাতদের প্রতি তাদের বিরূপ মনোভাবও স্পষ্ট। ব্লুমবার্গ ইকোনমিকসের বিশ্লেষক দিনা এসফান্দিয়ারি বলেন, ‘এ অঞ্চলের অনেকেই নীরবে খুশি যে ইসরায়েল ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব এবং প্রক্সি বাহিনীগুলোকে একের পর এক লক্ষ্যবস্তু করছে। ইরানের পরমাণু বিজ্ঞানী ও শীর্ষ কমান্ডারদের মৃত্যু তাদের দৃষ্টিতে একটা করে হুমকি সরে যাওয়া।’ কিন্তু একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো ইসরায়েলের ভবিষ্যৎ কার্যকলাপ নিয়েও উদ্বিগ্ন। ‘ইসরায়েল পরবর্তী পদক্ষেপে কোথায় যাবে—এটাই এখন সবার প্রশ্ন’, বলেন এসফান্দিয়ারি।
হামলা-পাল্টাহামলা অব্যাহত: গতকালও ইরানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক পোস্টে এ কথা জানিয়েছে। তবে নির্দিষ্ট কোন এলাকায় হামলা চালানো হচ্ছে, তা স্পষ্ট করা হয়নি। ইরানের স্থানীয় ইরান গণমাধ্যমগুলোর বরাত দিয়ে আল জাজিরার খবরে বলা হয়, খুজেস্তান প্রদেশের আহভাজ শহর এবং মহশাহর বন্দরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। গতকাল পৃথক এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ বলেছেন, ইরানের কোম শহরের একটি অ্যাপার্টমেন্টে হামলায় ইরানি বিপ্লবী গার্ডের বিদেশী শাখা কুদস ফোর্সের ফিলিস্তিন কর্পসের নেতৃত্বদানকারী সাইদ ইজাদি নিহত হয়েছেন। তাকে হত্যার ঘটনাকে ‘ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা এবং বিমান বাহিনীর জন্য একটি বড় অর্জন’ বলে অভিহিত করেছে তেল আবিব। এছাড়া এদিন ইরানের মধ্যাঞ্চলীয় শহর ইসফাহানে শক্তিশালী বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) ঘনিষ্ঠ ফার্স নিউজ এজেন্সির বরাতে এ তথ্য জানায় আল জাজিরা। ইসফাহান শহরে অবস্থিত ইরানের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক গবেষণা কমপ্লেক্স ইসফাহান নিউক্লিয়ার টেকনোলজি সেন্টার।
পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরানও। এর মধ্যে ইরানের দুটি ড্রোন ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে দেশটির উত্তরাঞ্চলে ও দক্ষিণাঞ্চলে পৃথক হামলা চালিয়েছে। হামলার বিষয়টি স্বীকার করে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, এটি একটি বিরল ঘটনা, যেখানে ইরানের একমুখী আক্রমণাত্মক ড্রোন সফলভাবে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অতিক্রম করতে সক্ষম হয়েছে। এছাড়া গতকাল ভোরে নতুন করে ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষাকে ফাঁকি দিয়ে তেল আবিব শহরের প্রাণকেন্দ্রে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে বলে দাবি করেছে তেহরান। ইসরায়েলের টিভি চ্যানেল ১২ ও দেশটির বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, ইরান থেকে আজ সকালে ১০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে, যার মধ্যে ৫টি নিষ্ক্রিয় করা সম্ভব হয়েছে। একটি ক্ষেপণাস্ত্র তেল আবিবের দক্ষিণের হোলন শহরে আঘাত হানে বলে খবর পাওয়া যায়। হামলায় সেখানে একটি বহুতল ভবনে আগুন ধরে যায় এবং সেটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
আক্রমণ বন্ধ না হলে আলোচনা নয়: ইরানের সঙ্গে ইসরায়েলের ‘দীর্ঘস্থায়ী’ সংঘাতের হুঁশিয়ারির মধ্যে তেহরান বলেছে, আক্রমণের মুখে থাকা অবস্থায় তারা পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে কোনো আলোচনায় বসবে না। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জেনেভায় ইউরোপীয় কূটনীতিকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এর পরই আরাগচি বলেন, ‘ইসরায়েলের আগ্রাসন বন্ধ হলেই কেবল ইরান কূটনীতির কথা বিবেচনা করবে। আমি স্পষ্টভাবে বলছি, ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা কোনো আলোচনার বিষয় নয়।’
ইসরায়েলের হামলায় ইরানে নিহত ৪৩০: ইসরায়েলের হামলায় ইরানে এ পর্যন্ত অন্তত ৪৩০ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে ৩ হাজার ৫০০ মানুষ। গতকাল ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে স্থানীয় নউর নিউজ এজেন্সি হতাহতের হালনাগাদ এ তথ্য প্রকাশ করেছে। ইরানের পক্ষ থেকে গত কয়েকদিনের মধ্যে নিহতের সংখ্যা নিয়ে এই প্রথম সরকারি তথ্য প্রকাশ করা হলো। এদিকে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সংঘাত শুরুর পর থেকে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় দেশটিতে ২৪ জন বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছে।
উত্তরসূরি নির্বাচিত করেছেন খামেনি: নিউইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইসরায়েলি আক্রমণের মধ্যে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি তার জীবন এবং ইসলামী প্রজাতন্ত্রের নেতৃত্ব কাঠামো উভয়কেই রক্ষা করার জন্য উত্তরসূরি হিসেবে তিনজন সিনিয়র ধর্মীয় নেতার নাম জানিয়েছেন। জরুরি যুদ্ধ পরিকল্পনার সঙ্গে পরিচিত তিনজন ইরানি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খামেনি ইলেকট্রনিক যোগাযোগ স্থগিত করেছেন এবং শনাক্তকরণ এড়াতে একজন ‘বিশ্বস্ত সহকারীর’ মাধ্যমে কমান্ডারদের সঙ্গে কথা বলছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উত্তরসূরিদের মধ্যে খামেনির পুত্র মোজতবার নাম নেই। উত্তরসূরির দৌড়ে আছেন মূলত তিনজন সিনিয়র আলেম—যাদের নাম প্রকাশ করা হয়নি। তবে বিশ্লেষকদের ধারণা, এতে আলিরেজা আরাফি, হাশেম হোসেইনি বুশেহরি ও আরো একজন উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন ধর্মীয় নেতার নাম রয়েছে।
প্রশান্ত মহাসাগরের দিকে যাচ্ছে বি-২ স্টিলথ বোমারু বিমান : যুক্তরাষ্ট্রের বি-২ স্টিলথ বোমারু বিমান প্রশান্ত মহাসাগরের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, মিসৌরির হোয়াইটম্যান এয়ার ফোর্স বেজ থেকে উড্ডয়ন করেছে বি-২ বোমারু বিমান। যেগুলো ৩০ হাজার পাউন্ড ওজনের ‘বাংকা-বাস্টার’ বোমা বহনে সক্ষম। এ বিমানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভূগর্ভস্থ ফোরদো পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলা করতে পারে বলে জোর সম্ভাবনা রয়েছে। আল জাজিরার খবরে বলা হয়, বি-২ বোমারু বিমানগুলো ভারত মহাসাগরের দিয়েগো গার্সিয়া অথবা গুয়াম ঘাঁটিতে স্থানান্তর করা হতে পারে। দিয়েগো গার্সিয়াতে এই বিমানগুলো মোতায়েনের মানে হলো, এই ঘাঁটি থেকে ওড়ার পর একবার মাত্র জ্বালানি নিয়ে ইরানে হামলা চালাতে পারবে।










