প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাণিজ্যনীতি সুরক্ষাবাদী অভিহিত হলেও এর প্রভাবে মার্কিন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। এমনকি বিশ্বের বৃহত্তম এ অর্থনীতির ভবিষ্যৎ নিয়ে অর্থনীতিবিদদের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। শুক্রবার প্রকাশিত কর্মসংস্থান প্রতিবেদনকে তার ইঙ্গিত হিসেবে ধরছেন তারা। যদিও প্রতিবেদন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে ব্যুরো অব লেবার স্ট্যাটিসটিকসের (বিএলএস) পরিচালক এরিকা ম্যাকএনটারফারকে বরখাস্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। খবর এপি।

মার্কিন শ্রম দপ্তর প্রকাশিত তথ্যানুসারে, যুক্তরাষ্ট্রে গত মাসে ৭৩ হাজার নতুন চাকরি যোগ হয়েছে। অথচ বিশ্লেষকদের প্রত্যাশা ছিল ১ লাখ ১৫ হাজার। উদ্বেগজনক বিষয় হলো মে ও জুনে যে পরিমাণ চাকরি হিসাব করা হয়েছিল সংশোধনীতে, সেখান থেকে বাদ পড়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার।

এছাড়া বেকারত্বের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ২ শতাংশ। কারণ অনেক মার্কিন শ্রমবাজার ছেড়ে গেছেন। গত মাসে বেকারের সংখ্যা বেড়েছে ২ লাখ ২১ হাজার।

বিএমও ক্যাপিটাল মার্কেটসের যুক্তরাষ্ট্রবিষয়ক প্রধান অর্থনীতিবিদ স্কট অ্যান্ডারসন বলেন, ‘মার্কিন শ্রমবাজারে অবনতির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বাণিজ্যযুদ্ধ ও কঠোর অভিবাসন নীতির কারণে আমরা এ পরিস্থিতি আগে থেকেই অনুমান করছিলাম। এ প্রতিবেদনের রিপোর্ট শ্রমবাজারে গভীর সংকটের আশঙ্কাকে স্পষ্ট করে তুলেছে।’

মার্কিন কর্মসংস্থান প্রতিবেদনের তথ্য ওয়াল স্ট্রিটে ধস নামিয়ে দিয়েছে। শুক্রবার ডাও জোন্স সূচক ৬০০ পয়েন্টের বেশি পড়ে যায়।

এদিকে চাকরির প্রতিবেদনের পর ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে জানান, শ্রম পরিসংখ্যান ব্যুরোর পরিচালক এরিকা ম্যাকএন্টারফারকে বরখাস্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।