ভারতে বিহার রাজ্যের জেহানাবাদ মহকুমার একটি মন্দিরে পদদলিত হয়ে তিন নারীসহ সাত জন নিহত হয়েছেন। গতকাল (১১ আগস্ট) রাতে বারাভার পাহাড়ে বাবা সিদ্ধেশ্বর নাথ মন্দিরে পদদলিত হয়ে আরো অন্তত ৩৫ জন আহত হয়েছেন। অনেকের অবস্থাই গুরুতর। তাই নিহতের সংখ্যা আরো বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। খবর এনডিটিভি।
ভিড় নিয়ন্ত্রণে বল প্রয়োগের পর পদদলিত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া, সেখানে প্রশাসনের কেউ ছিল না বলেও দাবি করেছে উপস্থিত ভক্তরা। পুলিশ কর্তৃপক্ষ অবশ্য তাদের পক্ষ থেকে কোনো অবহেলার কথা স্বীকার করেনি। জেহানাবাদের টাউন ইন্সপেক্টর দিবাকর কুমার বিশ্বকর্মা নিশ্চিত করেছেন যে, জেহানাবাদ মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য সাতটি মৃতদেহ এসেছে।
প্রতি বছর শ্রাবণ মাসে ধর্মীয় অনুষ্ঠানের ধারাবাহিকতায় এবারও সিদ্ধেশ্বর নাথ মন্দিরে জড়ো হয়েছিল সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। মন্দিরে উপস্থিত ব্যক্তিরা বলেছেন, সেখানে প্রশাসনের ব্যবস্থা না থাকায় পদদলিত হয়েছেন অনেকে। ভিড় ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত ন্যাশনাল ক্যাডেট কর্পসের (এনসিসি) কয়েকজন স্বেচ্ছাসেবক আগত ভক্তদের ওপর লাঠি প্রয়োগ করেন। এর ফলে পদদলিত হয়ে এই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলে একজন ভুক্তভোগীর আত্মীয় গণমাধ্যমকে বলেন।
মন্দিরে উপস্থিত এক ভক্ত জানান, ফুল-বিক্রেতার সঙ্গে সংঘর্ষের পর স্বেচ্ছাসেবকরা লাঠিচার্জ করে। তিনি অভিযোগ করেন, সেখানে প্রশাসনের কেউ ছিল না। পুলিশ প্রশাসনের গাফিলতির কারণে এমনটি ঘটেছে।
এনসিসি স্বেচ্ছাসেবকরা ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে লাঠি ব্যবহার করেছিল বলে যে অভিযোগ উঠেছে তা অস্বীকার করেছেন জেহানাবাদের মহকুমা কর্মকর্তা (এসডিও) বিকাশ কুমার। পুলিশ প্রশাসনের গাফিলতির অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এমন কিছু ঘটেনি। যা ঘটেছে তা দুর্ভাগ্যজনক। সেখানে কঠোর নজরদারি ছিল। ফোর্স (এনসিসি), সিভিল ডেপুটেশন এবং মেডিকেল টিমসহ পর্যাপ্ত ব্যবস্থা করা হয়েছিল। ময়নাতদন্তের পরে আমরা আরো বিস্তারিত জানাব।
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অলঙ্কৃতা পান্ডে পিটিআইকে বলেন, পদদলিত হওয়ার ঘটনাটি কানওয়ারিয়াদের মধ্যে বিবাদের কারণে হয়েছে।










