আজারবাইজান থেকে রাশিয়ার উদ্দেশে যাত্রা করা একটি যাত্রীবাহী বিমান গতকাল বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) কাজাখস্তানের আকতাউ শহরের কাছে বিধ্বস্ত হয়েছিল। ভয়াবহ এ দুর্ঘটনায় ৩৮ জন নিহত হয়েছেন। বিমানে ৬২ যাত্রী এবং ৫ জন ক্রু ছিলেন। উদ্ধার পাওয়া ২৯ জনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। খবর রয়টার্স।
আজারবাইজান এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট জে২-৮২৪৩ আজারবাইজান থেকে রাশিয়ায় যাওয়ার নির্ধারিত রুট থেকে শত শত মাইল দূরে ক্যাস্পিয়ান সাগরের বিপরীত তীরে বিধ্বস্ত হয়। রাশিয়ার বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানিয়েছে, পাখির সঙ্গে ধাক্কার লাগার ফলে জরুরি ব্যবস্থা মগ্রহণ করতে হয়েছিল হয়তো পাইলটকে। আর এ কারণেই দুর্ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে। তবে একজন বিমান চলাচল বিশেষজ্ঞ এই কারণকে অনেকটা অসম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন।
কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে ব্যাখ্যা করেনি কেন বিমানটি সমুদ্র পাড়ি দিয়েছিল। তবে দুর্ঘটনাটি এমন সময় ঘটেছে যখন এই মাসে রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের চেচনিয়া অঞ্চলে আঘাত হেনেছিল ইউক্রেনীয় ড্রোন। বিমানটির রুটে নিকটবর্তী রুশ বিমানবন্দর বুধবার সকালে বন্ধ ছিল।
চেচেন শহর গ্রোজনিতে এই মাসের হামলা চালানোর কথা স্বীকার করেনি কিয়েভ। আর গ্রোজনি ছিল ওই ফ্লাইটের গন্তব্য।
আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ জানিয়েছেন, তার প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী বিমানটি খারাপ আবহাওয়ার কারণে পথ পরিবর্তন করেছিল। তবে তিনি যোগ করেছেন, দুর্ঘটনার সঠিক কারণ অজানা এবং এর পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।
দুর্ঘটনার ভিডিওতে দেখা গেছে, বিমানটি দ্রুত নেমে আসে এবং ভূমিতে আঘাত করার সঙ্গে সঙ্গেই আগুন ধরে যায়। পরে কালো ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়। বিমানের একটি অক্ষত অংশ থেকে রক্তাক্ত এবং আহত যাত্রীদের বের হতে দেখা গেছে।










