মাতাল অবস্থায় পাইলিটকে উড়োজাহাজ চালাতে দেন এমন এয়ারলাইন খুঁজে পাওয়া কঠিন হবে। তবে সম্প্রতি ভারতে নতুন একটি প্রস্তাবিত প্রবিধান অনুসারে সুগন্ধি ব্যবহারকারী পাইলটের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে পারবে। খবর সিএনএন।

ভারতের বেসামরিক বিমান চলাচলের মহাপরিচালকের কার্যালয় (ডিজিসিএ)  সম্প্রতি অ্যালকোহল সেবন সংক্রান্ত তার উপবিধি সংযোজনের প্রস্তাব করেছে।

পূর্বের নির্দেশিকাগুলোতে অ্যালকোহলযুক্ত পানীয় ব্যতীত অন্যান্য জিনিসগুলোরও উল্লেখ রয়েছে যেমন মাউথওয়াশ। তবে এখন সেই তারিকায় সুগন্ধির তালিকাও যুক্ত হতে পারে।  

প্রবিধানে বলা হয়েছে, ‘ক্রু সদস্যরা কোনো ওষুধ/ফর্মুলেশন সেবন করবেন না বা মাউথওয়াশ/টুথ জেল/পারফিউম বা অ্যালকোহলযুক্ত উপাদান আছে এমন কোনো পণ্য ব্যবহার করবেন না। এটি শ্বাস প্রশ্বাস বিশ্লেষক পরীক্ষায় ইতিবাচক ফলাফল আনতে পারে। ‘যেকোন ক্রু সদস্য যারা এই জাতীয় ওষুধ নিচ্ছেন তারা ফ্লাইং অ্যাসাইনমেন্ট নেওয়ার আগে কোম্পানির ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করবেন।’ 

যদিও সুগন্ধি অ্যালকোহলের ট্রেস পরিমাণ থাকতে পারে। তবে এটি স্পষ্ট নয় যে কারো শরীরে সুগন্ধির কারণে শ্বাস প্রশ্বাসের ফলাফল ভুল আসবে কিনা।

ডিজিসিএর অফিসিয়াল এয়ার সেফটি প্রয়োজনীয়তাগুলো ২০১৫ সালের আগস্টে অনুমোদন করা হয়েছিল। নতুন প্রস্তাবিত সংযোজনটি ৫ অক্টোবরের মধ্যে জনসাধারণের মন্তব্যের জন্য অপক্ষো করছে। 

পাইলট মাতলামি অনেক ক্ষেত্রেই উড়োজাহাজ উড্ডয়নে সমস্যা সৃষ্টি করে।  ২০১৮ সালে, জাপান এয়ারলাইন্সের একজন পাইলট কাতসুতোশি জিতসুকাওয়াকে ১০ মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছিল । কারণ টেক অফের পরপরই নেওয়া একটি শ্বাস পরীক্ষায় দেখানো হয়েছিল যে তার রক্তে অ্যালকোহলের মাত্রা আইনি সীমার নয় গুণ ছিল।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, গ্যাব্রিয়েল লাইল শ্রোডার নামে একজন ডেল্টা পাইলটকে অ্যালকোহলের প্রভাবে সন্দেহ করা হলে তাকেন প্রি-টেকঅফ থেকে বের করে দেয়া হয়েছিল।