২০২৪ সালের আগস্টের তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে বিশ্বব্যাপী আকাশপথে ভ্রমণের চাহিদা বেড়েছে ৪ দশমিক ৬ শতাংশ। আন্তর্জাতিক এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের (আইএটিএ) সাম্প্রতিক তথ্য থেকে দেখা যাচ্ছে, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেও এভিয়েশন খাত স্থিতিশীল ও চাহিদা পুনরুদ্ধারের সক্ষমতা দেখাচ্ছে। খবর আনাদোলু।
কিলোমিটার প্রতি আসন অনুসারে উড়োজাহাজের যাত্রী ধারণক্ষমতা আগস্টে বেড়েছে ৪ দশমিক ৫ শতাংশ। বিশ্বব্যাপী লোড ফ্যাক্টর অর্থাৎ আসন পূর্ণ থাকার হার রেকর্ড ৮৬ শতাংশে পৌঁছেছে। এটি গত বছরের একই মাসের তুলনায় দশমিক ১ শতাংশ বেশি। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, উড়োজাহাজ সংস্থাগুলো দক্ষতার সঙ্গে নিজেদের সক্ষমতা ব্যবহার করে যাত্রী চাহিদা মেটাচ্ছে।
তুলনামূলকভাবে আগস্টে আন্তর্জাতিক যাত্রী চাহিদা বেশি বেড়েছে, এর আকার ছিল ৬ দশমিক ৬ শতাংশ। বিশেষ করে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের এয়ারলাইনসগুলো এতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে। চীন ও জাপানে আকাশ যাত্রী বেড়েছে ৯ দশমিক ৮ শতাংশ। ইউরোপিয়ান এয়ারলাইনসেও আন্তর্জাতিক যাত্রীর চাহিদা ৫ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়েছে। অন্যদিকে স্থানীয় বাজারগুলোয় যাত্রীর চাহিদা ধীরগতিতে বাড়ছে, আগস্টে বার্ষিক হার ছিল ১ দশমিক ৫ শতাংশ। এর মধ্যে ব্রাজিলে দেশীয় চাহিদা ১২ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে, যাতে সরকারি পর্যটন প্রচারণা বিশেষ ভূমিকা রেখেছে।
আগস্টে বিশ্বব্যাপী এয়ার কার্গোর চাহিদা বেড়েছে ৪ দশমিক ১ শতাংশ, এটি ধারাবাহিকভাবে টানা ষষ্ঠবারের মতো প্রবৃদ্ধি। এর অন্যতম কারণ হলো কিছু উচ্চমূল্য পণ্য সমুদ্রপথের পরিবর্তে উড়োজাহাজযোগে পাঠানো হচ্ছে এবং উত্তর আমেরিকা থেকে ইউরোপ-এশিয়া, আফ্রিকা-এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্য-এশিয়া রুটে কার্গো স্থানান্তর বেড়েছে। এ অভিযোজন ক্ষমতা বৈশ্বিক বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে জানিয়েছে আইএটিএ।










