যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, বিকল্প যুদ্ধ এড়াতে এখনও আলোচনার পথ খোলা রাখার চেষ্টা চলছে। খবর সিএনএন

তবে এই প্রচেষ্টা বড় ধরনের বাধার মুখে পড়েছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির পক্ষ থেকে কোনো সাড়া মিলছে না। সাম্প্রতিক উত্তেজনার মধ্যে একটি গোপন স্থানে সরে গেছেন, যার ফলে ইরানের ভেতরেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় জটিলতা তৈরি হয়েছে।

মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, ৮৬ বছর বয়সী খামেনির অনুমোদন ছাড়া কোনো গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।

সূত্র জানায়,খামেনির সঙ্গে যোগাযোগ কঠিন হয়ে পড়েছে। তিনি এখনো কোনো বার্তা প্রকাশ করেননি।

এই অবস্থায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পরোক্ষ বা মধ্যস্থতার মাধ্যমে যেসব যোগাযোগ চলছে, তা ধীর এবং অস্পষ্ট। তবুও ট্রাম্প আশাবাদী যে, সপ্তাহান্তের মার্কিন হামলার পর ইরান আবারো আলোচনার টেবিলে ফিরবে।

হোয়াইট হাউজ সূত্র বলছে, যুক্তরাষ্ট্র হামলার আগে ইরানকে একটি বার্তা পাঠিয়েছিল যে, এই পদক্ষেপ সীমিত থাকবে এবং কূটনৈতিক সমাধান এখনও ট্রাম্পের অগ্রাধিকার।