আগামী সেপ্টেম্বরে ক্ষমতাসীন দলের প্রধানের পদ থেকে সরে দাঁড়াবেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা। আজ বুধবার (১৪ আগস্ট) গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়েছে। কিশিদার পদত্যাগের মাধ্যমে শেষ হবে তার তিন বছরের শাসনকাল যেখানে মূল্যবৃদ্ধি এবং রাজনৈতিক কেলেঙ্কারির কারণে সমালোচিত হয়েছে তিনি। খবর রয়টার্স।
জাপানের ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রধানের পরবর্তী নির্বাচনে কিশিদা দাঁড়াচ্ছেন না। জাপানের জ্যেষ্ঠ প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে দেশটির রাষ্ট্রীয় প্রচারমাধ্যম এনএইচকেসহ স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যম খবরটি জানিয়েছে।
কিশিদা তার জনসমর্থন ব্যাপকহারে কমে যেতে দেখেছেন বলেই নির্বাচন করবেন না, এমনটি বলা হয়েছে গণমাধ্যমে। এলডিপির একজন মুখপাত্র এ ব্যাপারে মন্তব্য করতে রাজি হননি। কিশিদার পদত্যাগের সিদ্ধান্তে এলডিপির প্রধান হিসেবে কে তার জায়গা নেবেন তা নিয়ে শুরু হতে পারে প্রতিযোগিতা।
কিশিদার জায়গায় যিনি আসবেন তিনি জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং আগামী বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তনের সম্মুখীন হতে পারেন।
কোভিড মহামারীর সময়ে জাপানের নেতৃত্বে ছিলেন ফুমিও কিশিদা। বড় আকারের আর্থিক প্রণোদনার মাধ্যমে মহামারীর সময় দেশ সামলিয়েছেন তিনি। জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (বিওজে) প্রধান হিসেবে তিনি কাজুও উয়েদাকে নিয়োগ দেন। এরপর গত জুলাই অপ্রত্যাশিতভাবে সুদের হার বাড়িয়েছে বিওজে। এতে অস্থিতিশীল হয়েছে স্টক মার্কেট এবং ইয়েনের দর অনেকটাই কমেছে।










