সুদানের ওমদুরমানের একটি বাজারে দেশটির সেনাবাহিনীর গোলাবর্ষণে কমপক্ষে ৩০ জন নিহত হয়েছেন। এ নিয়ে জনবহুল শহরটির বাসিন্দারা এপ্রিলে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর সবচেয়ে খারাপ সপ্তাহ দেখল।

এক প্রতিবেদনে দ্য গার্ডিয়ান জানায়, গত মঙ্গলবার (১১ জুলাই) শাবি সউকের এ ঘটনায় নিহতদের বেশিরভাগই শিশু ও নারী।

আধা-সামরিক র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সের (আরএসএফ) সঙ্গে তীব্র লড়াই চলছিল ওই এলাকায়। এ সময় সেনা নিয়ন্ত্রিত কারি সামরিক ঘাঁটি থেকে গোলা ছোঁড়া হয়েছিল।

একজন সবজি বিক্রেতা জানান, নিহতের বেশির ভাগই বাজারে পণ্য চুরি করতে আসা মানুষ।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সুদানে দ্রুত বেড়েছে খাদ্যের দাম। ওমদুরমান, খার্তুম ও বাহরির বাসিন্দারা এখন তীব্র অর্থ সংকটে ভুগছেন।

ওই সবজি বিক্রেতা বলেন, বাজার খুব বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে, বিশেষ করে বিকালে। এখানে এলেই আপনি গোলা আঘাতে মারা যেতে পারেন।

অন্য এক সবজি বিক্রেতা জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কিছু মৃতদেহ অনাবৃতই পড়েছিল। শুধু শিশুদের দেহ খালি বাক্স দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছিল।

সুদানের অন্যান্য প্রধান শহরের মতো ১৫ এপ্রিল সেনাবাহিনী ও আরএসএফের সংঘর্ষে যুদ্ধক্ষেত্র হয়ে উঠেছে ওমদুরমানের বেশিরভাগ অংশ। বাজারের চারপাশের সড়ক এখন সেনা স্নাইপারদের দ্বারা দখলে।

এর আগে গত ৮ জুলাই বিমান হামলায় ওমদুরমানের দার এস সালাম পাড়ায় ৩৮ জন নিহত হন। ওই ঘটনায় সামরিক বাহিনীকে দায়ী করেছে আরএসএফ।

পরদিনই মসজিদে বিমান হামলায় বাহরিতে এক পরিবারের নয়জন নিহত হয়েছেন। ওই পরিবারের প্রধান ছিলেন মসজিদের মুয়াজ্জিন।

এদিকে গতকাল পশ্চিম দারফুরে গণকবর পাওয়ার কথা জানিয়েছে জাতিসংঘ। যেখানে কমপক্ষে ৮৭টি মরদেহ রয়েছে।