আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে জাপানে জনসংখ্যা হ্রাসের গতি এখন সবচেয়ে বেশি। একই সময় বিদেশী বাসিন্দা বৃদ্ধিতে নতুন রেকর্ড হয়েছে। আজ বুধবার (২৬ জুলাই) প্রকাশিত সরকারি তথ্য অনুযায়ী এ সংখ্যা ৩০ লাখে উন্নীত হয়েছে। খবর রয়টার্স।

এ তথ্য স্পষ্ট করে দিচ্ছে, স্থানীয় জনসংখ্যার সংকোচনের কালে জাপানের অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা পালন করছে বিদেশীরা।

এ নিয়ে টানা ১৪ বছর জনসংখ্যার পতন দেখছে জাপান। আগের বছরের চেয়ে জাপানি নাগরিক আট লাখ কমে ২০২২ সালের শেষ নাগাদ দাঁড়ায় ১২ কোটি ২৪ লাখ ২০ হাজারে। গত ১ জানুয়ারি আবাসিক নিবন্ধনের পরিসংখ্যান থেকে এই তথ্য প্রকাশ করে স্বরাষ্ট্র ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়।

সেখানে দেখা যায়, প্রথমবারের মতো ৪৭টি প্রিফেকচারের সবকটিতে জাপানি বাসিন্দা কমেছে। জাপানের সামগ্রিক জনসংখ্যা ১২ কোটি ৫৪ লাখ ১০ হাজারে নেমে এসেছে। আগের বছরের চেয়ে কমেছে প্রায় ৫ লাখ ১১ হাজার।

দেশটিতে জনসংখ্যা ২০০৮ সালে শীর্ষে পৌঁছায়। কম জন্মহারের কারণে এরপর থেকে হ্রাস পেয়ে আসছে। যা গত বছর ছিল রেকর্ড সর্বনিম্ন।

তথ্য অনুসারে, গত ১ জানুয়ারি জাপানে আবাসিক ঠিকানা আছে এমন বিদেশী নাগরিকের সংখ্যা ২৯ লাখ ৯০ হাজারেরও বেশি। যা এক বছর আগের তুলনায় ১০ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক দশক ধরে জাপানি নয় এমন বাসিন্দাদের তথ্য রাখছে। ওই অনুসারে বছরের পর বছর বিদেশী বাসিন্দার হার বেড়েছে। এর মধ্যে সর্বশেষ বছরে রেকর্ড করেছে।

জনসংখ্যার ৪ দশমিক ২ শতাংশ বিদেশীর বেশির ভাগের আবাস রাজধানী টোকিওতে, পাঁচ লাখ ৮১ হাজার ১১২ জন। গত বছর অ-জাপানি জনসংখ্যার সবচেয়ে বৃদ্ধিও এখানে।

এদিকে ক্রমহ্রাসমান জন্মহারকে বিপরীতে দিকে নিয়ে যেতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা। উচ্চ সরকারি ঋণ সত্ত্বেও শিশু লালন-পালন ও দম্পতিদের সহায়তার জন্য বেশি কিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এ খাতে বছরে ব্যয় হবে ৩৫০ কোটি ইয়েন।