জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে রেকর্ড বৃষ্টিপাতে
সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে ছয়জন মারা গেছেন। নিখোঁজ রয়েছেন তিনজন। খবর দ্য গার্ডিয়ান।
দেশটির প্রধান চার দ্বীপের একটি কিউশুর
বাসিন্দাদের সতর্ক করেছে আবহাওয়া অফিস। ভারী বৃষ্টিপাতের পর পাহাড়ি এলাকায় আরো ভূমিধসের
জন্য আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আজ মঙ্গলবার (১১ জুলাই) দ্বীপের উত্তর
অংশের জন্য ঘোষিত ভারী বৃষ্টির বিশেষ সতর্কতা কমানো হয়েছে। এ অঞ্চলে ১৭ লাখ মানুষের
বাস।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জাপানে অস্বাভাবিকভাবে
বেড়েছে ভারী বৃষ্টিপাত। আঘাত হেনেছে শক্তিশালী টাইফুন। যার কারণ হিসেবে জলবায়ু সংকটকে
সামনে আনা হচ্ছে।
আবহাওয়া সংস্থার কর্মকর্তা সাতোশি সুগিমোতো
বলেছেন, এই অঞ্চলে ‘এটিই সবচেয়ে ভারী বৃষ্টিপাত’। এ পরিস্থিতিতে
স্থানীয়দের জীবনতে ঝুঁকিতে পড়েছে। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
প্রধান মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিরোকাজু মাতসুনো
বলেছেন, প্রবল বৃষ্টির ফলে ছয় জনের মৃত্যুর তথ্য জানা গেছে।
আরো জানান, নদীর বাধ উপচে পানি পড়ছে। বুলেট
ট্রেন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। সেইসঙ্গে সড়ক যোগাযোগ ও পানি সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, দুর্যোগ
পরিস্থিতির সমন্বয়ে একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে।
জাপানে ভূমিধসকে গুরুতর ঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা
করা হয়। এখানে পাহাড়ি এলাকা ও পাহাড়ের পাদদেশে সমতল ভূমিতে অনেক বাড়ি রয়েছে।
২০২১ সালে আতামির হট স্প্রিং রিসোর্টে
ভূমিধসের ঘটনায় ২৭ জন নিহত হয়েছিল। এর আগে ২০১৮ সালের বর্ষাকালে পশ্চিম জাপানে বন্যা
ও ভূমিধসে দুই শতাধিক মানুষ মারা যায়।










