গতকাল নিউইয়র্ক পোস্টকে দেয়া বক্তব্যে ট্রাম্প জানান, স্থল অভিযানের বিষয়ে তিনি আগেভাগে কোনো কঠোর প্রতিশ্রুতি দিতে চান না। তার ভাষায়, ‘সব প্রেসিডেন্টই বলে স্থল সেনা পাঠানো হবে না। আমি সেটা বলি না। আমি বলি সম্ভবত লাগবে না বা প্রয়োজনে লাগতে পারে।’

তিনি যোগ করেন, ‘আমি বড়জোর বলতে পারি যে সম্ভবত আমাদের তাদের প্রয়োজন নেই; কিন্তু যদি পরিস্থিতি তেমন দাঁড়ায় যে তাদের প্রয়োজন, তবে অবশ্যই তাদের পাঠানো হবে।’

ইরানে হামলা নিয়ে দেশটির ভেতরে বিরোধিতামূলক জনমত জরিপ প্রকাশ হলেও তাতে বিচলিত নন বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। সপ্তাহান্তে প্রকাশিত রয়টার্স/ইপসস জরিপে দেখা যায়, ইরানে হামলার বিষয়ে ৪৩ শতাংশ আমেরিকান অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তবে ট্রাম্প বলেন, তিনি পোলিং দিয়ে সিদ্ধান্ত নেন না; তার কাজ হলো ঠিক কাজটা করা। ট্রাম্পের বক্তব্য, ‘আপনি ইরানকে যে দেশটা পাগল লোকেরা চালিয়েছে সেটাকে পারমাণবিক অস্ত্র পেতে দিতে পারেন না।’

এদিকে গতকাল সকালে সিএনএনকে দেয়া এক ফোন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানকে ভয়াবহভাবে আঘাত করছে; তবে ‘বড় ঢেউ’ এখনো আসেনি। সিএনএনের জেক ট্যাপারকে তিনি বলেন, ‘আমরা ওদের (ইরানকে) ধ্বংস করে দিচ্ছি...এটা খুব শক্তিশালী। আমাদের বিশ্বের সেরা সামরিক বাহিনী আছে এবং আমরা সেটা ব্যবহার করছি।’ একই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প সংঘাতের সম্ভাব্য মেয়াদ, ইরানের ব্যাপক পাল্টা প্রতিক্রিয়া এবং নেতৃত্ব-উত্তরাধিকার পরিকল্পনা নিয়েও কথা বলেন।

তিনি সবাইকে সতর্ক করে বলেন, ‘এখন সবাইকে ঘরের ভেতরে থাকতে হবে। বাইরে নিরাপদ নয়।’ এর পরই তিনি যোগ করেন, ‘পরিস্থিতি আরো অনিরাপদ হতে যাচ্ছে এবং আমরা এখনো ওদের বড় আঘাত করাই শুরু করিনি। বড় ঢেউ এখনো হয়নি। বড়টা শিগগিরই আসছে।’