এ বছর একদিকে অতিবৃষ্টিতে ভাসছে ভারত, দক্ষিণ কোরিয়াসহ একাধিক রাষ্ট্র, অন্যদিকে প্রচণ্ড তাপপ্রবাহে পুড়ছে ইউরোপ, আমেরিকা, চীন ও থাইল্যান্ড।

আমেরিকার ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিস জানিয়েছে, ক্যালিফর্নিয়া এবং টেক্সাসে তাপপ্রবাহ চলছে। আগামী দিনে তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে। ক্যালিফর্নিয়ার ডেথ ভ্যালিতে তাপমাত্রা ৫৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

ক্যালিফোর্নিয়ার নানা জায়গায় প্রচণ্ড দাবানল ছারখার করে দিচ্ছে সব। গত মাসেও ক্যালিফোর্নিয়ায় দাবানলের প্রকোপ দেখেছিল বিশ্ব। কানাডার কিছু জায়গাতেও দাবানল দেখা গেছে। গোটা ইউরোপ মহাদেশেও বেড়েছে তাপপ্রবাহের ঘটনা।

আবহাওয়াবিদরা বলছেন, চলতি এপ্রিলে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে তাপমাত্রা রেকর্ড ছুঁয়েছে। চিনের চেংড়ু, ঝিজিয়াং, নানজিং ও ইয়াংঝি নদীর ব–দ্বীপ অঞ্চলে তীব্র তাপপ্রবাহ চলছে। 

একই পরিস্থিতি থাইল্যান্ডেও। সেখানকার কয়েকটি প্রদেশে গত তাপমাত্রা ৪৪ ডিগ্রি ছাড়িয়ে গেছে। এর আগে রেকর্ড একই তাপমাত্রা ছিল ২০১৬ সালের ২৮ এপ্রিল। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, এ সপ্তাহে দেশটিতে তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সেই সঙ্গেই তীব্র তাপপ্রবাহ শুরু হয়েছে।

গরমে পুড়ছে ইতালি। রোম, বলগনা এবং ফ্লোরেন্সসহ ১৬টি শহরে চূড়ান্ত সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তাপমাত্রা এখনও ৪৫-৪৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তন রোধ করতে যথাযথ পদক্ষেপ না করলে এই শতকের শেষে ক্যানসার বা সংক্রামক ব্যাধির ফলে মৃত্যুর হারের সঙ্গে পাল্লা দেবে তাপপ্রবাহে মৃত্যুর হার।