মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপ ও ইরানি পাল্টা হামলার ক্ষয়ক্ষতির মুখে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হতে বাধ্য হয়েছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, এমন মন্তব্য করেছেন দেশটির এক শীর্ষ রাজনৈতিক বিশ্লেষক। খবর আল জাজিরা।
তেল আবিব থেকে আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাজনীতি বিশ্লেষক ও রাইখম্যান ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ওরি গোল্ডবার্গ বলেন, ‘ইরানে অভিযান শেষে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে তারা সব লক্ষ্য অর্জন করেছে — এটি একেবারেই হাস্যকর।’
‘গত এক সপ্তাহে আমরা শুনেছি, তারা কখনো বলছে ইরানের পরমাণু কর্মসূচির মূলোৎপাটন, কখনো বলছে শাসনব্যবস্থার পতন ঘটানোই তাদের উদ্দেশ্য। কী ছিল তাদের আসল লক্ষ্য, সেটাই পরিষ্কার নয়’ বলেন গোল্ডবার্গ।
তিনি আরও বলেন, ‘ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর কিছুটা ক্ষতি হলেও তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ আদৌ ধ্বংস হয়েছে কি না, তা একেবারেই অনিশ্চিত।’
‘আর যেহেতু ইরানের পক্ষ থেকে ইসরায়েলের প্রতি কোনো তাৎক্ষণিক ও অনিবার্য পরমাণু হুমকির অস্তিত্বই আগে ছিল না, তাই এখন কিছুই মৌলিকভাবে পাল্টায়নি’ যোগ করেন তিনি।
ওরি গোল্ডবার্গের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ইসরায়েল এই যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে মূলত ইরানের পাল্টা হামলার ক্ষয়ক্ষতি এবং ট্রাম্প প্রশাসনের পূর্বাভাসযোগ্য চাপের কারণে।
‘নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে ভরসা করে ঝুঁকি নিয়েছিলেন। ট্রাম্প পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাই এখন নেতানিয়াহুর পক্ষে ট্রাম্পের উদ্দেশ্য — মধ্যপ্রাচ্যে একটি রাজনৈতিক চুক্তি প্রতিষ্ঠা — বাস্তবায়নে সহযোগিতা ছাড়া আর কোনো পথ খোলা নেই’ বলেন গোল্ডবার্গ।










