রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ বলেছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ন্যাটোর সদস্য রাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনা তার দেশের নেই। তবে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যে কোনো আগ্রাসনের কঠোর জবাব দেয়া হবে বলে তিনি সতর্ক করেছেন। খবর বিবিসি।
শনিবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণে ল্যাভরভ অভিযোগ করেন, পশ্চিমা দেশগুলো ক্রমেই রাশিয়ার বিরুদ্ধে হুমকি বাড়াচ্ছে। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বারবারই এই ধরনের অভিযোগ খণ্ডন করেছেন।
গাজা ইস্যুতে ল্যাভরভ ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডকে ‘অন্যায্য হত্যাযজ্ঞ’ বলে আখ্যা দেন। হামাসের ৭ অক্টোবরের আক্রমণের নিন্দা তিনি করলেও ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি দমননীতি ও পশ্চিম তীর সংযুক্ত করার পরিকল্পনাকে অগ্রহণযোগ্য বলে উল্লেখ করেন।
ইরান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পশ্চিমা শক্তিগুলো কূটনৈতিক সমাধান নস্যাৎ করছে। শুক্রবার রাশিয়া ও চীনের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর ইরানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা রোববার থেকে কার্যকর হচ্ছে, যাকে ল্যাভরভ ‘অবৈধ’ আখ্যা দেন।
সাম্প্রতিক সময়ে ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া ও পোল্যান্ডে রুশ ড্রোন বা যুদ্ধবিমান ঢুকে পড়ার অভিযোগ উঠেছে। ন্যাটো জানিয়েছে, এ ধরনের ঘটনায় প্রয়োজনে সব ধরনের সামরিক ও বেসামরিক পদক্ষেপ নেয়া হবে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও বলেছেন, ন্যাটো রাষ্ট্রগুলোর আকাশসীমায় রুশ বিমান ঢুকলে সেগুলোকে গুলি করে নামানো উচিত।
ল্যাভরভ শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া সম্পর্কের প্রসঙ্গে বলেন, বর্তমান মার্কিন প্রশাসনের অবস্থানে ইউক্রেন সংকট সমাধানের বাস্তব প্রচেষ্টা এবং মতাদর্শগত অবস্থান এড়িয়ে ব্যবহারিক সহযোগিতার ইচ্ছা দেখা যাচ্ছে।










