আফ্রিকার পর এবার ইউরোপে শনাক্ত হয়েছে নতুন ধরনের অতি সংক্রামক
রোগ এমপক্স। সুইডেনের জনস্বাস্থ্য সংস্থা এ খবর দিয়েছে। তারা বলেছে, আফ্রিকায় প্রাদুর্ভাব
ছড়ানোর পর মহাদেশটির বাইরে এবার আরো বিপজ্জনক ধরনের এমপক্স শনাক্ত হলো। আর সেটা ঘটল
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বিশ্বব্যাপী জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা জারি করার
কয়েক ঘণ্টা পর। খবর বিবিসি।
ইউরোপে এমপক্সে আক্রান্ত ওই ব্যক্তি সম্প্রতি আফ্রিকার
কোনো এক অঞ্চলে ছিলেন। সেখানেই তিনি আক্রান্ত হন। আফ্রিকার ওই অঞ্চলে সম্প্রতি এমপক্স
ক্লেইড ১ ব্যাপকভাবে ছড়িয়েছে। পূর্বে ভাইরাসটি মাঙ্কিপক্স নামে পরিচিত ছিল।
মূলত কঙ্গো থেকে প্রতিবেশী দেশগুলোতে এই ভাইরাসটি ছড়িয়ে
পড়ছে। মাঙ্কিপক্স ভাইরাসজনিত এ সংক্রমণ কঙ্গোর পর মধ্য ও পূর্ব আফ্রিকার দেশগুলোতেও
ছড়িয়েছে। মাংকিপক্স হিসেবে পরিচিত অত্যন্ত সংক্রামক এই রোগের প্রাথমিক প্রাদুর্ভাব
চলাকালে কঙ্গোয় অন্তত ৪৫০ জনের মৃত্যু হয়।
গত দুই বছরের মধ্যে এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো এই ভাইরাসের
জন্য জরুরি অবস্থা জারি করা হলো। এমপক্সের দু’টি ধরন আছে— ক্লেইড ১ ও ক্লেইড ২। এর আগে ২০২২ সালে ক্লেইড ২
এর তুলনামূলক কম সংক্রমণ চলাকালে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু এবার অনেক
বেশি প্রাণঘাতী ক্লেইড ১ এর প্রাদুর্ভাব শুরু হয়েছে।
ডব্লিউএইচও গত বুধবার (১৪ আগস্ট) এক বিবৃতিতে বলছে, আফ্রিকার ১৩টি দেশে এই ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে এবং এর নতুন রূপটি আরো দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। সংস্থাটি প্রধান তেদ্রোস আধানম গেব্রেয়েসুস বলেছেন, জরুরি বৈঠকের পর আন্তর্জাতিক উদ্বেগের কারণে জরুরি অবস্থা জারির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আফ্রিকা এবং এর বাইরে আরো দ্রুত এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা খুবই উদ্বেগজনক।










