ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে কানাডার ইয়েলোনাইফ
নগরী। এর মধ্যেই বাড়িছাড়া হয়েছেন প্রায় ২২ হাজার মানুষ। বাসিন্দাদের সরিয়ে নেয়ার সরকারি
সময়সীমাও শেষ হয়ে এসেছে। খবর বিবিসি।
এটি দেশটির সবচেয়ে ভয়াবহ দাবানলের ঘটনা
বলে জানানো হয় প্রতিবেদনে।
আরো বলা হয়, কানাডার পশ্চিম দিকের আরেকটি
দাবানল আগের তুলনায় ১০০ গুণ বেড়েছে। যা ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার কেলোনোকে হুমকির মুখে ফেলেছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, দাবানলটি খুব সক্রিয় ও অপ্রত্যাশিতভাবে বাড়ছে।
প্রায় দেড় লাখ মানুষের কেলোনা নগরীতে দাবানলের
ভয়াবহতার কারণে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। নগরীর পশ্চিমাঞ্চলে কিছু অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত
হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার (১৮ আগস্ট) এক সংবাদ সম্মেলনে
কানাডার জরুরি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মন্ত্রী হারজিৎ সজ্জন বলেন, ‘যখন ফিরে আসবেন
তখন আপনার বাড়িটি নাও থাকতে পারে। বাড়ি ছেড়ে যাওয়ার সময় হাজার হাজার মানুষের চিন্তার
বিষয় এটি ।’
কানাডার জন্য ‘অবিশ্বাস্যভাবে
চ্যালেঞ্জিং সপ্তাহ’ উল্লেখ করে তিনি জানান, ফেডারেল সরকার
এখনো ক্ষয়ক্ষতির সম্পূর্ণ পরিমাণ জানে না।
বিসি ওয়াইল্ডফায়ার সার্ভিস জানায়, আগুন
গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে এক হাজার ১০০ হেক্টর জায়গা নিয়ে ছিল। যা বর্তমানে ছয়
হাজার ৮০০ হেক্টরে পৌঁছে গেছে।
কেলোনায় মন্ত্রী হারজিৎ সাজজান বলেন, ‘বাতাসের গতি খুবই
উদ্বেগজনক। আমরা জানি না পরিস্থিতি কোনদিকে যাচ্ছে।’
কেলোনা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের চারপাশের
আকাশসীমা অগ্নিনির্বাপন ছাড়া অন্যান্য সব কাজের জন্য বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
বলা হচ্ছে, কানাডায় সর্বকালের সবচেয়ে
ভয়াবহ দাবানলের মৌসুম চলছে এবার। দেশটিতে এক হাজারের বেশি সক্রিয় দাবানল জ্বলছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তন দাবানল সমস্যাকে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে।










