দক্ষিণ চীন সাগরে অবস্থানরত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার জাহাজে সৈন্যদের পুনরায় পাঠাতে যাচ্ছে ফিলিপাইন। দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র মেডেল আগুইলারের ভাষ্যমতে, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য নিয়মভিত্তিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার প্রতি ফিলিপাইনের অঙ্গীকার থেকেই এমন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। খবর রয়টার্স।
দক্ষিণ চীন সাগরের ওপর চীনের দাবি আন্তর্জাতিকভাবে বিতর্কিত ও বিরোধপূর্ণ। এ জলসীমা নিয়ে চীনের দাবির বিরোধিতা করছে মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম, ব্রুনাই, তাইওয়ান, ফিলিপাইনসহ বিভিন্ন দেশ। ম্যানিলা তার সামুদ্রিক অঞ্চলের ওপর সার্বভৌমত্ব ও এখতিয়ারকে সম্মান করার গুরুত্বের ওপর জোর দেয়, একই সঙ্গে শান্তিপূর্ণ বিরোধ নিষ্পত্তিকে সমর্থন করে আসছে। তবে ম্যানিলায় অবস্থিত চীনা দূতাবাস এ বিষয়ে কোনো সাড়া দেয়নি। ফিলিপাইন ১৯৯৯ সালে ইচ্ছাকৃতভাবে এ অঞ্চলের ওপর সার্বভৌমত্ব দাবি করার জন্য যুদ্ধজাহাজটি বন্ধ করে দেয়। যেটি তার অর্থনৈতিক অঞ্চলের মধ্যে পড়েছে।
পুনরায় মিশনটিতে সৈন্য পাঠানো আইনের শাসনকে সমুন্নত রাখার জন্য দেশটির সংকল্পকে তুলে ধরে।
২০১৬ সালে একটি সালিশি রায় দক্ষিণ চীন সাগরের ওপর চীনের বিস্তৃত দাবিকে অবৈধ ঘোষণা করেছিল। তবুও চীনের না মানার কারণে এ অঞ্চলে সামরিক স্থাপনাসহ কৃত্রিম দ্বীপ নির্মাণ করা হয়েছিল।










