কৃষ্ণ সাগর বন্দরকে ‘মানবিক করিডোর’
হিসেবে ঘোষণা করেছে ইউক্রেন। আটকে পড়া পণ্যবাহী জাহাজকে গতকাল বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট)
নোঙর তোলার অনুমতি দিয়েছে দেশটি। গত মাসে ইউক্রেনের সঙ্গে রাশিয়া শস্য রফতানির চুক্তি
বাতিল করায় জাহাজ চলাচলে অচলাবস্থা শুরু হয়। এরপর এল উত্তেজনাকর এই সিদ্ধান্ত। খবর
রয়টার্স।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়ার আক্রমণের
শুরুর পর থেকে কৃষ্ণ সাগর বন্দরে আটকে ছিল এমন জাহাজ প্রাথমিকভাবে এ করিডোরে চলাচল
করবে। এসব জাহাজ দুই দেশের মধ্যে সম্পাদিত শস্য চুক্তির আওতায় ছিল না।
বিশ্লেষকদের অনেকেই মনে করছেন, রাশিয়ার
পুনারোপিত অবরোধের পরও সমুদ্রপথ খুলে দেয়াটা ইউক্রেনের জন্য ক্ষমতার বড় একটি পরীক্ষা।
বিষয়টি নিয়ে শিপিং বীমা কোম্পানিগুলোও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
ক্রোনোমস্ক, ওডেসা ও পিভদেনি্নসহ ইউক্রেনীয়
বন্দর রাশিয়ার আক্রমণের পর থেকে বন্ধ ছিল। নতুন ঘোষণা অনুযায়ী এসব রুটে বেসামরিক নৌ
চলাচলে আর কোন বাধা থাকবে না। এর মধ্যেই ইউক্রেন নৌবাহিনী নৌ পথগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক
মেরিটাইম সংস্হার (আইএমও) কাছে প্রস্তাব করেছে।
রয়েটার্স জাহাজ মালিকদের বরাত দিয়ে
প্রতিবেদনে উল্লেখ করে, জাহাজ চলাচলে এখনো রাশিয়ার সামরিক হুমকি রয়ে গেছে।
তবে বিষয়টি নিয়ে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া
জানায়নি মস্কো।
ইউক্রেনের নৌবাহিনীর মুখপাত্র ওলেহ
চালিক বলেছেন, করিডোরটি সম্পূর্ণ মানবিক ও বেসামরিক কাজে ব্যবহৃত হবে। জাহাজে ক্যামেরা
বসিয়ে পরিবহনের স্বচ্ছতা বজায় রাখা হবে।










