অন্যদিকে প্রস্তাবিত বাজেটে স্থানীয় শিল্পের বিকাশে কিছু শুল্ক প্রত্যাহারের প্রস্তাব আসছে। এতে দেশে উৎপাদিত কম্পিউটার ও আইসিটি পণ্যের দাম কমতে পারে। একই কারণে কমতে পারে স্থানীয় পর্যায়ে উৎপাদিত কৃষি যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রপাতির সরঞ্জামের দাম। এছাড়া কৃষি উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ কর সুবিধার প্রস্তাব আসতে আসছে বাজেটে। পোলট্রি ও  গোখাদ্যের দামও কমতে পারে।

ভ্যাট অব্যাহতির সুবিধা পাচ্ছে দেশীয় গাড়ি তৈরির শিল্প। ফলে মোটরগাড়ি তৈরিতে যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ আমদানিতে শুল্কছাড়ের পাশাপাশি ৫ শতাংশ ভ্যাট অব্যাহতি প্রস্তাব আসতে পারে। এটি পাস হলে দেশে তৈরি গাড়ি তুলনামূলক কম দামে মিলবে।

পাশাপাশি বাজেটে জুয়েলারি শিল্পের প্রসারে স্বর্ণ আমদানিতে অগ্রিম কর প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফলে স্বর্ণাংলাকার আগের চেয়ে তুলনামূলক কম দামে মিলতে পারে। শ্রবণপ্রতিবন্ধীদের শ্রবণসহায়ক যন্ত্রের আমদানি শুল্ক ২৫ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। ফলে কম দামে শ্রবণযন্ত্র পাওয়া যেতে পারে।

বিশেষায়িত হুইল চেয়ারে বিদ্যমান সব ধরনের শুল্ক-কর বিলোপের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। এতে কমতে পারে হুইল চেয়ারের দাম। সেই সঙ্গে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য ব্রেইল মুদ্রণের ওপর ভ্যাট অব্যাহতি ও শ্রবণপ্রতিবন্ধীদের জন্য কানে শোনার যন্ত্রের ব্যাটারির ওপর শুল্ক-কর হ্রাসের প্রস্তাব করা হয়েছে। শুল্ক কমানোর প্রস্তাবে দাম কমতে পারে বিমানের জন্য ব্যবহূত টায়ার, কাজু বাদাম, পেস্তা বাদাম, মুড়ি, চিনি ও গম-আটার দাম।