নতুন অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে যেমন কমেছে কিছু পণ্যের দাম, তেমনি বেড়েছে প্রয়োজনীয় কিছু সামগ্রীর দাম। এবারের বাজেটে বৈদেশিক মুদ্রা সুরক্ষায় বিলাসবহুল পণ্য আমদানি নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। ফলে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের প্রস্তাবিত বাজেটে বিলাসপণ্য যেমন— বডি স্প্রে, প্রসাধনসামগ্রী, জুস, প্যাকেটজাত খাদ্যের ওপর নতুন করে শুল্কারোপ হতে পারে।
এবারের
বাজেটের প্রস্তাব অনুযায়ী দাম বাড়বে তামাকজাত পণ্যের। এনবিআর সূত্রানুসারে সিগারেটের নিম্নস্তরের তিনটি স্ল্যাবে বেশি দাম বাড়তে পারে। প্রস্তাবিত বাজেটে মদ আমদানিতে অগ্রিম কর ২০-২৫ শতাংশ বাড়ছে।
দেশীয়
পণ্য সুরক্ষায় শুল্কারোপে আমদানি করা স্মার্টফোনের দাম আরেক দফায় বাড়তে পারে। শুল্ক বৃদ্ধির কারণে আমদানি করা ফ্রিজ, এসি, বিলাসবহুল হোম অ্যাপ্লায়েন্স, বিভিন্ন ধরনের তার, জিআই ফিটিংস, বিলাসবহুল গাড়ি, মোটরসাইকেল, আমদানি করা সোলার প্যানেল, টু ও ফোর স্ট্রোক ইঞ্জিন, পানি পরিশোধন যন্ত্র, গ্যাস লাইটার, সেলফোনের ব্যাটারি, প্রিন্টিং সরঞ্জামেরও দাম বাড়তে পারে।
কভিড-১৯ সম্পর্কিত বিভিন্ন সামগ্রী যেমন টেস্ট কিট, ফেস শিল্ড, চশমা ও মাস্কের উৎপাদন ও ব্যবসায়ী পর্যায়ে ভ্যাট অব্যাহতির সুযোগ প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে এসবের দাম বাড়তে পারে।
এছাড়া
তাপানুকূল সার্ভিসের পাশাপাশি প্রথম শ্রেণীর রেলওয়ে সেবার ওপর ১৫ শতাংশ মূসক আরোপের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী।





