বিদ্যুৎ বিভাগ এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের জন্য ২০২২-২৩ অর্থবছরে ২৬ হাজার ৬৬ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ খাতে ২৪ হাজার ১৯৬ কোটি টাকা এবং জ্বালানি খাতে ১ হাজার ৮৭০ কোটি টাকা।

গতকাল জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল আগামী অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করেন। তার ঘোষণা অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের চেয়ে আগামী অর্থবছরে বিদ্যুৎ জ্বালানিতে বরাদ্দ কমছে ৫ দশমিক ১৫ শতাংশ।

এর আগে ২০২১-২২ অর্থবছরের ঘোষিত বাজেটে বিদ্যুৎ খাতে বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল ২৭ হাজার ৪৮৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে বিদ্যুতে ২৫ হাজার ৩৯৮ কোটি এবং জ্বালানি খাতে ২ হাজার ৮৬ কোটি টাকা। সে হিসাবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ১ হাজার ৪১৮ কোটি টাকা কম বরাদ্দ দেয়া হলো।

বাজেট ঘোষণার বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারের নিরলস প্রচেষ্টায় ১৩ বছর ধরে বিদ্যুতের উৎপাদন বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। ক্যাপটিভ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ দেশে বর্তমানে বিদ্যুতের উৎপাদন সক্ষমতা ২৫ হাজার ৫৬৬ মেগাওয়াট।

বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়ন অগ্রগতির কথা তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশে ১৩ হাজার ৫৩০ মেগাওয়াট ক্ষমতার ৩৪টি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণাধীন। জমির প্রাপ্যতা, জ্বালানি পরিবহন সুবিধা এবং লোড সেন্টার বিবেচনায় পটুয়াখালীর পায়রা, কক্সবাজারের মহেশখালী ও মাতারবাড়ী এলাকাকে বিদ্যুৎ হাব হিসেবে চিহ্নিত করে বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

বাজেটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বরাদ্দ প্রসঙ্গে বুয়েটের সাবেক অধ্যাপক ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ম. তামিম বণিক বার্তাকে বলেন, বিদ্যুৎ খাতে উৎপাদন সক্ষমতা এখন পর্যাপ্ত। এখন প্রয়োজন সঞ্চালন খাতে গুরুত্ব বাড়ানো। পাশাপাশি এসব বিদ্যুৎকেন্দ্রের যে ধরনের জ্বালানি ব্যবহার হবে সে পথ সুগম করা। জ্বালানি খাতে বরাদ্দ কম থাকলে এ সংকট প্রকট হবে।