এজন্যই তো স্থাপত্য নিয়েও পড়াশোনা করেছি। একসময় বিভিন্ন হ্যান্ডমেড পণ্য নিয়ে পর্যবেক্ষণও ছিল অনেক। করোনা মহামারীর সময়ে ফেসবুকে ‘গৃহকাব্য’ পেজ খুলে কিছু পণ্য বিক্রির উদ্যোগ নিই। সেগুলোতে সাড়া পেয়ে লিভিং রুমে ভূমি আর্টিসানের কাজ শুরু। তারপর ধীরে ধীরে এ উদ্যোগে সফলতা। মূলত মৃৎশিল্পকেই গুরুত্ব দিতে চেয়েছি। আমরা মাটির তৈজসকে আরো সূক্ষ্ম ও পরিণতভাবে তৈরির পাশাপাশি বাঁশ-বেতের সংমিশ্রণ করেছি। পণ্যগুলো তাই আধুনিক ও নান্দনিক। ভূমি আর্টিসানের বর্তমানে তিনটি ওয়্যারহাউজ আছে। এখানে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে ৩০ জনের বেশি কারিগর যুক্ত রয়েছেন। এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আর আলাদা ওয়েবসাইটে আমাদের পণ্যগুলো বিক্রি করা হচ্ছে। ঢাকায় দুটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আমাদের পণ্যের প্রদর্শনী ও বিক্রি হয়।
পণ্য তৈরির ক্ষেত্রে দক্ষ কারিগর খুঁজে পাওয়া সবসময়ই একটি বড় সমস্যা ছিল। আমরা যে পণ্য তৈরি করি সেগুলোতে ডিজাইনের চেয়ে কারিগরদের দক্ষতাকেই বাড়তি গুরুত্ব দিতে হয়। এজন্য কারিগরদের দিকে বাড়তি মনোযোগ দিতে হয়। এসএমই খাতে যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে ব্র্যাক ব্যাংকের কাছে অনেকগুলো সুবিধা পাওয়া গেছে। ব্র্যাকের উদ্যোগে অনেকগুলো প্রশিক্ষণ কর্মসূচিও নেয়া হয়। এ খাতে সবসময় উদ্ভাবনী চিন্তাকে প্রাধান্য দিতে হয়। সেটা ধরে রাখতে না পারলে এ খাতে এগোনো যায় না। এ ধরনের হ্যান্ডমেড পণ্যের সঙ্গে মানুষের আবেগ অনেকভাবে জড়িয়ে থাকে। তাই সময়ের সঙ্গে সঙ্গে চাহিদা বাড়ছে। এখন মূল চ্যালেঞ্জ হলো ঐতিহ্যগত পণ্যকে আধুনিক ডিজাইনের সঙ্গে ফিউশন করার। এটা করতে পারলে অনেক ক্রেতার মনোযোগ আকর্ষণ সম্ভব। এগুলো পরিকল্পনায় রাখার কথা ভেবেছি।










