ইঞ্জিনিয়ার কুতুবউদ্দিন আহমেদ। শৈশব, কৈশোর ও যৌবনের গল্প আর দশজনের মতোই সাধারণ; মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। ফলে ছোট থেকেই স্বপ্ন ছিল নিজে কিছু করার, ছিল বড়লোক হওয়ার জেদ। তাই বুয়েট থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক করে চাকরি নেন জনতা ব্যাংকে। তবে ভালো মাইনের জন্য নয়, লক্ষ্য ছিল ব্যাংকের চাকরির সুবাদে ব্যাংকারদের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগকে কাজে লাগানো। কারণ তিনি ব্যবসা করতে চান। অল্প সময়েই নিজের লক্ষ্যে পৌঁছে যান কুতুবউদ্দিন। দুই পার্টনারের বিনিয়োগ এবং নিজের বাড়ি বন্ধক রেখে ঋণ নেন ব্যাংক থেকে। এরপর শুরু করলেন অনেক আকাঙ্ক্ষার প্রজেক্ট, গার্মেন্টস ব্যবসা। বাড়ি ভাড়া নিয়ে ছোট্ট একটি কারখানা স্থাপন করেন মালিবাগে। তবে বায়ার কারা জানেন না, কোথা থেকে অর্ডার পাবেন, কীভাবে গার্মেন্টস চালায় তাও জানেন না। এ খাতে অভিজ্ঞ বন্ধুদের পরামর্শে প্রথমে সাবকন্ট্রাক্টের কাজ শুরু করেন।
মাস দুয়েক পর আকবর লাকখানি নামে ভারতীয় ক্রেতা এসে কারখানা ঘুরে দেখেন। সন্তুষ্ট হয়ে সুইডেনের একটি কোম্পানির জন্য পাঁচ হাজার পিসের অর্ডার দেন। এরপর সময়মতোই পণ্য তৈরি করে পাঠিয়ে দেন। এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি ইঞ্জিনিয়ার কুতুবউদ্দিন আহমেদকে। সময়ে সময়ে বেসরকারি খাতে নিজের ব্যবসাকে অনেক দিকে বিস্তৃত করেছেন। গার্মেন্টস দিয়ে শুরু করলেও পরে আইটি ফার্ম, টেক্সটাইল ফার্ম, ট্রেড ফরওয়ার্ডিং, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, রিয়েল এস্টেট, ট্রেডিং, কার্গো, বেঙ্গল মিটসহ বহুমুখী খাতে বিনিয়োগ রয়েছে এনভয় লিগ্যাসির।
হংকংভিত্তিক বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান এপিক গ্রুপের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ২০১৩ সালে গ্রিন টেক্সটাইল লিমিটেড চালু করে এনভয় লিগ্যাসি। কারখানাটির চতুর্থ ইউনিট লিডারশিপ ইন এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ডিজাইন (এলইইডি) প্রোগ্রামের অধীনে সর্বোচ্চ স্কোর করে প্লাটিনাম সার্টিফিকেশন অর্জন করেছে। ময়মনসিংহের ভালুকায় ১৬ একর জায়গার ওপর গড়ে ওঠা কারখানাটির সব ইউনিটের মোট উৎপাদন সক্ষমতা ২৭ লাখ ৬০ হাজার পিস। বার্ষিক টার্নওভার ১০ কোটি ডলারের বেশি।
ব্যবসার পাশাপাশি পরিবেশের প্রতি উদ্যোক্তাদের অঙ্গীকার কতটা গ্রিন টেক্সটাইল লিমিটেড তার সেরা উদাহরণের একটি। প্রতিষ্ঠানটি এমনভাবে গড়ে তোলা হয়েছে, যাতে পরিবেশ ও প্রতিবেশ ঠিকমতো প্রতিপালিত হয় প্রাকৃতিক উৎসের ওপর নির্ভর করে। ৫৪ হাজার বর্গফুটের কারখানাটি ‘অনন্য’ তার নকশা, নির্মাণশৈলী ও দক্ষ ব্যবস্থাপনায়। এটি নির্মাণের সময় পরিবেশবান্ধব উপকরণের ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে এবং পরিবেশগত ব্যবস্থাপনার চর্চার ওপর জোর দিয়েছিলেন উদ্যোক্তারা। যার ফল হিসেবে স্থিতিশীলতা, পানি ব্যবস্থাপনা, জ্বালানি দক্ষতা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩২ নম্বর পেয়েছে ৩৩-এর মধ্যে।
কারখানায় ঢুকে কয়েকশ গজ এগোলেই একটি খোলা জায়গা। সাইকেল ও বাইক রাখার জন্য রয়েছে পার্কিং সুবিধা। বৈদ্যুতিক গাড়ির জন্য রয়েছে চার্জিং সুবিধাও। এপিক ইউনিভার্সিটি নামে রয়েছে একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, যেখানে কর্মীদের দক্ষ করা হয়। গ্রিন টেক্সটাইলের একপাশে ছাদের ওপর বসানো ৭৫৩ কিলোওয়াট প্রতি ঘণ্টা ক্ষমতাসম্পন্ন পাওয়ার প্লান্টটি থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ কারখানার বিদ্যুতের চাহিদার প্রায় ৬০ শতাংশ পূরণ করে।
৫৪ হাজার বর্গফুট আয়তনের কারখানা বিল্ডিংটিতে আলো-বাতাস চলাচলের জন্য রয়েছে প্রচুর জানালা, যা কর্মীদের আরামদায়ক কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করছে। কারখানার অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা কম রাখার জন্য রয়েছে ৬০টি কুলার।
সাধারণত একই ধরনের অন্য টেক্সটাইল কারখানায় যে বিদ্যুৎ খরচ হয় গ্রিন টেক্সটাইলে লাগছে তার মাত্র এক-তৃতীয়াংশ। কারখানার ৩০ শতাংশ জায়গা খোলা থাকায় দিনের আলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার করা হয়। এছাড়া আছে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও সরবরাহের ব্যবস্থা। কর্মকর্তারা জানান, গ্রিন টেক্সটাইলের কারখানাটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে, যা সম্পদের সর্বোচ্চ এফিশিয়েন্সি নিশ্চিত করে এবং কার্বন নিঃসরণ কমায়। এর দক্ষ নির্মাণশৈলী ও ফিটিংস পানির ব্যবহার প্রায় ৫১ শতাংশ হ্রাস করেছে।
প্রথমদিকে এ কারখানার জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা নিয়ে প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হয়েছিল। আশপাশের রাস্তা থেকে শুরু করে কারখানার স্থাপনা সবকিছুই নির্মাণ করতে হয়েছে উদ্যোক্তাদের। দক্ষ শ্রমিক পাওয়া ছিল আরেকটি বড় প্রতিবন্ধকতা। তবে স্থানীয়রা এক্ষেত্রে অনেক সহযোগিতা করেছে। কারখানার বেশির ভাগ কর্মী আশপাশের গ্রামগুলো থেকেই নিয়োগ করা হয়েছে। তবে শুরুতে এজন্য তাদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। জাপান, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের দক্ষ বিশেষজ্ঞরা প্রশিক্ষণজনিত সহায়তা দিয়েছেন। পাশাপাশি এখনো ভারতীয় কয়েকজন কর্মকর্তা রয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির উচ্চ পদে। বর্তমানে যেসব প্রতিবন্ধকতা কারখানাটিকে মোকাবেলা করতে হচ্ছে তা হলো শক্তি ও জ্বালানির স্বল্পতা। সব জায়গায় এখনো গ্যাস সংযোগ নেই। লোডশেডিং তো নিত্যসঙ্গী।
একটি কারখানা দিয়ে শুরু করা গ্রিন টেক্সটাইলের কর্মী সংখ্যা ছিল এক হাজারের কিছু বেশি। বর্তমানে চালু থাকা চারটি ইউনিটে কাজ করছেন ৭ হাজার ১২০ জন, যাদের প্রায় ৭০-৮০ ভাগই নারী। কর্মীদের সুবিধার্থে প্রভিডেন্ট ফান্ড, বার্ষিক বোনাস, মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই বেতন-ভাতা প্রদান, প্রতিষ্ঠানের লাভ থেকে ইনসেনটিভ, নারী কর্মীদের মাতৃত্বকালীন ছুটি, সবার জন্য পরিবহন সুবিধা ইত্যাদি দিয়ে আসছে প্রতিষ্ঠানটি।
গ্রিন টেক্সটাইলকে ভবিষ্যতে আরো বড় করার পরিকল্পনা রয়েছে। সে কারণে কাছাকাছি আরো কিছু জমি কিনে রেখেছেন উদ্যোক্তারা। পঞ্চম ইউনিট স্থাপনের কাজ চলছে সেখানে। কারখানার বর্তমান সোলার প্লান্ট ৭৫৩ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন। এটিকে ২ দশমিক ৫ মেগাওয়াটে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি আরো কিছু প্রযুক্তিগত পরিবর্তন আনার পরিকল্পনাও করছে কর্তৃপক্ষ। নিজেদের ইটিপি (বর্জ্য পরিশোধন ব্যবস্থা) সুবিধা সম্প্রসারিত করে প্রযুক্তিগত উন্নয়নের পরিকল্পনাও রয়েছে।
কারখানাটিতে বিভিন্ন ধরনের পোশাক উৎপাদন করা হয়, যার মধ্যে রয়েছে নারীদের টপস, বটম, আন্ডারগার্মেন্টস ইত্যাদি। গ্রিন টেক্সটাইলের প্রধান ক্রেতা ইউনিক্লো, যারা এখানকার শতকরা ৬০ ভাগ পণ্যের গ্রাহক। এছাড়া ওয়ালমার্ট, একাডেমি, অ্যামাজন ইত্যাদি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গ্রাহক রয়েছে গ্রিন টেক্সটাইলের; যাদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জাপানে পণ্য রফতানি হচ্ছে।
অন্যদিকে গ্রুপটির প্রতিষ্ঠান এনভয় টেক্সটাইলস লিমিটেড উৎপাদনে যায় ২০০৮ সালে। প্রথমে একটি মাত্র ইউনিট দিয়ে কারখানাটির উৎপাদন শুরু হয়। এ কারখানায় দেশের প্রথমবারের মতো রোপ ডায়িং টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়। এটি মূলত আমেরিকান টেকনোলজি। তবে শুরুর দিকে তা চালাতে বেশ প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হয়েছে প্রতিষ্ঠানটিকে। কারণ সে সময় এর জন্য দক্ষ জনশক্তি ছিল না। টার্কিশ দুজন এক্সপার্টের মাধ্যমে কারখানাটিতে এ টেকনোলজি পরিচালনা করা হতো। চাহিদা বাড়তে থাকলে একই টেকনোলজি ব্যবহার করে ২০১২ সালে চালু হয় ইউনিট-২। এছাড়া ফিনিশিংয়ের ক্ষেত্রে এখানে জাপানিজ মেশিনারিজ ব্যবহার করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির ফিনিশিং কোয়ালিটিও অনেক ভালো। প্রথমে বেসিক ডেনিম দিয়ে শুরু করা হলেও এরপর স্টিচ ফ্যাব্রিক, হাই স্টিচ ফ্যাব্রিক করার জন্য মেশিনারিজ আনা হয়। সব মিলিয়ে এনভয় টেক্সটাইলস লিমিটেডের মাসিক উৎপাদন সক্ষমতা দাঁড়ায় ৪৫ লাখ গজে। কমফোর্ট স্টিচ, সুপার স্টিচ, কোটিং, সাসটেইনেবল ফ্যাব্রিক–এসব পণ্যও উৎপাদন করা হয় এ কারখানায়।
এনভয় টেক্সটাইলের কারখানাটিতে পানি, বিদ্যুৎ ও রাসায়নিক দ্রব্যের ব্যবহার কীভাবে কমিয়ে আনা যায় সেদিকে নজর দিচ্ছে কর্তৃপক্ষ। প্রতি বছরই আপডেট করা হয় তাদের মেশিন। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে কারখানাটির অবস্থান অনেক ওপরে। দীর্ঘদিনের পরিশ্রম ও হাই কোয়ালিটি প্রডাক্টের জন্যই আজ এনভয় এ জায়গায় পৌঁছতে পেরেছে বলে মনে করেন উদ্যোক্তারা।
পরিবেশ ও মানুষের কথা চিন্তা করেই এনভয় গ্রিন ফ্যাক্টরির দিকে ঝুঁকেছে। এনভয় আনন্দের সঙ্গেই পরিবেশ নিয়ে কাজ করে। তাদের রয়েছে বিশ্বের প্রথম লিড প্লাটিনাম সার্টিফায়েড ডেনিম ফ্যাক্টরি। ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠানটি এ সার্টিফিকেট পায়। এ সার্টিফিকেশনের আগে প্রায় তিন-চার মাস কর্তৃপক্ষ পর্যবেক্ষণ করে। সব কোটা পূরণ করে পাওয়া এ সার্টিফিকেটের কারণে বায়ারদের মধ্যে মনোভাব পরিবর্তন হয়। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিষ্ঠানটির সুনাম বাড়ে, বিশ্বস্ততা বাড়ে।
শুরু থেকেই এনভয়ের মূল ফোকাস ছিল বিশ্বের প্রথম সারির কারখানায় পরিণত হওয়া। সেটা তারা অর্জন করতে পেরেছে এবং তাদের চেষ্টা অব্যাহত আছে। কারখানায় নিয়মিত প্রশিক্ষণ দেয়া হয় শ্রমিকদের। এখানে রয়েছে একটি অডিও ভিজ্যুয়াল সেন্টার, দুটি ট্রেনিং সেন্টার। প্রতি সপ্তাহে গ্রুপভিত্তিক ও ডিপার্টমেন্টভিত্তিক প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। শ্রমিকদের পাশাপাশি কর্মকর্তাদের জন্যও রয়েছে সে ব্যবস্থা। কাপড়ের গুণগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে প্রত্যেককেই প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।
এনভয়ের কারখানাটি অনেকটা রিসোর্টের মতো। ভেতরে রয়েছে সুইমিংপুল ও লেক। লেকের চারপাশে আছে বিভিন্ন ধরনের গাছ, বাহারি ফুল-ফলের গাছ। ফলে পাখির কলরবে মুখরিত থাকে পুরো কারখানা প্রাঙ্গণ। ঝড়বৃষ্টি এলে যেন পাখিরা নিরাপদ অবস্থানে থাকে সেজন্য বার্ডনেস্টও তৈরি করা আছে। এছাড়া রয়েছে খেলাধুলার সুব্যবস্থা। এর মূল লক্ষ্য কারখানাটিকে গ্রিন ফ্যাক্টরিতে রূপান্তর করা।
কারখানাটির মূল চালিকাশক্তি তাদের দক্ষ জনশক্তি। নিয়মকানুন ভালো ও সময়মতো বেতনসহ অন্যান্য সুবিধা দেয়ায় এখানকার শ্রমিক ও কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছেন। কেউ অসুস্থ হলে পুরো খরচ বহন করা হয় প্রতিষ্ঠান থেকে। আর মারা গেলে পরিবারকে দুই বছর পর্যন্ত তার বেসিকের সমান বেতন দেয়া হয়। এছাড়া দুপুরে খাবারে ভর্তুকি দেয়া হয়, থাকার জন্য আছে কোয়ার্টার। মেডিকেলের পাশাপাশি জরুরি ভিত্তিতে অ্যাম্বুলেন্সেরও ব্যবস্থা রয়েছে। কর্মীদের সন্তানকে ভালো স্কুলে ভর্তি করানোর সুযোগ এবং স্কুলবাস দেয়া হয়। যারা ভালো করে তাদের স্কলারশিপেরও ব্যবস্থা রয়েছে। কারখানাটিতে বর্তমানে ৩ হাজার ২০০ শ্রমিক নিয়মিত কাজ করছেন। মাসিক রফতানির পরিমাণ ৪ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার।
এনভয়ের কারখানায় একটি বড় স্পিনিং আছে, যেখানে সুতা তৈরি হয়। অন্যান্য অনেক প্রতিষ্ঠানও এখান থেকে হাই কোয়ালিটির সুতা কিনে নেয়। প্রতিষ্ঠানটি জ্বালানি সাশ্রয় ও পরিবেশ রক্ষার দিকে বেশ গুরুত্ব দিয়ে থাকে। সূর্যের আলোকে করা হয় সর্বোচ্চ ব্যবহার। কারখানায় রয়েছে একটি ইকোপার্ক। এছাড়া এখানে রেইন ওয়াটার হার্ভেস্ট করা হয়।
ডেনিমে স্বয়ংসম্পূর্ণ এনভয়। এখানে ইন্টার্ন করতে জার্মানি থেকে একটি গ্রুপ আসে। প্রায় তিন মাস তারা এখানে ছিল। দেশে ডেনিমের অন্যান্য যে কারখানা হয়েছে সেগুলোও এনভয় থেকে এক্সপার্ট নেয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটি ১১ বার জাতীয় রফতানি ট্রফি পেয়েছে। প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড ফর ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট পেয়েছে তিনবার। এছাড়া ন্যাশনাল প্রডাক্টিভিটি কোয়ালিটি, এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড দুবার; ন্যাশনাল এনভায়রনমেন্ট অ্যাওয়ার্ড, সাসটেইনেবিলিটি লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ডও রয়েছে তাদের ঝুলিতে।










