ইপিলিয়ন গ্রুপ। দেশের গার্মেন্ট ও টেক্সটাইল খাতের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান। ১৯৯৪ সালে ক্রীড়া সংগঠক রিয়াজ উদ্দিন আল মামুনের হাত ধরে রাজধানীর মিরপুরে মাত্র দুটি সেলাই লাইন ও ২০০ কর্মী নিয়ে তৈরি পোশাক খাতে পা রাখে ইপিলিয়ন। তিন দশকের পথচলায় এখন প্রতিষ্ঠানটির ১৬০টি সেলাই লাইনের পাশাপাশি রয়েছে আনুষঙ্গিক দ্রব্য উৎপাদন, ডায়িং, ওয়াশিং, ফ্যাব্রিক উৎপাদন ও অত্যাধুনিক গবেষণাগার। ২৩ হাজারের বেশি সদস্য নিয়ে ইপিলিয়ন এখন ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্র ও আফ্রিকার বিশ্বখ্যাত বিভিন্ন ব্র্যান্ডের জন্য পোশাক ও গার্মেন্ট পণ্য তৈরি এবং বাজারজাত করছে।
নারায়ণগঞ্জের কুতুবপুরে শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে ইপিলিয়ন লিমিটেড নামে ২০০০ সালে একটি কারখানা চালু হয়। উদীয়মান টেক্সটাইল বাজারের চাহিদা মেটাতে প্রতিষ্ঠানটি ২০০৩ সালে নিজেদের ফ্যাব্রিক তৈরির কারখানা চালু করে। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই তাদের আদর্শ ছিল টেক্সটাইল শিল্পে নতুন উদ্ভাবন, মূল্যবোধ ও স্বচ্ছতা। ২০০৭ সালে উৎপাদন সুবিধা হয় দ্বিগুণ। আধুনিক প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতিসংবলিত কারখানাটির বর্তমানে মাসে ৫০ টন উৎপাদন সক্ষমতা। টেক্সটাইল বিভাগে রয়েছে নিটিং, ফ্যাব্রিক ডায়িং, ইয়ার্ন ডায়িং, ওয়াশিং, একটি ফ্যাব্রিক টেস্টিং ল্যাব এবং ভবিষ্যৎ পণ্য ও ডিজাইনের জন্য গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগ। পরিবেশবান্ধব স্থাপনার জন্য ইপিলিয়নের নিটওয়্যার কারখানাটি কিছুদিন আগে সরকার থেকে গ্রিন ফ্যাক্টরি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়েছে।
ইপিলিয়ন ২০০৫ সাল নাগাদ নিজেদের প্রথম দুটি টেক্সটাইল ইউনিট চালু করে। ২০১০ সালে প্রথম ওয়াশিং ইউনিট চালুর পাশাপাশি নিজেদের অন্যান্য কারখানার সংখ্যা বাড়াতে থাকে। ২০১২ সালে তেজগাঁও-গুলশান লিংক রোড এলাকায় নান্দনিক অফিস ভবন ‘নিনা কাব্য’তে স্থানান্তরিত হয় ইপিলিয়নের করপোরেট হেড অফিস। ২০১৫ সালে খুচরা ক্রেতাদের হাতে পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে নিজেদের উৎপাদিত পণ্য নিয়ে যাত্রা করে ইপিলিয়নের লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড ‘সেইলর’। বর্তমানে এটি বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষ জনপ্রিয় পোশাক ব্র্যান্ড।
তৈরি পোশাক শিল্পে ধরন ও ডিজাইনের বৈচিত্র্যই ব্যবসার চাবিকাঠি। নতুন ধাঁচের পোশাক ও ডিজাইন তৈরির ক্ষমতা এ খাতে উন্মোচন করে নতুন দিগন্ত। এদিক থেকে ইপিলিয়ন সবসময় প্রতিযোগীদের চেয়ে এগিয়ে থাকতে চায়। বর্তমানে তাদের ১৮৫টি সার্কুলার নিট ও ৬০টি ফ্ল্যাট নিট মেশিন রয়েছে, যা একাধিক ডিজাইনের কলার, কাফসহ সব ধরনের সিঙ্গেল ও ডাবল জার্সি, জ্যাকার্ড ও ইঞ্জিনিয়ারিং স্ট্রাইপ কাপড় তৈরি করতে পারে।
যেকোনো নিট ফ্যাব্রিকস ম্যানুফ্যাকচারিং প্লান্টের প্রাণকেন্দ্র হলো ডায়িং সেকশন। এ বিভাগে পণ্যের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা হয়। বর্তমানে ইপিলিয়নের ডায়িং সেকশন ২৮টি উন্নত প্রযুক্তির বাল্ক মেশিন ও ৪০টি নমুনা মেশিন দিয়ে সজ্জিত, যেগুলো দৈনিক ৫০ টন কাপড় তৈরি করতে পারে। এছাড়া ইপিলিয়নের প্রিন্টিং লাইন মাসে ১৫ লাখ পিস ও এমব্রয়ডারি লাইন মাসে আট লাখ পিস কাপড়ে কাজ করার সক্ষমতা রাখে।
বছরের পর বছর ধরে কাপড়কে ব্যতিক্রমী করে তোলার জন্য ফিনিশিং লাইনে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগ করে আসছে ইপিলিয়ন। তাদের দুটি ‘রিলাক্সড ড্রাইং ফিনিশিং’ ও পাঁচটি ‘ওপেন-সেটিং ফিনিশিং’ লাইন যুক্ত রয়েছে অত্যাধুনিক ‘কম্প্যাক্টিং ফিনিশিং’-এর মাধ্যমে। পাশাপাশি পিচিং, ব্রাশিং, সিঞ্জিং, শিয়ারিং ও ইমারাইজিংয়ের মতো কাপড়ের মানোন্নয়নসংক্রান্ত বিভিন্ন কৌশল নিয়ে সবসময় কাজ করে একটি টিম। এর মাধ্যমে ইপিলিয়নের উৎপাদিত পণ্যের ফিনিশিং গ্রাহকের চাহিদা পূরণ নিশ্চিত করা হয়। সব সুযোগ-সুবিধা একই ছাদের নিচে সমন্বয় করার মাধ্যমে মানসম্পন্ন সূক্ষ্ম কাপড়ের জন্য কমপ্যাক্ট ফিনিশ নিশ্চিত হয়েছে।
একটি দিয়ে শুরু হলেও সম্প্রসারিত হয়ে বর্তমানে ইপিলিয়ন গ্রুপের অধীনে ১০টির বেশি প্রতিষ্ঠান ও কারখানা রয়েছে। এর মধ্যে প্রধান কয়েকটি নিয়ে আলোচনা করা হলো।
ডেকো নিটওয়্যারস লিমিটেড: রাজধানী ঢাকার মিরপুর থেকে শুরু হয়েছিল ইপিলিয়ন গ্রুপের যাত্রা। এখানেই তাদের প্রথম কারখানা ডেকো নিটওয়্যারস লিমিটেড (ডিকেএল) অবস্থিত। ১৯৯৪ সালে ২০০ জন কর্মী ও দুটি উৎপাদন লাইন নিয়ে ডেকো কাজ শুরু করে। বর্তমানে তা দাঁড়িয়েছে এক হাজার কর্মচারী ও ১২টি লাইনে। যদিও ডেকো নিটওয়্যারসের মূল অফিস পরিবর্তিত হয়েছে। তবে কারখানাটি এখনো মিরপুরে ইপিলিয়ন নিটওয়্যারসের পাশের জায়গাতেই রয়েছে। ডেকোর বর্তমান মাসিক উৎপাদন সক্ষমতা ৪ লাখ ৭৫ হাজার পিস।
ইপিলিয়ন লিমিটেড: একটি ধারণা থেকে যাত্রা করা ইপিলিয়ন লিমিটেড (ইপিএল) বর্তমানে শিল্প খাতের নেতৃস্থানীয় প্রতিষ্ঠান। ২০০০ সালে শীতলক্ষ্যা নদীর তীর থেকে কয়েক মিটার দূরে নারায়ণগঞ্জের কুতুবপুর থেকে ইপিএল যাত্রা করে। তাদের কারখানায় পোশাকের আনুষঙ্গিক দ্রব্য (স্টিকার, বোতাম, টাই ইত্যাদি) তৈরি হয়, যা অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ করছে। যন্ত্রপাতি ও কর্মীদের অপ্টিমাইজেশনের মাধ্যমে সর্বোচ্চ উৎপাদন ও দক্ষতা নিশ্চিত করতে এ কারখানায় দৈনিক দুই শিফটে কাজ হয়। অত্যাধুনিক কারখানাটি ইপিলিয়ন গ্রুপের বিশাল উৎপাদন ব্যবস্থা সমন্বয়ের সুবিধার জন্য ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ সরবরাহ করে আসছে।
ইপিলিয়ন নিটওয়্যার লিমিটেড: ইপিলিয়ন নিটওয়্যার লিমিটেড (ইকেডব্লিউএল) ২০০৪ সালে ইপিলিয়নের প্রোফাইলে যুক্ত হয়। ১ হাজার ৬০০ জনের বেশি দক্ষ কর্মী দিয়ে পরিচালিত মোট ১৯টি লাইন একত্র করার মাধ্যমে ইকেডব্লিউএল ইপিলিয়নের সক্ষমতা আগের চেয়ে কয়েক গুণ বাড়িয়েছে। কারখানাটি বর্তমানে মাসিক ৬ লাখ ৭৫ হাজার পিস কাপড় উৎপাদন করছে।
ইপিলিয়ন স্টাইল লিমিটেড: গাজীপুরে ইপিলিয়ন স্টাইল লিমিটেড (ইএসএল) কারখানা প্রতিষ্ঠা হয় ২০০৬ সালে, যার মাধ্যমে তারা নিজেদের গার্মেন্ট ইউনিটের সম্প্রসারণ করেছে। প্রতিষ্ঠার সময় ইপিলিয়ন গ্রুপের অধীনে ৪৯টি নতুন উৎপাদন লাইন যোগ করে ইএসএল। ইএসএলের প্রাথমিক ইউনিটের উৎপাদন সক্ষমতা মাসিক ১২ লাখ ৭৫ হাজার পিস।
ইএসএলের সাফল্যের পালকে সবচেয়ে মূল্যবান মুকুট তাদের সবুজ ও পরিবেশবান্ধব কমপ্লেক্স। প্রতিষ্ঠার পর থেকে ইএসএল ১৪টি উৎপাদন লাইনের অতিরিক্ত সক্ষমতাসহ সম্প্রসারিত হয়েছে এবং ইপিলিয়নের টেক্সটাইল ইউনিটের সঙ্গে নিজেদের প্রাঙ্গণ ভাগাভাগি করছে। সম্প্রসারিত অংশের উৎপাদন সক্ষমতা মাসিক পাঁচ লাখ পিস।
ড্যাজলিং ড্রেসেস লিমিটেড: ড্যাজলিং ড্রেসেস লিমিটেড (ডিডিএল) ২০০৬ সালে কার্যক্রম শুরু করে। রাজধানীর উত্তরার দক্ষিণখানে অবস্থিত কারখানাটিতে ১৮টি উৎপাদন লাইন রয়েছে। বর্তমানে ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি কর্মী ডিডিএলে কাজ করছেন। ডিডিএল সেডেক্স, বিএসসিআই ও অ্যাকর্ড থেকে সনদপ্রাপ্ত এবং এর মাসিক উৎপাদন সক্ষমতা ৪ লাখ ৭৫ হাজার পিস।
ইপিলিয়ন নিটওয়্যারস লিমিটেড: ইপিলিয়ন নিটওয়্যারস লিমিটেড (ইকেডব্লিউএল এইচডব্লিউ) ইপিলিয়নের সবচেয়ে আধুনিক স্থাপনাগুলোর একটি। আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক পরিকল্পনা বাস্তবায়িত রূপ হিসেবে ২০২১ সালে নারায়ণগঞ্জের মদনপুরে অত্যাধুনিক ৫০টি উৎপাদন লাইন দিয়ে ইকেডব্লিউএল এইচডব্লিউ তাদের যাত্রা শুরু করে। এ কারখানার বর্তমান উৎপাদন সক্ষমতা মাসিক ১১ লাখ পিস।
টেক্সটাইল ইউনিট: ইপিলিয়ন গ্রুপের টেক্সটাইল ইউনিটটি গাজীপুরের বাংলাবাজারে অবস্থিত। একই প্রাঙ্গণে ইকেএল ও ইএফএলের দুটি কৌশলগত ব্যবসায়িক ইউনিট রয়েছে। পাশাপাশি ইডব্লিউএল ও ইটিএলএল ইউনিটও একই জায়গায় তৈরি করা হয়েছে।
ইপিলিয়ন নিটেক্স লিমিটেড: ২০০৩ সালে পোশাক খাতের কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে একটি শক্তিশালী ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ গড়ে তোলার দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে যাত্রা করে ইপিলিয়ন নিটেক্স লিমিটেড (ইকেএল)। ইকেএলের কর্মীরা বুনন, রঞ্জনবিদ্যা (রঙের উপাদান তৈরি) ও তৈরি পোশাক উৎপাদনে কাজ করছেন।
ইপিলিয়ন ফ্যাব্রিকস লিমিটেড (ইএফএল): ইপিলিয়নের আরেকটি উদ্যোগ ইপিলিয়ন ফ্যাব্রিকস লিমিটেড, যার মাধ্যমে নিজেদের পণ্যের ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শক্তিশালী করতে সক্ষম হয়েছে। ২০০৬ সালে স্থাপন করা হয় ইএফএল। এর প্রাঙ্গণে বুনন, রঞ্জনবিদ্যা (রঙের উপাদান তৈরি), ফিনিশিং ও সুতা রঞ্জনের (ডায়িং) কাজ করা হয়।
ইপিলিয়ন টেস্টিং ল্যাব লিমিটেড: সর্বদাই নতুন সুযোগ তৈরিতে সচেষ্ট ইপিলিয়ন গ্রুপ। ২০১২ সালে ইপিলিয়ন টেস্টিং ল্যাব লিমিটেড (ইটিএলএল) স্বাধীনভাবে কার্যক্রম শুরু করে। এ ল্যাবের প্রধান উদ্দেশ্য ফ্যাব্রিক বা কাপড়ের ভৌত ও রাসায়নিক পরীক্ষার মাধ্যমে পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করা। ইপিলিয়ন গ্রুপের অন্যান্য কারখানার চাহিদা পূরণের পাশাপাশি ল্যাবটির বাইরে আরো গ্রাহক রয়েছেন, যারা নিজেদের প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রয়োজনীয় গবেষণা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করিয়ে থাকেন এখানে। এ ল্যাবে দেশী গবেষকদের পাশাপাশি বিদেশী বিশেষজ্ঞরাও কাজ করছেন। টেক্সটাইল ইউনিটের প্রাঙ্গণে অবস্থিত ইটিএলএল ডাইমেনশনাল স্ট্যাবিলিটি এবং এ-সংক্রান্ত পরীক্ষা, পারফরম্যান্স টেস্ট, কালার ফাস্টনেস টেস্ট ও ইয়ার্ন অ্যানালাইসিস টেস্টের মতো বিভিন্ন সেবা দিয়ে আসছে।
ইপিলিয়ন প্যাকেজিং টেস্টিং ল্যাব: ইপিলিয়ন প্যাকেজিং টেস্টিং ল্যাব (ইপিটিএল) কুতুবপুরে অবস্থিত ইপিএলের আনুষঙ্গিক ইউনিটের সঙ্গে সংযোজিত একটি গবেষণাগার। ইপিটিএল তৈরির ফলে ইপিলিয়ন গ্রুপের স্টেকহোল্ডারদের চাহিদা মেটানো সহজ হয়েছে এবং পণ্যের গুণগত মান রক্ষায় একটি নতুন বেঞ্চমার্ক স্থাপন করা সম্ভব হয়েছে।
ইপিলিয়ন ওয়াশিং লিমিটেড: ২০০৮ সালে টেক্সটাইল ইউনিটের প্রাঙ্গণে ইপিলিয়ন ওয়াশিং লিমিটেড (ইডব্লিউএল) নামে ইপিলিয়নের নতুন প্রতিষ্ঠান যাত্রা করে। ইডব্লিউএল ওয়েট প্রসেসিং ইউনিট চালুর মাধ্যমে গ্রুপের ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ আরো সুসংহত করেছে। এ কারখানায় প্রযুক্তিভিত্তিক বিনিয়োগ আনয়ন ও সদস্যদের প্রযুক্তি দক্ষতা নিশ্চিতে কাজ করা হয়।
সেইলর লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড: ২০১৫ সালে ‘সেলিং লাইফ’ ট্যাগলাইন নিয়ে নান্দনিক লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড হিসেবে বাংলাদেশে যাত্রা করে ইপিলিয়নের লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড ‘সেইলর’। নান্দনিকতা ও সংগ্রহের বৈচিত্র্যের জন্য জনপ্রিয়তা পায় সেইলর। যেকোনো বয়স ও লিঙ্গের মানুষের জন্য উৎসব ও ঋতুর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পোশাক সরবরাহ করে নিজেদের অনন্যতার প্রমাণ রেখেছে ব্র্যান্ডটি। বৈচিত্র্যময় ফ্যাশন সরবরাহের জন্য সেইলরের রয়েছে নিজস্ব ডিজাইন টিম। বর্তমানে দেশজুড়ে সেইলরের ২১টি আউটলেট রয়েছে।
বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ পোশাক রফতানিকারক দেশ। আর বাংলাদেশের হয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মানসম্মত পোশাক রফতানি করে পোশাক খাতে নিজেদের অবস্থান আরো শক্ত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে ইপিলিয়ন। সুপার ব্র্যান্ডের খেতাব অর্জন ও গ্রিন ফ্যাক্টরির স্বীকৃতি লাভসহ করোনা মহামারীর সময় রফতানি খাতে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য বিজিএপিএমইএ থেকে ট্রফি অর্জন করেছেন ইপিলিয়নের প্রতিষ্ঠাতা রিয়াজ উদ্দিন আল মামুন। সেই সঙ্গে ‘খেয়া’ (কিন হ্যান্ড ফর এডুকেশনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট) প্রজেক্টের মাধ্যমে ইপিলিয়ন গ্রুপ ২০১২ সাল থেকে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি ও ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং প্রদান করছে। শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি সফট স্কিল প্রদানের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ কর্মদক্ষতার জন্য সুদক্ষ করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে গঠন করা হয়েছে খেয়া একাডেমি।










