জুলাই অভ্যুত্থানের পর নতুন এক পথরেখায় বাংলাদেশ। চাকরিতে কোটা সংস্কার তথা কর্মসংস্থানের সংস্কার দাবি থেকে সরকার পতনের ঘটনা বদলে দিয়েছে দেশের সার্বিক চিত্র। এর মুখ্য ভূমিকায় ছিলেন শিক্ষার্থীরাই। অনেক প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির এ রূপান্তরের বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবসে শিক্ষার্থীদের ভাবনার কথা শুনেছেন শফিকুল ইসলাম

1

দেশে সমতাভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা এখনো চালু হয়নি
মৌমিতা পাল চৌধুরী
শিক্ষার্থী, বিবিএ, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি

বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা একটি গুরুত্বপূর্ণ রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তবে এখনো এমন কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে, যা সমাধান করা জরুরি। মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণ, গবেষণাভিত্তিক শিক্ষা, বাজেটে বরাদ্দ বৃদ্ধি, সমতাভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা, কর্মমুখী শিক্ষা—পাঁচটি বিষয়ের ওপর আমি জোর দেব। শিক্ষার মান উন্নত করতে দক্ষ শিক্ষকের সংখ্যা বৃদ্ধি, পাঠ্যক্রম আধুনিকীকরণ এবং শিক্ষার্থীদের হাতে ডিজিটাল প্রযুক্তির সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে গবেষণায় আরো বেশি গুরুত্ব দেয়া এবং গবেষণার জন্য পর্যাপ্ত তহবিল নিশ্চিত করা। জাতীয় বাজেটে শিক্ষা খাতে আরো বেশি বিনিয়োগ করতে হবে, যাতে শিক্ষার্থীদের জন্য অবকাঠামো, বৃত্তি ও শিক্ষা উপকরণ সহজলভ্য হয়। সমতাভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা আমাদের দেশে এখনো চালু হয়নি। শহর ও গ্রামাঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে বৈষম্য দূর করা এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা দরকার। শুধু তাত্ত্বিক জ্ঞান নয়, শিক্ষার্থীদের কর্মমুখী শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের প্রতি জোর দিতে হবে, যাতে গ্র্যাজুয়েটরা বৈশ্বিক চাকরির বাজারে প্রতিযোগিতা করতে পারে। শুধু প্রতিযোগিতাই নয়, সেখানে নিজেদের ভালো অবস্থান তৈরি করে দেশের সুনাম বয়ে আনতে পারে।

02

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে রাজনৈতিক সহিংসতামুক্ত করতে হবে
মো. আনোয়ার হোসেন জিসান

শিক্ষার্থী, অ্যাপারেল ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগ, বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি

আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে শিক্ষার আধুনিকায়নের বিকল্প নেই। ডিজিটাল শিক্ষা ও প্রযুক্তির সুষ্ঠু সম্পৃক্ততা বর্তমান সময়ে শিক্ষা ব্যবস্থার মূল ভিত্তি হওয়া উচিত বলে আমি মনে করি। শুধু শিক্ষার হার বৃদ্ধি নয়, গুণগত শিক্ষার দিকে মনোযোগী হওয়া উচিত। নতুন প্রজন্ম যেন যুগোপযোগী ও দক্ষ হয়ে ওঠে, সেজন্য আধুনিক শিক্ষা পদ্ধতি ও প্রশিক্ষণের প্রয়োজন। জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ বাতিল করে আধুনিক ও গবেষণাভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে প্রাধান্য দিয়ে নতুন শিক্ষানীতি প্রণয়ন করতে হবে, যেখানে গৎ বাঁধা পড়াশোনাকে পাশ কাটিয়ে শিক্ষার্থীরা নিজেদের বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার জন্য প্রস্তুত হতে পারবে। ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কোলাবরেশনের মাধ্যমে চাকরির ক্ষেত্রে সুযোগ তৈরিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে কাজ করতে হবে। গ্র্যাজুয়েশনের পর আমাদের দেশে বেকারত্বের যে হার সেটি কমাতে এ কোলাবরেশন চমৎকারভাবে কাজ করবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মানোন্নয়নে বিশেষ নজর দিতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে সুশাসন, পঠন-পাঠন, গবেষণা ও জ্ঞান সৃজনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়কে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নিতে হবে। মেধা ও গবেষণার ওপর ভিত্তি করে শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে। রাষ্ট্রীয়ভাবে শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তাহলেই মেধাবীরা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকতাকে বেছে নেবেন। তাছাড়া বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ওপর আরোপিত ট্যাক্স প্রত্যাহার করতে হবে, শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ বন্ধ করতে হবে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গণতান্ত্রিক পরিবেশ, মূল্যবোধ ও মুক্তবুদ্ধির চর্চা করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে রাজনৈতিক সহিংসতামুক্ত করতে হবে। সর্বোপরি, একটি মানসম্মত, যুগোপযোগী ও কল্যাণকর শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে উঠুক—এটাই প্রত্যাশা।

03

আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে দেশের শিক্ষার কোনো মিল নেই
আব্দুল হামিদ
শিক্ষার্থী, অর্থনীতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

এ বছরের আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবসের প্রতিপাদ্য ঘোষণা কথা হয়েছে AI and education : preserving human agency in a world of automation। আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে বাংলাদেশের শিক্ষার কোনো মিল নেই। হ-য-ব-র-ল এ শিক্ষা ব্যবস্থা বারবার পরিবর্তন করা হলেও গবেষণামূলক কোনো শিক্ষা ব্যবস্থা দেশে চালু হয়নি কখনই। গবেষণাবিহীন, মুখস্থনির্ভর যে শিক্ষা পদ্ধতি চালু রয়েছে তা ব্রিটিশদের তৈরি করা কেরানি তৈরি পদ্ধতি। বিভিন্ন সময়ে কারিকুলাম পরিবর্তন করা হলেও সেগুলো ছিল টেস্ট কেস। সবই হয়েছে ব্যক্তির ইচ্ছায়, গবেষণাবিহীনভাবে। শিক্ষা ব্যবস্থায় নেই কোনো গবেষণা, নেই কোনো প্রণোদনা। উন্নত দেশগুলো শিক্ষার ব্যয়কে বিনিয়োগ হিসেবে মনে করে। যেজন্য তারা শিক্ষা ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেয়। অপরপক্ষে আমাদের দেশে শিক্ষার বিনিয়োগ দৃশ্যমান হয় না; বরং রাস্তাঘাট, কালভার্ট, ভবন বা সেতু নির্মাণ করলে তা দৃশ্যমান হয়। তাই আমাদের দেশে এসবেই বরাদ্দ বেশি হয়। শিক্ষা খাতে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় আবিষ্কার হচ্ছে ছাত্ররাজনীতি, যে লেজুড়বৃত্তিক ছাত্ররাজনীতির জন্য অকালেই ঝরে যাচ্ছে অনেক মেধাবী। কারিগরি শিক্ষার পরিবর্তে এ দেশে তৈরি হচ্ছে হাজার হাজার উচ্চ শিক্ষিত বা সার্টিফিকেটধারী মানুষ। দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও কল্যাণের লক্ষ্যে শিক্ষার চলমান সংকট ও সংকোচন নীতির পরিবর্তে সবার জন্য একই ধারার, বিজ্ঞানভিত্তিক, সেকুলার, দেশপ্রেম ও মানবিক গুণসম্পন্ন শিক্ষানীতি প্রণয়ন এবং বাস্তবায়ন করা হোক। আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবসে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে সে প্রত্যাশা রইল।

04

শিক্ষা খাতে বাজেট বাড়ানোর পাশাপাশি দায়িত্বশীল ব্যবস্থাপনা দরকার
জুবায়ের জামিল 
শিক্ষার্থী, আরবি বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা আমাদের জাতীয় উন্নয়নের প্রধান চালিকাশক্তি হলেও এর বর্তমান অবস্থা ভবিষ্যতের উন্নয়নের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। উন্নত বিশ্বে শিক্ষা খাতে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে বাজেট প্রণয়ন করা হলেও আমাদের দেশে খাতটি বারবার উপেক্ষিত হচ্ছে। অপ্রতুল বাজেট বরাদ্দ এবং সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। জাতির অগ্রগতির জন্য একটি শক্তিশালী ও যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা প্রয়োজন, যা সঠিক বিনিয়োগ ও কার্যকর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সম্ভব। বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার ত্রুটিগুলো খুঁজে বের করে নতুন শিক্ষাক্রমের গুণগত বিশ্লেষণ করা অত্যন্ত জরুরি। এক্ষেত্রে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক ও সাধারণ জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা গ্রহণ করা দরকার। নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও ধর্মীয় শিক্ষা দ্বারা আলোকিত একটি আধুনিক শিক্ষানীতি প্রণয়ন ছাড়া সঠিক দিকনির্দেশনা পাওয়া সম্ভব নয়। শিক্ষার উদ্দেশ্য শুধু চাকরির সুযোগ সৃষ্টি নয়; বরং একটি সচেতন, সৃজনশীল ও নৈতিকভাবে সুদৃঢ় জনগোষ্ঠী গড়ে তোলা। উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়ন করলেই চলবে না। উন্নত বিশ্বের আদলে গবেষণার মান বৃদ্ধি এবং পাঠক্রমে বাস্তবমুখী জ্ঞান অন্তর্ভুক্ত করা অত্যন্ত প্রয়োজন। বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, শিল্প ও উদ্ভাবনের ওপর গুরুত্বারোপ করে এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করতে হবে যা কেবল সনদনির্ভর নয়, বরং দক্ষতা ও সৃজনশীলতা বিকাশে সহায়ক।

05

উচ্চ শিক্ষায় পাবলিক-প্রাইভেট বলে কোনো বৈষম্য থাকা উচিত না
মেহেরুন নেসা শান্তা
শিক্ষার্থী, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি (আইইউবিএটি)

শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কার্যকর একটি কাঠামো গড়ে তোলা হোক এটা আমার মূল প্রত্যাশা। আমি আশা করি, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা হবে দক্ষতা, মূল্যবোধ ও প্রযুক্তিভিত্তিক, যা শিক্ষার্থীদের শুধু চাকরির উপযোগী করে তোলার পরিবর্তে সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী করে তৈরি করবে। প্রথমত, সমতা নিশ্চিত করা জরুরি। প্রত্যেক শিশু, কিশোর-কিশোরী যেন মানসম্মত শিক্ষা পেতে পারে তা নিশ্চিত করতে হবে। গ্রামীণ ও শহরের শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে যে পার্থক্য তা দূর করার প্রয়োজন। দ্বিতীয়ত, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার ওপর জোর দেয়া উচিত, যা কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও উদ্যোক্তা তৈরিতে সহায়তা করবে। তৃতীয়ত, পাঠ্যক্রমে প্রযুক্তি ও পরিবেশগত শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জের জন্য প্রস্তুত করা উচিত। সবশেষে পাবলিক-প্রাইভেট বলে কোনো বৈষম্য থাকা উচিত না। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামো উন্নয়নে সমানভাবে বিনিয়োগ করা প্রয়োজন। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নে সমান গুরুত্ব দিতে হবে। শিক্ষকদের মানসম্মত প্রশিক্ষণ ও গবেষণার সুযোগ প্রদান শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। এ প্রত্যাশাগুলো পূরণ হলে বাংলাদেশ একটি জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়ে তুলতে সক্ষম হবে। শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ এবং এর প্রসার নিশ্চিত করতে পারলে আমাদের প্রিয় দেশ ভবিষ্যতে বিশ্বমানচিত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করবে।

06

শিক্ষা ব্যবস্থার মূল ভিত্তি হতে হবে গবেষণা
মো. ওয়ালিদ হোসেন
শিক্ষার্থী, অর্থনীতি বিভাগ, ঢাকা কলেজ

শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য সৃষ্টিজগতের সার্বিক কল্যাণ ও জ্ঞান অর্জনের সুযোগ তৈরির মাধ্যমে মানুষকে প্রশিক্ষিত করা। প্রশিক্ষিত করার যুগোপযোগী প্রক্রিয়াটি হলো শিক্ষা ব্যবস্থা। শিক্ষা ব্যবস্থার মূল ভিত্তি হতে হবে গবেষণা। বাংলাদেশে প্রশিক্ষণ বা জ্ঞান অর্জনের ব্যবস্থাপনায় আছে গোড়াতেই গলদ। এ গলদ দূর করে এ দেশের সামগ্রিক প্রেক্ষাপটের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি সুন্দর শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রধান চ্যালেঞ্জ বলে মনে করি। শিক্ষা ক্ষেত্রে চরম অব্যবস্থাপনা রোধ করে নতুন শিক্ষা কাঠামো গড়তে দেশের সব শ্রেণী-পেশার মানুষ খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে সচেতন হবে বলে প্রত্যাশা করি। শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রতিটি বিষয়ের সঙ্গে থাকতে হবে ধর্মীয় আদর্শ ও নীতিনৈতিকতার যথার্থ সমন্বয়। টেকসই কর্মসংস্থানমুখী স্থায়ী শিক্ষা ব্যবস্থা কাঠামো প্রণয়ন করতে হবে। ক’দিন পরপর শিক্ষা ব্যবস্থাপনার কাঠামো পরিবর্তন করা যাবে না।

07

শিক্ষা সংস্কার কমিশন গঠন করা উচিত
মুরছালিন মাহমুদ খান
শিক্ষার্থী, বিবিএ, ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ

বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় এখনো অনেক চ্যালেঞ্জ ও ত্রুটি রয়ে গেছে। নতুন প্রজন্মের প্রত্যাশা হলো শিক্ষার মানোন্নয়ন, সমান সুযোগ ও আধুনিক পাঠ্যক্রমের প্রয়োগ। শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে কার্যকর শিক্ষা পদ্ধতি, দক্ষ শিক্ষক ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরি জরুরি। প্রান্তিক ও পিছিয়ে পড়া অঞ্চলে শিক্ষার সমান সুযোগ নিশ্চিত করা নতুন প্রজন্মের অন্যতম চাওয়া। প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার মাধ্যমে জ্ঞানার্জনের সুযোগ বাড়াতে হবে, যা বর্তমান যুগের চাহিদা পূরণ করবে। শিক্ষা খাতে এসব পরিবর্তন কিংবা সংস্কার সাধন করতে অনতিবিলম্বে শিক্ষা সংস্কার কমিশন গঠন করা উচিত বলে মনে করি।