সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে কভিড-১৯-এ আক্রান্ত মানুষের গতিবিধি পর্যবেক্ষণে শিগগিরই পাইলট প্রকল্প চালু করবে দক্ষিণ কোরিয়া। এর অংশ হিসেবে সিসিটিভি ক্যামেরায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘনের উদ্বেগ থাকলেও এটি বাস্তবায়ন করবে প্রশাসন। খবর রয়টার্স।
২০২২ সালের জানুয়ারিতে সিউলের উপকণ্ঠে অবস্থিত ঘনবসতিপূর্ণ শহর বুচিওনে রাষ্ট্রীয় অর্থায়নে পরিচালিত এ প্রকল্প চালুর কথা রয়েছে বলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সূত্রে জানা গেছে। শহর থেকে দেশটির বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের কাছে ১১০ পৃষ্ঠার ব্যবসায়িক পরিকল্পনা জমা দেয়া হয়েছে। পরিকল্পনার তথ্যানুযায়ী, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অ্যালগরিদম ও ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তির মাধ্যমে ১০ হাজার ৮২০টি সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণকৃত ফুটেজ যাচাই করা হবে। যেখানে কভিড-১৯-এ আক্রান্ত ব্যক্তিদের যাতায়াত, অন্য মানুষের সংস্পর্শে আসা ও মাস্ক পরিধানের বিষয় পর্যবেক্ষণ করা হবে।
কভিড-১৯-এর সংক্রমণ রোধে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ নতুন আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। পাশাপাশি নতুন প্রযুক্তিও ব্যবহার করছে। নিউইয়র্কের কলাম্বিয়া ল স্কুল প্রদত্ত প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, চীন রাশিয়া, ভারত, পোল্যান্ড, জাপানসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন রাজ্য এরই মধ্যে কভিড-১৯-এ আক্রান্তদের পর্যবেক্ষণে ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে। বুচিওন শহরের কর্মকর্তারা জানান, আট লাখের বেশি জনসংখ্যার দেশে যারা সার্বিক কার্যবিধি পর্যবেক্ষণে অতিরিক্ত সময় কাজ করছেন, তাদের ওপর চাপ কমাতে নতুন পদ্ধতি সহায়ক হবে। দক্ষিণ কোরিয়া এরই মধ্যে উন্নত প্রযুক্তি পর্যবেক্ষণ প্রযুক্তির মাধ্যমে জনগণের ক্রেডিট কার্ড ও স্মার্টফোনের লোকেশন-সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করে আসছে।
২০২০ সালের শেষে পাইলট প্রকল্পে রাষ্ট্রীয় অর্থায়নের জন্য দরপত্র আহ্বানের সময় নতুন প্রযুক্তিটি চলাচল পর্যবেক্ষণে আরো সহায়ক হবে বলে জানিয়েছিলেন বুচিওনের মেয়র জং দেওগ চেওন। এক টুইটে তিনি বলেন, কখনো কখনো একটি সিসিটিভির ফুটেজ যাচাইয়ে কয়েক ঘণ্টা সময় ব্যয় হয়। কিন্তু ভিজুয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তির মাধ্যমে কম সময়ে এটি সম্পন্ন করা যাবে।










