নাম না জানা পাঁচটি মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপ থেকে তিন লাখের বেশি ডিজিটাল ফিঙ্গারপ্রিন্ট তথ্য ফাঁস হয়েছে। এসব ব্যাংক পরিচয় শনাক্তে একই থার্ড পার্টি ডিজিটাল সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট কিট (এসডিকে) ব্যবহার করত। সম্প্রতি সিমানটেকের গবেষকদের এক প্রতিবেদন সূত্রে এ তথ্য জানা গিয়েছে। খবর টেকরাডার।
একটি অ্যাপ থেকে ডিজিটাল প্লাটফর্মের পরিচয় ও শনাক্তকরণ তথ্য আদান-প্রদান বর্তমানে প্রচলিত একটি ধারা বলে গবেষকদের সূত্রে জানা গিয়েছে। কেননা বিভিন্ন ধরনের শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া ও তথ্য সরবরাহ করা অ্যাপ ডেভেলপারদের জন্য খুবই কঠিন। তবে প্রাথমিক পর্যায়েই এ উদ্যোগ ব্যাহত হয়। ব্যাংকিং অ্যাপগুলোর সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট কিটে অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেসের (এডব্লিউএস) ক্লাউড ক্রিডেনশিয়াল ছিল, যেটি সব ধরনের ব্যাংকিং ও ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাপে থাকা প্রাইভেট অথেনটিকেশন তথ্য ফাঁস করে দিতে পারত।
দুর্বল ও অনিরাপদ সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট কিট ব্যবহারের মাধ্যমে গবেষকরা ব্যবহারকারীদের নাম, জন্মতারিখসহ অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য ও ডিজিটাল ফিঙ্গারপ্রিন্টের তথ্য পেয়েছেন। ক্লাউড প্লাটফর্মে পরিচয় শনাক্তে এ তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে। সিমানটেকের দাবি যদি সত্য প্রমাণ হয় তাহলে গবেষকরা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত এপিআই সোর্স কোড ও এআই মডেলও শনাক্ত করতে পারবে। তবে তথ্য ফাঁসের বিষয়টি শুধু ব্যাংকিং অ্যাপেই সীমাবদ্ধ নেই। গবেষকরা জানান, অ্যান্ড্রয়েড, আইওএস প্লাটফর্মের আরো ১ হাজার ৮৫৯টি পাবলিক অ্যাপ থেকে তথ্য ফাঁস হয়েছে। গবেষকরা এ ধরনের দুর্ঘটনা থেকে সুরক্ষিত থাকার কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। এর অংশ হিসেবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা স্ক্যান করার অপশন যুক্ত করার কথা বলা হয়েছে।










