বাংলাদেশে ফেসিয়াল রিকগনিশনের জন্য অত্যাধুনিক সফটওয়্যার নিয়ে এসেছে এনটেক ল্যাব। দেশের সিকিউরিটি সার্ভিস ও বাণিজ্যিক গ্রাহকদের মধ্যে এই প্রযুক্তির বিপণনের জন্য রুশ প্রতিষ্ঠান এনটেক ল্যাব বাংলাদেশী সফটওয়্যার কোম্পানি রিবাট মেটাটেকের সঙ্গে চুক্তি করেছে। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে এ প্রযুক্তির বিষয়ে তুলে ধরে এনটেক ল্যাব।
প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ডাটাবেইজে সংরক্ষিত ব্যক্তির ইমেজের সঙ্গে মিলিয়ে দেখার সুবিধা দেয় এ প্রযুক্তি। যদি মিল পাওয়া যায়, তবে তাৎক্ষণিকভাবে তা আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে জানিয়ে দেয়। নির্দিষ্ট ব্যক্তি ক্যামেরায় ধরা পড়ার পর থেকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে সংকেত পৌঁছা পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াটিতে সময় লাগে মাত্র কয়েক সেকেন্ড। এর ফলে অতি দ্রুততার সঙ্গে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হয়।
আয়োজকরা জানান, এনটেক ল্যাব হলো প্রথম কোনো রুশ সফটওয়্যার ডেভেলপার কোম্পানী যারা বাংলাদেশের বাজারে পদার্পণ করল। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ রুশ দূতাবাসের প্রেস এটার্চ আমাতুলা খানোভা, রিবাট মেটাটেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম সারোয়ার, দক্ষিণ এশিয়ায় এনটেক ল্যাবের ব্যবসায় উন্নয়ন ও বিক্রয় বিভাগের প্রধান পাভেল বরিসভ।
রিবাট মেটাটেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম সারোয়ার জানান, ফেসিয়াল রিকগনিশন ব্যবহারের মাধ্যমে সরকার এবং নিরাপত্তা সংস্থাগুলোকে অধিক আস্থা ও দ্রুততার সঙ্গে কাজ করার সুবিধা দেবে। বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোও এই প্রযুক্তি থেকে লাভবান হতে পারে। রিটেইল আউটলেট, প্রদর্শনী হল, ট্রেড সেন্টারগুলো তাদের ভিজিটরের সংখ্যা, জেন্ডার, বয়স, ভিজিটের গড় সময়কাল, নতুন অথবা নিয়মিত ভিজিটর বিষয়ে বিশ্লেষণমূলক তথ্য পাওয়া সম্ভব হবে। এছাড়া প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ ও উপস্থিতি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতিতেও প্রযুক্তিটি ব্যবহারযোগ্য বলে জানান তিনি।
গোলাম সারোয়ার আরো জানান, বাংলাদেশে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে এনটেক ল্যাবের সঙ্গে অংশীদারিত্ব বিশেষ ভূমিকা রাখবে। রুশ প্রতিষ্ঠানটির ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তি বিশ্বের অন্যতম দ্রুত ও নির্ভূল প্রযুক্তিগুলোর মধ্যে একটি। তাই সরকারি ও বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে যথেষ্ট সাড়া পাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
দক্ষিণ এশিয়ায় এনটেক ল্যাবের ব্যবসায় উন্নয়ন ও বিক্রয় বিভাগের প্রধান পাভেল বরিসভ বলেন, বিভিন্ন ক্ষেত্রেই বাংলাদেশ রাশিয়ার একটি নির্ভরযোগ্য অংশীদার। দুই দেশের মধ্যে উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি সহযোগিতার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে পেরে আমরা আনন্দিত।









