ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, অনুভূতি প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার পাশাপাশি কোনো কোনো ক্ষেত্রে মিথ্যা তথ্য ও গুজব ছড়ানোর মাধ্যম হিসেবেও ব্যবহৃত হচ্ছে ফেসবুক। যোগাযোগমাধ্যমটির অপব্যবহার ভয়ংকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে। আর এটি শুধু সমাজ বা রাষ্ট্রের জন্যই নয়, ফেসবুকের জন্যও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এমন পরিস্থিতি এড়াতে ফেসবুককে আরো কার্যকর উদ্যোগ নেয়া উচিত।
আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে ফেসবুকের বাংলাদেশ বিষয়ক কর্মকর্তা সাবনাজ রশীদ দিয়ার সঙ্গে এক বৈঠকে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে ফেসবুকের একটি বড় বাজার রয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের ধারাবাহিকতায় দেশব্যাপী ইন্টারনেটসহ শক্তিশালী টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে। পৃথিবীর অন্যাতন্যর দেশের মতো বাংলাদেশেও ফেসবুকের বিনিয়োগে এগিয়ে আসার সুযোগ রয়েছে।
এসময় ফেসবুককে বাংলাদেশের আইন ও বিধিবিধান মেনে চলার আহ্বান জানান মোস্তাফা জব্বার। তিনি রাষ্ট্রীয়, সামাজিক এবং ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য হুমকি এবং সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, সাম্প্রদায়িকতা, রাষ্ট্রদ্রোহ, পর্নোগ্রাফি ও বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক মূল্যবোধবিরোধী উপাত্ত প্রচার না করতে সরকারের পক্ষ থেকে ফেসবুককে আহ্বান জানান তিনি।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির মাধ্যও মে পৃথিবীর ১৬৫টি ভাষায় ফেসবুক তার কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে, একে পৃথিবীর সকল ভাষার প্রতি ফেসবুকের বিরল সম্মান প্রদর্শন বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।
বৈঠকে সাবনাজ রশীদ দিয়া বলেন, অন্যান্য দেশের নীতিমালা বাংলাদেশ থেকে আলাদা। যে কোনো বিধি-বিধানের ক্ষেত্রে অবশ্যই মানুষের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিবেচনায় রাখা উচিত। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী ঝুঁকিপূর্ণ কনটেন্টের বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
এছাড়া বিটিআরসি ওটিটি গাইডলাইন তৈরি করায় সন্তোষ প্রকাশ করেন সাবনাজ রশীদ দিয়া।
বৈঠক শেষে মন্ত্রী ফেসবুক প্রতিনিধিকে তার লেখা বইয়ের একটি সেট ও মুজিব জন্মশতবর্ষের ডাকটিকিট অ্যালবাম উপহার দেন।










