ইউক্রেনের শরণার্থীদের বিষয়ে ভুয়া তথ্যের প্রচার বন্ধে পোল্যান্ড, স্লোভাকিয়া ও চেক রিপাবলিকে আগামী সপ্তাহ থেকে ক্যাম্পেইন শুরু করবে গুগলের জিগস সাবসিডিয়ারি। যুক্তরাজ্যের দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানীদের গবেষণার ভিত্তিতে এটি পরিচালিত হবে। খবর রয়টার্স।

ক্যামব্রিজ ও ব্রিস্টলের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মনোবিজ্ঞানীরা জিগসর সঙ্গে কাজ করার মাধ্যমে ৯০ সেকেন্ডের একটি ক্লিপ তৈরি করেছেন, যেটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষতিকর কনটেন্ট প্রচার ও শেয়ার বন্ধে ব্যবহারকারীদের মধ্যে প্রতিরোধমূলক ভাবনা তৈরি করবে।

ক্লিপগুলো গুগলের ইউটিউবের পাশাপাশি টুইটার, টিকটক ও মেটার ফেসবুকেও প্রচার করা হবে। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের আবেগময় বিষয় ও চটকদার শিরোনামের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে এবং এ থেকে সুরক্ষিত থাকার বিষয়ে সচেতন করবে।

এক সাক্ষাত্কারে গবেষণা বিষয়ক প্রতিবেদনের প্রধান লেখক জন রুজেনবিক বলেন, আপনি যদি মানুষকে কোনটা সত্য আর কোনটা মিথ্যা বোঝাতে চান তাহলে বিতর্ক তৈরি হবে। কিন্তু যে কৌশলগুলোর বিষয়ে আপনি ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারবেন সেটি হলো প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ইউক্রেনের বিষয়ে ভুল তথ্য ছড়িয়ে দেয়া হবে।

সাতটি পরীক্ষার মাধ্যমে গবেষণাটি পরিচালনা করা হয়, যেগুলোর মধ্যে ১৮ বছর বয়সী একদল আমেরিকান কিশোরকে সম্পৃক্ততাও রয়েছে, যারা ইউটিউবে রাজনৈতিক সংবাদ দেখে। জিগস যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৫৪ লাখ ইউটিউব ব্যবহারকারীর কাছে একটি সচেতনতামূলক ভিডিও প্রকাশ করেছে, যেখানে ১০ লাখেরও বেশি ৩০ সেকেন্ড হলেও ভিডিও দেখেছে।