কয়েক বছর ধরে স্মার্টফোনে কে কতগুলো ক্যামেরা জুড়ে দিতে পারে—এ প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছিল। চারটি ক্যামেরা বা কোয়াড ক্যামেরা প্রায় সব কোম্পানিরই নিত্যসঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক সেমিকন্ডাক্টর ও উপকরণ সংকট এ ধারা ব্যাহত করতে যাচ্ছে। বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান ওমডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, অনেক স্মার্টফোন বিক্রেতা কোম্পানিই এখন ক্যামেরার সংখ্যা কমাতে যাচ্ছে। পেছনে উচ্চ রেজল্যুশনের অল্প ক্যামেরা ব্যবহারের দিকে ঝুঁকছে কোম্পানিগুলো। এর প্রধান কারণে চলমান সেমিকন্ডাক্টর সংকট, যা বিশ্বের বিভিন্ন শিল্পে প্রভাব রাখছে। খবর গিজমোচায়না।
চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে ট্রিপল ক্যামেরা যুক্ত স্মার্টফোন বিক্রি কোয়াড ক্যামেরা স্মার্টফোনের প্রায় সমপরিমাণে দাঁড়িয়েছে। ১৫০ ডলারের কম মূল্যের সাশ্রয়ী ফোনগুলোয়ও ট্রিপল ক্যামেরার জয়জয়কার দেখা যাচ্ছে। তবে চার ক্যামেরাযুক্ত স্মার্টফোনের বাজার শেয়ার লক্ষণীয় পরিমাণে কমছে। এতদিন ডুয়াল ক্যামেরা ফোনের সংখ্যা কমলেও সাম্প্রতিক দিনগুলোয় এ ফোনের সংখ্যা বাড়ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
ওমডিয়ার জ্যেষ্ঠ গবেষণা ব্যবস্থাপক জুসি হং জানান, সেমিকন্ডাক্টর-স্বল্পতায় ক্যামেরা-সংশ্লিষ্ট ব্যয় কমাতে এ পদক্ষেপ নিচ্ছে স্মার্টফোন নির্মাতা কোম্পানিগুলো। মাঝারি দামের ফোনগুলোও চার ক্যামেরার স্থলে তিন ক্যামেরা ব্যবহার করছে।
তৃতীয় প্রান্তিকে মোট বাজারের ২৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ ছিল ৪৮ মেগাপিক্সেলের রিয়ার ক্যামেরাযুক্ত স্মার্টফোনের। অন্যদিকে ৬৪ ও ১০৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার স্মার্টফোনের বাজার শেয়ার যথাক্রমে ১৯ শতাংশ ও ৫ শতাংশ।










