আরো ৪০টি দেশে বিক্রি শুরু হয়েছে স্যামসাংয়ের নতুন ফোল্ডেবল ফোন। মূল্যস্ফীতির ধাক্কায় বৈশ্বিক স্মার্টফোন বিক্রিতে যখন শ্লথগতি চলছে তখন স্যামসাংয়ের নতুন সিরিজটি বাজার চাঙ্গায় ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। দক্ষিণ কোরিয়াভিত্তিক বার্তা সংস্থা ইয়োনহাপ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার নাগাদ বিশ্বের ৪০টি দেশে পৌঁছেছে স্যামসাংয়ের নতুন ফোল্ডেবল ফোন। সেপ্টেম্বরের মধ্যে নতুন সিরিজটি বিশ্বের ১৩০টি দেশে পৌঁছানোর লক্ষ্যমাত্রা স্যামসাংয়ের।

চলতি মাসের শুরুতে উন্মোচনের পর থেকেই প্রায় ৭০টি দেশে প্রিঅর্ডার নিচ্ছে স্যামসাং। ২২ আগস্ট শেষ হওয়া সপ্তাহ নাগাদ দক্ষিণ কোরিয়ায় ৯ লাখ ৭০ হাজার প্রিঅর্ডার পেয়েছে স্যামসাং। এখন পর্যন্ত এক সপ্তাহের সর্বোচ্চ বিক্রির রেকর্ড গড়ল তারা। আগের রেকর্ডের চেয়ে ৫ দশমিক ৪ শতাংশ বিক্রি বেড়েছে।

ফোল্ডেবল ফোনের ক্ষেত্রে স্যামসাং অগ্রণী হলেও নতুন সিরিজটিতে তেমন নতুন কিছু দিতে পারেনি বলে দাবি কিছু বিশেষজ্ঞের। লি ডং-জু নামে এসকে সিকিউরিটিজের এক বিশ্লেষক বলেন, নতুন ফোনে লক্ষণীয় কোনো পরিবর্তন আসেনি। বরং আগের সিরিজের দোষ-ত্রুটি কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা চালানো হয়েছে। ফোল্ডেবল ফোনে একচ্ছত্র আধিপত্যের ওপর ভর করে নতুন সিরিজটিতেও ভালো ব্যবসা করবে বলে মনে করেন তিনি। চলতি বছর ১ কোটি ৬০ লাখ ফোল্ডেবল ফোন বিক্রির পূর্বাভাস লি ডং-জুর।

বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান ক্যানালিসের উপাত্তে দেখা গিয়েছে, এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে স্যামসাংয়ের স্মার্টফোন বিক্রি হয়েছে ছয় কোটি ইউনিট। এতে গত প্রান্তিকে বৈশ্বিক স্মার্টফোন বাজারে স্যামসাংয়ের হিস্যা ছিল ২১ শতাংশ। গত প্রান্তিকে বৈশ্বিক স্মার্টফোন বিক্রি ৯ শতাংশ কমেছিল। দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর আশাবাদ স্মার্টফোন কোম্পানিগুলোর। এক্ষেত্রে স্যামসাংয়ের ফোল্ডেবল ফোন ও অ্যাপলের আইফোন ১৪ প্রধান ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।