আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পেতে যাচ্ছে ক্লিয়ারভিউ এআইয়ের বিতর্কিত মুখ চেনা প্রযুক্তি বা ফেসিয়াল রিকগনিশন টেকনোলজি। খবর এনগ্যাজেট।

পলিটিকো প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ক্লিয়ারভিউ যুক্তরাষ্ট্রের পেটেন্ট ও ট্রেডমার্ক অফিসের (ইউএসপিটিও) অনুমোদনের নোটিস পেয়েছে। সেখানে কর্মকর্তারা এর অনুমোদনের জন্য ফাইলিং করা শুরু করবেন বলে ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে।

ক্লিয়ারভিউ এআই সরকারি তালিকায় থাকা এবং সিকিউরিটি ক্যামেরা ফুটেজ থেকে বিভিন্ন ব্যক্তিকে খুঁজে বের করতে পাবলিক ইন্টারনেট ডাটা থেকে মুখচ্ছবি স্ক্যান করে। এখন পেটেন্ট নিরাপদ করতে প্রতিষ্ঠানটিকে শুধু প্রশাসনিক ফি দিতে হবে।

পলিটিকোর এক সাক্ষাত্কারে ক্লিয়ারভিউয়ের প্রতিষ্ঠাতা হোয়ান টোন-দ্যাট বলেন, এটি প্রথম ফেসিয়াল রিকগনিশন পেটেন্ট, যেখানে বড় আকারের ইন্টারনেট ডাটা সম্পর্কযুক্ত। এ ফার্ম আইন প্রয়োগকারীসহ সরকারি গ্রাহকদের কাছে তাদের সফটওয়্যার বিক্রি করে।

অনেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এ প্রযুক্তি নিয়ে বিস্তৃত আপত্তি সত্ত্বেও ইউএসপিটিও ক্লিয়ারভিউ এআইকে কার্যকরভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছে এবং প্রতিষ্ঠানটিকে বড় হওয়ার সুযোগ দিচ্ছে। সমালোচকরা বলছেন, ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অনুমতি ছাড়াই ক্লিয়ারভিউ ছবির ডাটাবেজ তৈরি করছে। তাছাড়া বেশকিছু দেশের সরকার (অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্যসহ) বিশ্বাস করে, ফেসিয়াল রিকগনিশন তথ্য আইন লঙ্ঘন করে। প্রযুক্তিটি রাজনৈতিক ভিন্ন মতকে স্তব্ধ করতে অথবা ব্যক্তিগতভাবে অন্যদের ওপর নজর রাখার জন্য ব্যবহার করা হতে পারে। 

টোন-দ্যাট বলেন, শুধু সরকারি ক্লায়েন্ট ছাড়া অন্যদের কাছে ক্লিয়ারভিউ বিক্রির কোনো পরিকল্পনা নেই। সেজন্য নিরপেক্ষ পদ্ধতি থাকা গুরুত্বপূর্ণ। প্রযুক্তিটির সমস্যাযুক্ত পথ বেছে নেয়া ও না নেয়ার বিষয়ে ক্লিয়ারভিউ সচেতন।