ইরানে স্টারলিংকের স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপনে বিশ্বের অন্যতম ধনী ও টেসলাপ্রধান ইলোন মাস্কের সঙ্গে আলোচনা করছে দ্য হোয়াইট হাউজ। এ বিষয়ে অবগত অফিশিয়াল সূত্রের বরাতে সিএনএন প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর রয়টার্স।

স্যাটেলাইটভিত্তিক ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সার্ভিস চালু হলে ইন্টারনেটসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যবহারে যে নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে ইরানের অধিবাসীরা সেটি কাটিয়ে উঠতে পারবে। গত মাসে পুলিশের হেফাজতে থাকা অবস্থায় ২২ বছর বয়সী মাহসা আমিনির মৃত্যু হলে ইসলামী প্রজাতন্ত্রের দেশটিতে সাধারণ মানুষ বিক্ষোভ শুরু করে।

গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ জানিয়েছিল, বর্তমানে ইরানে স্যাটেলাইট ইন্টারনেটের বেশকিছু যন্ত্রাংশ রফতানি করা যাবে। পাশাপাশি দেশটিতে স্যাটেলাইট ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পরিষেবা দেয়ার জন্য প্রতিষ্ঠানটির কোনো লাইসেন্সের প্রয়োজন হবে না। এরপর যুক্তরাষ্ট্রে পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেনের টুইটের প্রতিক্রিয়ায় মাস্ক স্টারলিংকের ইন্টারনেট পরিষেবা চালুর কথা জানিয়েছিলেন। টুইটে অ্যান্টনি ইরানিদের ইন্টারনেট ব্যবহারের স্বাধীনতা নিশ্চিতে এবং তথ্যের অবাধ প্রবাহকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপের বিষয়ে জানিয়েছিলেন। তবে এ বিষয়ে স্পেসএক্স বা হোয়াইট হাউজ কারো পক্ষ থেকেই কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

সম্প্রতি দেয়া এক বিবৃতিতে মাস্ক জানান, ইউক্রেনে পরিষেবা পরিচালনার জন্য তার প্রতিষ্ঠান যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ থেকে কোনো আর্থিক সহায়তা পায়নি। সেই সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তার জন্য ফিবিহীন পরিষেবার কারণে প্রতিষ্ঠানটি প্রতি মাসে ২ কোটি ডলার লোকসান করছে। স্যাটেলাইটের মাধ্যমে যোগাযোগ ও ইন্টারনেট পরিষেবার বিস্তারে যুক্তরাজ্যের ওয়ানওয়েব ও অ্যামাজনের সঙ্গে স্পেসএক্সের তুমুল প্রতিযোগিতা বিদ্যমান।