ফিঙ্গারপ্রিন্ট শনাক্তকরণ প্রযুক্তির উন্নয়নে নতুন পেটেন্ট করেছে হুয়াওয়ে। সম্প্রতি ফিঙ্গারপ্রিন্ট আইডেনটিফিকেশন মেথড অ্যান্ড ইটস ইলেকট্রনিক ইকুইপমেন্ট অ্যান্ড মিডিয়া নামে নতুন এ পেটেন্টের তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। খবর ইটি টেলিকম।

পেটেন্টের তথ্যানুযায়ী, ফিঙ্গারপ্রিন্ট শনাক্তকরণে সেন্সরের সঙ্গে ক্যাপাসিটিভ সেন্সর ব্যবহার করা হতে পারে। যেখানে প্রচলিত পদ্ধতিতে আঙুলের ভার্চুয়াল প্রতিচ্ছবি ব্যবহূত হয়। নতুন প্রযুক্তিতে আঙুলটি কোন হাতের সে তথ্যও জানা যাবে। টার্মিনাল ফিঙ্গারপ্রিন্ট আইডেনটিফিকেশনের উন্নয়নে দুই ধরনের তথ্য সমন্বিতভাবে ব্যবহার করা হবে। তবে পেটেন্টে উন্নত প্রযুক্তি বলতে নিরাপত্তা বাড়ানো কিংবা আরো দ্রুত স্ক্যানিংয়ের কোনো বিষয় উল্লেখ না করা হলেও প্রযুক্তিবিদ ও সংশ্লিষ্টদের ধারণা দুটি বিষয়েই প্রাধান্য দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

হুয়াওয়ের নতুন পেটেন্ট আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ফিঙ্গারপ্রিন্ট শনাক্তে নতুন প্রযুক্তি ফিল্ড অব স্মার্ট টার্মিনালে ব্যবহার করা হতে পারে। বিষয়টি পুরোপুরি পরিষ্কার না হলেও ধারণা করা হচ্ছে এ প্রযুক্তির মাধ্যমে স্মার্টফোনগুলো সুবিধা পাবে। বিশেষ করে যেসব স্মার্টফোনে আন্ডার ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর ব্যবহার করা হয়।

বর্তমানে পেটেন্টটি কাগজে সীমাবদ্ধ মনে হলেও হুয়াওয়ে এরই মধ্যে এ প্রযুক্তি নিয়ে কাজ শুরু করেছে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রযুক্তিবিদরা। পেটেন্টের নথি ঘেঁটে পাওয়া তথ্যানুযায়ী, ২০২০ সালের জুনে এ আবেদন করা হয়েছিল। সে হিসাবে এক বছর পার হয়ে গেছে।

অপটিক্যাল ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সরে স্মার্টফোনের ডিসপ্লের নিচে সেন্সরের হার্ডওয়্যার দেয়া থাকে। ব্যবহারকারীর আঙুলের প্রতিচ্ছবির প্রতিফলনের মাধ্যমে এটি কাজ করে। এ প্রযুক্তি প্রচলিত সুপেরিওর আল্ট্রাসনিক ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সরের তুলনায় কম দামি হলেও সক্ষমতার দিক থেকে দুর্বল।